ad
ad

Breaking News

Privacy Awareness

Privacy Awareness:ব্যক্তিগত তথ্য শেয়ার নয় সোশ্যাল মিডিয়ায়

সোশ্যাল মিডিয়ায় কখনোই কারোর বিরুদ্ধে ব্যক্তিগত অভাব, অভিযোগ করবেন না।

Privacy Awareness: What You Should Never Share Online

চিত্রঃ নিজস্ব গ্রাফিক্স

Bangla Jago Desk: গোপন কথাটি…’ গোপনেই রাখতে দিন। সোশ্যাল মিডিয়ায় সব ব্যক্তিগত তথ্য সবার সঙ্গে শেয়ার করবেন না। এমনকী, ঘনিষ্ঠ অন্তরঙ্গ বন্ধুর সঙ্গেও নয়। আজ যে বন্ধু কাল যে সে আপনার শত্রু হয়ে উঠবে না, এমন গ্যারান্টি কেউ দিতে পারবে না। তাই সব ব্যক্তিগত তথ্য সবাইকে একদমই জানাবেন না যাতে ভবিষ্যতে আপনি নিজেই বিপদে পড়েন (Privacy Awareness)।

কোন তথ্য অন্যের সঙ্গে শেয়ার করবেন না?

নিজের কোনো সিক্রেট যেমন শেয়ার করবেন না তেমনই অন্যের জীবনের কোনো গোপন কথা জানতে পারলে সে কথাও অন্যদের জানাবেন না।

নিজের সম্পত্তি, গাড়ি-বাড়ি, টাকাপয়সা, গয়নাগাটির মতো স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তি কত আছে তা অনেকেই সবার কাছে জাহির করতে ভালোবাসে। এমন ব্যবহারে কম আত্মবিশ্বাস প্রকাশ পায়। এমনকী যে সব ব্যক্তি নিয়মিত তাদের সম্পত্তি কত সেটা অন্যদের কাছে সর্বসমক্ষে জানায়, মনে করা হয় তাদের ব্যক্তিত্বে বা মানসিক ভাবে কোনো সমস্যা আছে। মনে করা হয়, এমন ব্যক্তির মধ্যে মানসিক ভাবে কোনো গভীরতাই নেই৷ এসব বাড়ি-গাড়ি, গয়না, টাকাপয়সাতেই তাদের মূল আকর্ষণ। অন্যের আকর্ষণ কাড়ার জন্যই তারা এমন করে (Privacy Awareness)।

আপনি কত আয় করেন সে কথা কখনো বলবেন না। যারা শুধু টাকাপয়সা, আয় কত এসব নিয়ে কথা বলে আসলে তারা মানসিক অবসাদে ও আত্মবিশ্বাসহীনতায় ভোগে।

নিজের ভবিষ্যতের লক্ষ্য কী আপনার, তা জনে জনে ঢাক পিটিয়ে বলে বেরাবেন না। নিজের সাফল্য সম্পর্কে কিছুটা তুষ্ট বা খুশি থাকা ভালো। কিন্তু নিজের আগামী লক্ষ্য কী তা সবাইকে জানাবেন না। বৈজ্ঞানিক সমীক্ষায় দেখা গেছে, দীর্ঘমেয়াদি লক্ষ্যপূরণ তখনই সম্ভব যখন আপনি সেই লক্ষ্যের কথা গোপন রাখবেন। গবেষণায় দেখা গেছে, আমরা যখন নিজেদের লক্ষ্যের কথা অন্যকে আগেভাগে জানিয়ে দিই তখন আমাদের মস্তিষ্কে সঙ্কেত যায় আমরা লক্ষ্যপূরণ করে ফেলেছি, যদিও বাস্তবে আমরা তা করিনি। এই মিথ্যে আবেগ কমিয়ে দেয় আমাদের ইম্পালস বা কাজে সফল হওয়ার তাগিদ (Privacy Awareness)।

