চিত্রঃ সংগৃহীত
AK Bangla 24×7 Digital: প্রথম আন্দোলনে বড়সড় সাফল্যের পর নিজেদের পরবর্তী কৌশল নির্ধারণে বৈঠকে বসেছে ‘ককরোচ জনতা পার্টি’ (CJP)। মহারাষ্ট্রের ছত্রপতি শম্ভাজিনগরে দলের প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে এবং শীর্ষ নেতাদের উপস্থিতিতে দু’দিনব্যাপী এই আলোচনা সভা শুরু হয়েছে। শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ, শিক্ষাব্যবস্থার সংস্কার এবং প্রশ্নফাঁসের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত শিক্ষার্থীদের ক্ষতিপূরণের দাবিতে আন্দোলনে নেমে সাফল্য মেলার পর, এবার দেশের অন্যান্য অঞ্চলের ছাত্র আন্দোলনের পাশে দাঁড়ানোর বার্তা দিয়েছে সংগঠনটি।
দীর্ঘ আন্দোলন শেষে সাফল্য পেয়ে নিজের ক্লান্তির কথা জানিয়ে অভিজিৎ বলেন, “আপাতত পরিবারের কাছে ফিরে একটু বিশ্রাম নেওয়া দরকার। যা ঘটেছে তা আমাদের জন্য সত্যিই অত্যন্ত গর্বের ও আনন্দের মুহূর্ত।” তবে বিশ্রামের পরই নতুন ইস্যু নিয়ে লড়াইয়ে নামার প্রস্তুতি নিচ্ছে এই ছাত্র সংগঠন। ঝাড়খণ্ডের পাবলিক সার্ভিস কমিশন ও স্টাফ সিলেক্টর কমিশনের পরীক্ষার দীর্ঘদিনের অনিয়ম নিয়ে সেখানকার পরীক্ষার্থীরা যে প্রতিবাদ চালাচ্ছেন, তাঁদের পাশে দাঁড়ানোর ইঙ্গিত দিয়েছেন দীপকে। বৈঠকে সিদ্ধান্ত হলে প্রয়োজনে ঝাড়খণ্ডে গিয়ে সরাসরি আন্দোলনে অংশ নেওয়ার কথা জানিয়েছেন তিনি।
ছাত্র আন্দোলনের সাফল্য দেখে তারা সরাসরি মূলধারার রাজনীতিতে যোগ দেবে কি না—তা নিয়ে জল্পনা তৈরি হলেও, আপাতত সেই সম্ভাবনা সম্পূর্ণ খারিজ করে দিয়েছেন অভিজিৎ দীপকে। তিনি স্পষ্ট জানান, “মিডিয়া বিষয়টি নিয়ে আগ্রহী হলেও আমরা এখনই নিজেদের রাজনৈতিক দল হিসেবে দেখতে চাইছি না। আপাতত আমরা একটি চাপ সৃষ্টিকারী গোষ্ঠী (Pressure Group) হিসেবেই কাজ চালিয়ে যাব।” দিল্লির গণ্ডি পেরিয়ে এবার দেশজুড়ে ছড়িয়ে পড়ে শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন মৌলিক দাবির লড়াইয়ে যুক্ত থাকাই ককরোচ জনতা পার্টির মূল লক্ষ্য।