ad
ad

Breaking News

Mamata Banerjee

আজ নারী দিবসে ‘জননেত্রী’কে শুভেচ্ছা বিশিষ্টদের

রাজ্যের প্রথম মহিলা মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে মহিলাদের উন্নয়নের জন্য বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করেছেন।

mamata-tribute-international-womens-day-praise

চিত্র: সংগৃহীত

Bangla Jago Desk: প্রতিবছর গোটা পৃথিবীতে ৮ মার্চ, আজকের দিনটা নারীদের প্রতি শ্রদ্ধা জ্ঞাপনের জন্য বিবেচিত। এই বিশেষ দিনটিতে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কে শুভেচ্ছা এবং শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করলেন সমাজের বিশিষ্ট মানুষরা। পথের আন্দোলন দিয়ে রাজনৈতিক জীবন শুরু জননেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। বিরোধী নেত্রী হিসাবে তিনি যেমন সাধারণ মহিলাদের এবং মানুষদের কথা বলেছেন, তেমনই রাজ্যে ক্ষমতায় আসার পর থেকে মহিলা উন্নয়ন নিয়ে তার সুপরিকল্পিত ভাবনাচিন্তা বাস্তবায়ন করেছেন। বিশিষ্ট কবি তথা সংগীত বিশেষজ্ঞ কবীর সুমন আরো খবর’কে জানালেন,” এমন মহিলা নেত্রী যিনি সমাজের অগ্রভাগে থেকেও পিছিয়ে পড়া মানুষদের কথা ভাবেন। আমরা আগামী সময় এমন মহিলা জননেত্রীকে আর পাব কিনা সন্দেহ।” একই সুর বিশিষ্ট লেখক রঞ্জন বন্দ্যোপাধ্যায়ের গলাতেও। “নেত্রী হিসেবে অসাধারণ। মানুষের মনের ভাব অনেক সহজে তিনি ধরতে পারেন। আবার সহজ ভাষাতে মানুষের সঙ্গে সংযোগ স্থাপন করতে পারেন। এটা ওনার মস্ত বড় গুণ” আরো খবর কে জানালেন রঞ্জন বন্দ্যোপাধ্যায়।

তবে জননেত্রীকে নারী দিবসের শ্রদ্ধা জানাতে গিয়ে কবির সুমন বলেন,”আজকের দিনে মহাশ্বেতা দেবীর কথাটা খুব মনে পড়ছে। তিনি আমাকে বলেছিলেন, মমতার বুকে মাথা রেখে কাঁদা যায়।” এর পাশাপাশি তিনি বলেন,”একটা মাতৃসুলভ আচরণ সব সময় আমি দেখতে পাই ওনার মধ্যে। উনি কখনোই এই বিষয়টাকে দেখেন দেখনদারিতে নিয়ে যাননি। আমি নিজে দেখেছি উনি যখন বিভিন্ন অঞ্চল দিয়ে চলেছেন তখন মানুষ ওনাকে দুচোখ ভরে দেখছেন। বহু লড়াইতে একসঙ্গে ছিলাম। তাই আমি এগুলো নিজের চোখে দেখেছি।” অন্যদিকে বিশিষ্ট ভাষাবিদ পবিত্র সরকার মনে করেন,”সবার কাজ সমালোচনা মুক্ত হবে তার কোন মানে নেই। কিন্তু সাধারণ মানুষের বিপুল সমর্থন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় পেয়েছেন। কারণ মানুষের জন্য বিভিন্ন কর্মসূচি করে তাদের কষ্ট লাঘব করার চেষ্টা করছেন।”

নোটবন্দি থেকে এসআইআর, দেশের মধ্যে সর্বপ্রথম প্রতিবাদ করেছিলেন। রাজ্যের প্রথম মহিলা মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে মহিলাদের উন্নয়নের জন্য বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করেছেন। এই মুহূর্তে দেশের সবথেকে ‘সেফেস্ট সিটি’ কলকাতা। লক্ষীর ভান্ডার থেকে কন্যাশ্রী একের পর এক মহিলা উন্নয়নের বার্তা কর্মসূচির মাধ্যমে দিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। “আমি বিধানচন্দ্র রায়ের মধ্যে দেখেছিলাম মানুষের জন্য কাজ করার আকুতি। জ্যোতি বাবুর মধ্যেও প্রশাসন চালাবার ক্ষমতা দেখেছি। আর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় মানুষের জন্য ভাবা এবং প্রশাসনিক দক্ষতা একত্রিত রূপ” জানালেন কবীর সুমন। রঞ্জন বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন,” একজন নারীর সামনে অনেক কিছু বাধা থাকে। ‌ সেই প্রতিবন্ধকতা উনি পেরতে পেরেছেন। ‌ পুরুষ শাসিত সমাজে নেতৃত্বের আঙিনায় এসেছেন। সাধারণ মানুষের মন উনি যেমন বুঝতে পারেন, এটা ওনার দূরদর্শিতা।” অন্যদিকে পবিত্র সরকার মনে করেন,”জনসাধারণের জন্য সন্তোষজনক কাজ করেন আর সেই কারণেই মানুষের কাছে অনেক বেশি গ্রহণীয় মমতা।