ad
ad

Breaking News

মিনি সুন্দরবন

ম্যানগ্রোফ অরণ্যে ঘেরা মিনি সুন্দরবন

Bengla Jago Desk: ভ্রমনে যাওয়ার নাম শুনলেই বাঙ্গালীদের মাথায় সবার প্রথম নাম আসে দি-পু-দা। অর্থাৎ দিঘা, পুরী ও দার্জিলিং। তবে জঙ্গলে যাওয়ার মত অ্যাডভেঞ্চার আর কোথাও গেলে পাবেন কি? সুন্দরবন গেলে খরচা আছে তাই চলুন অল্প খরচায় ঘুরে আসা যাক মিনি সুন্দরবন থেকে। কোথায় আছে জানেন? কলকাতার খুব কাছেই উত্তর ২৪ পরগনা জেলায় আছে টাকি […]

Bengla Jago Desk: ভ্রমনে যাওয়ার নাম শুনলেই বাঙ্গালীদের মাথায় সবার প্রথম নাম আসে দি-পু-দা। অর্থাৎ দিঘা, পুরী ও দার্জিলিং। তবে জঙ্গলে যাওয়ার মত অ্যাডভেঞ্চার আর কোথাও গেলে পাবেন কি? সুন্দরবন গেলে খরচা আছে তাই চলুন অল্প খরচায় ঘুরে আসা যাক মিনি সুন্দরবন থেকে। কোথায় আছে জানেন? কলকাতার খুব কাছেই উত্তর ২৪ পরগনা জেলায় আছে টাকি আর এই টাকি অঞ্চলের অন্যতম সেরা ডেসটিনেশন হল মিনি সুন্দরবন বা কলকাতার জঙ্গল।টাকি পৌরসভা দ্বারা পরিচালিত মিনি সুন্দরবনের জন্ম হয় ২০১২ সালে ডিসেম্বর মাসে। এই এলাকায় ঢোকার আগে বি এস এফ এর খাতায় নিজের নাম নথি ভুক্ত করতে হয় ।

এবং নিজের পরিচয় পত্র জমা দিয়ে এগিয়ে যেতে হয় সুন্দরবনের দিকে । তারপর টিকিট কেটে জলের উপর বাঁধান সরু ব্রিজ বরাবর এগোলে দেখতে পাবেন  গোলপাতা ও সুন্দরী গাছে ঘেরা জঙ্গল। ব্রিজের দু পাশ জুড়েই রয়েছে এই জঙ্গল। এই গোলপাতা গাছের রস থেকে তৈরি হয় গুড়। কিছুটা দূরে গিয়ে পাবেন ছাউনি দেওয়া এক বিশ্রাম জায়গা। যেখানে কিছুক্ষণ বিশ্রাম নিয়ে চলে যেতে পারেন ইছামতী নদীর তীরে। নদীর ওপরে বাংলাদেশ আর  এপারে ভারত। এই দৃশ্য দেখার সৌভাগ্যের ব্যাপার। নির্জন নিরিবিলি নদীর ধারে একাকী সময় কাটাতে পারেন বেশ কিছুক্ষণ।

শীতকালীন এই গোলপাতার জঙ্গলে যে সমস্ত খেজুর গাছ রয়েছে সেখান থেকে হাড়িতে করে সংগ্রহ করা হয় খেজুর রস। কিভাবে যাবেন ? ট্রেনে শিয়ালদহ স্টেশন থেকে হাসনাবাদ লোকাল ধরে প্রায় ২ ঘণ্টা সময়ের ব্যবধানে পৌঁছে যাবেন টাকি স্টেশন। সেখান থেকে টোটোতে পাঁচ মিনিটের মধ্যেই পৌঁছে যাবেন ইছামতি নদীর তীরে ছোট্ট শহর টাকি। টাকিতে থাকার জায়গার অভাব নেই । রয়েছে অসংখ্য হোটেল এমনকি আই টি সিও রিসোর্ট খুলে দিয়েছে এই অঞ্চলে। তাই থাকার ক্ষেত্রে কোন অসুবিধা হবেনা। তাই ঝটপট ছুটি পেলেই এবার বেড়িয়ে পড়ুন মিনি সুন্দর বনের উদ্দেশ্যে।

Free Access