ad
ad

Breaking News

Voter Suppression

Voter Suppression: বঙ্গে সফল হবে না ষড়যন্ত্র, সচেতন বাংলার আমজনতা

আর সেখানেই দেখা গিয়েছে ৬৫ লক্ষের বেশি ভোটারের নাম বাদ পড়তে।

voter-suppression-bihar-bengal-elections-2025

চিত্রঃ নিজস্ব গ্রাফিক্স

Bangla Jago Desk: চলতি বছরের শেষে বিহারে বিধানসভা নির্বাচন। আর আগামী বছর পশ্চিমবঙ্গে। দুই প্রতিবেশী রাজ্য। বিহারে বর্তমানে ক্ষমতায় এনডিএ সরকার। নীতিশ কুমারের জনতা দল ইউনাইটেড এবং বিজেপি – বিহারে জোট সরকার। পশ্চিমবঙ্গে টানা তিনবার জনগণের রায় নিয়ে ক্ষমতায় তৃণমূল কংগ্রেস। নির্বাচনের আগে যথেষ্ট সক্রিয় হয়ে উঠেছে ভারতের নির্বাচন কমিশন।( Voter Suppression)

আরও পড়ুনঃ Ashwin Retirement: সবচেয়ে মূল্যবান লিগ ছেড়ে কোথায় ‘হানড্রেড’ হাঁকাতে চললেন অশ্বিন?

বিহারে ভোটার তালিকায় বিশেষ নিবিড় সংশোধনের কাজ হয়েছে। আর সেখানেই দেখা গিয়েছে ৬৫ লক্ষের বেশি ভোটারের নাম বাদ পড়তে। পশ্চিমবঙ্গেও ভোটার তালিকায় বিশেষ নিবিড় সংশোধন হওয়ার সম্ভাবনা প্রবল। ভারতের নির্বাচন কমিশন সূত্রে ইঙ্গিত তেমনটাই। কোন রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচনের আগে সাধারণত ভোটার তালিকায় বিশেষ নিবিড় সংশোধনের কাজ হয় না। ভারতের নির্বাচন তালিকা সংশোধনে সাধারণত এমন ঘটনা আগে ঘটে নি। লোকসভা নির্বাচনের আগে দেশজুড়ে এমন বিশেষ নিবিড় সংশোধন হয়ে থাকে। সেই সংশোধিত ভোটার তালিকা ধরে নির্বাচন হয়।( Voter Suppression)

লিঙ্কঃ https://www.facebook.com/Banglajagotvofficial

এবার বিশেষ ব্যতিক্রমী ঘটনা ঘটছে বিভিন্ন রাজ্যে। স্বাভাবিকভাবেই বিরোধীরা প্রশ্ন তুলছে এমনটা কেন নির্বাচন কমিশন করছে? বিজেপির মদতেই কি এই বিশেষ নিবিড় সংশোধন? বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলি এর পিছনে নির্দিষ্ট ভাবে রাজনীতিই দেখছে। কারণ বিহার বা পশ্চিমবঙ্গ এই দুই রাজ্যেই চাপে বিজেপি। রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা বলছেন বিজেপি ও নীতিশ কুমারের পক্ষে বিহারে ক্ষমতা ধরে রাখা কঠিন। গত পাঁচ বছরে রাজ্যের সার্বিক উন্নয়ন তো হয়নি, উল্টে সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন সমস্যা আরও বেড়েছে। নতুন কোন দিশা দেখাতে পারেনি এনডিএ সরকার। রাজ্যের গরিব, পিছিয়ে পড়া বর্গের মানুষের সমর্থন মুখ ফিরিয়ে নিয়েছে বিহারের এনডিএ সরকারের থেকে। বিশেষ নিবিড় সংশোধনের মাধ্যমে ভোটার তালিকায় সেই অংশের ভোটারদেরই নাম বাদ দেওয়া হয়েছে বলেই অভিযোগ বিরোধীদের। আবার পশ্চিমবঙ্গেও বছর ঘুরলে নির্বাচন।(Voter Suppression)

একের পর এক নির্বাচনে এরাজ্যে বিপর্যস্ত হয়েছে গেরুয়া শিবির। লোকসভা নির্বাচনে আগের ১৮টি আসন কমে ১২তে দাঁড়িয়েছে। যতগুলি উপনির্বাচন হয়েছে সবকটিতে হেরেছে বিজেপি। বিধানসভা ভোটে গতবারের জেতা একাধিক আসন হাতছাড়া হওয়ার প্রবল সম্ভবনা তৈরি হয়েছে। সে কারণেই কি আতঙ্কিত বিজেপি প্রকৃত ভোটারদের তালিকা থেকে নাম বাদ দেওয়ার কৌশলে এগোচ্ছে? অবশ্য কমিশনের সেই প্রস্তুতির আগে থেকেই রাজ্যের শাসক দল তথা তৃণমূল কংগ্রেস জোরালো প্রচার শুরু করে দিয়েছে। প্রকৃত ভোটারদের একজনেরও নাম বাদ পড়লে দিল্লি অভিযানের ডাক পর্যন্ত দিয়ে রেখেছেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। ফলে ইচ্ছে করলেই যে এমন ষড়যন্ত্র বঙ্গে সফল হবে তা সম্ভব নয়। আবার কেন্দ্রের হাতে রয়েছে ইডি-সিবিআই! নির্বাচনের আগে তৎপরতা আরও বাড়বে বলেই মনে করে রাজনৈতিক ওয়াকিবহাল মহল। যেমনটা এর আগেও বিভিন্ন নির্বাচনের আগে দেখা গিয়েছে। তবে বারে বারে ব্যর্থ হয়েছে সেই কৌশল!