অন্যকে সাহায্য করা বা অন্যের ভালো করার কথা জনে জনে বলে বেরাবেন না। আপনি কতটা সাহসী, সাহসের কী কাজ করেছেন তাও সবাইকে এত বলবেন না। নিজের রাজনৈতিক ও ধর্মীয় বিশ্বাস ও চিন্তাভাবনা একান্তই ব্যক্তিগত। তা সবাইকে জানাবার নয়।

ঘটিবাটি একসঙ্গে থাকলে ঠোকাঠুকি লাগবেই। মনে রাখবেন সব সংসারেই কমবেশি অশান্তি, মনোমালিন্য হয়। তাই নিজের সংসারের রোজনামচা গোটা পৃথিবীকে জানাবেন না। কারণ, অন্যরা আপনার কোনো সমস্যার সমাধান করতে পারবে না শুধুই গসিপ করবে। ২০% ভালো করে কান দিয়ে শুনবেই না। বাকি ৮০% মনে মনে আনন্দ পাবে আপনি বিপদে পড়েছেন দেখে (Privacy Awareness)।

আপনজনের সঙ্গে ঝগড়াঝাটি হলে বা আপনার মন খারাপ থাকলে বা কেউ আপনাকে অপমানজনক কথা বললেও সবাইকে বলে বেরাবেন না।

সোশ্যাল মিডিয়ায় কোন কোন বিষয় পোস্ট করা উচিত নয়?

স্মার্টফোনশোভিত আধুনিক জীবনের অন্যতম অঙ্গ হয়ে উঠেছে এখন সোশ্যাল মিডিয়া। যোগাযোগের নিবিড় মাধ্যম সোশাল মিডিয়ায় ব্যক্তি গোপনীয়তা আর সুরক্ষার বিষয়টিও মাথায় রাখতে হয় তাই সোশ্যাল মিডিয়ায় নিজের বেড়ানোর আগাম পরিকল্পনা, তথ্য এসব শেয়ার করবেন না। যতদিন বেড়াচ্ছেন ততদিন বেড়ানোর ছবি পোস্ট করবেন না। যতদিন বাড়ির বাইরে আছেন ততদিন কোথায় বেড়াতে গেছেন, আপনার বাড়ি কোথায় এসব তথ্য শেয়ার করবেন না তাতে চোরেরা আপনার ফাঁকা বাড়িতে হানা দিয়ে সব চিচিং ফাঁক করে নিয়ে যাবে (Privacy Awareness)।

সোশ্যাল মিডিয়ায় লোকেশন ডেটা অর্থাৎ কোথায় বেড়াতে গেছেন সে সংক্রান্ত তথ্য শেয়ার করবেন না। কোনো কিছু সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করার আগে স্মার্টফোনে লোকেশন ডেটা অফ করে রাখুন। সোশ্যাল মিডিয়ায় কখনো নিজের ফোন নম্বর, ঠিকানা, ড্রাইভার লাইসেন্স, পাসপোর্ট, ক্রেডিট কার্ড, পূর্ণাঙ্গ জন্ম তারিখ, এসব তথ্য শেয়ার করবেন না। সোশ্যাল মিডিয়ায় কখনোই কারোর বিরুদ্ধে ব্যক্তিগত অভাব, অভিযোগ করবেন না। এতে আপনিই বিড়ম্বনার মধ্যে পড়তে পারেন। গাড়ি, বাড়ি, গয়না, ফোন, ল্যাপটপ, টিভির মতো দামি জিনিস কিনলে সে সংক্রান্ত তথ্য সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করবেন না (Privacy Awareness)।

অনেকে ডায়েট, ওজন কমানো বা বাড়ানো, আর্থিক, সম্পর্ক, আইনগত ইত্যাদীর বিষয় সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করে পরামর্শ চান, এটা করবেন না। সোশ্যাল মিডিয়ায় কোনো খেলায় অংশ নেবেন না। এতে কোনো আর্থিক কেলেঙ্কারির শিকার হতে পারেন। অজান্তে হ্যাকারদের হাতে গোপন তথ্য চলে যেতে পারে। ব্যক্তিগত বা কাজের জগতের কোনো গোপনীয় গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করবেন না (Privacy Awareness)।