ad
ad

Breaking News

Bengal Fish Festival

মাছ উৎসবে মাতল জলপাইগুড়ি! প্রথমবার শুরু হল ‘বেঙ্গল ফিস ফেস্টিভ্যাল

Bangla Jago Desk: জলপাইগুড়িতে এই প্রথমবারের মতো শুরু হল বেঙ্গল ফিস ফেস্টিভ্যাল। মাছ চাষে উৎসাহ বৃদ্ধি এবং স্থানীয় মৎস্যসম্পদকে আরও শক্তিশালী করে তুলতেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। জলপাইগুড়ি জেলা পরিষদের মৎস্য দপ্তরের ব্যবস্থাপনায় আয়োজিত এই ফেস্টিভ্যালের আনুষ্ঠানিক সূচনা হয় জেলা পরিষদের কনফারেন্স হলে।উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন জলপাইগুড়ি জেলা পরিষদের সভাধিপতি কৃষ্ণা রায় বর্মন, রাজগঞ্জের বিধায়ক […]

Bengal Fish Festival Jalpaiguri Hosts First-Ever Event

Bangla Jago Desk: জলপাইগুড়িতে এই প্রথমবারের মতো শুরু হল বেঙ্গল ফিস ফেস্টিভ্যাল। মাছ চাষে উৎসাহ বৃদ্ধি এবং স্থানীয় মৎস্যসম্পদকে আরও শক্তিশালী করে তুলতেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। জলপাইগুড়ি জেলা পরিষদের মৎস্য দপ্তরের ব্যবস্থাপনায় আয়োজিত এই ফেস্টিভ্যালের আনুষ্ঠানিক সূচনা হয় জেলা পরিষদের কনফারেন্স হলে।উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন জলপাইগুড়ি জেলা পরিষদের সভাধিপতি কৃষ্ণা রায় বর্মন, রাজগঞ্জের বিধায়ক খগেশ্বর রায়, অতিরিক্ত জেলাশাসক (উন্নয়ন) রাজেশ রাঠোর সহ অন্যান্য প্রশাসনিক ও মৎস্য দপ্তরের আধিকারিকরা।

রাজগঞ্জের বিধায়ক খগেশ্বর রায় বলেন, একসময় সাধারণ মানুষ বড় মাছের দাম বেশি হওয়ায় তা কিনতে পারতেন না, স্থানীয় মাছই ছিল ভরসা। কিন্তু বর্তমানে স্থানীয় কৈ, ট্যাংরা, শিং, মাগুরের মতো মাছও সহজলভ্য নয়। তিনি দাবি করেন, রাজগঞ্জ, ময়নাগুড়ি ও ডাবগ্রাম-ফুলবাড়ি এলাকায় একসময় ব্যাপক মাছ চাষ হত—সেই ঐতিহ্য ফিরিয়ে আনতে মৎস্য দপ্তরকে আরও উদ্যোগী হতে হবে।”

অন্যদিকে জেলা পরিষদের সভাধিপতি কৃষ্ণা রায় বর্মন জানান, মুখ্যমন্ত্রীর মূল লক্ষ্য মানুষকে স্বনির্ভর করে তোলা। সেই লক্ষ্যেই মাছ চাষকে আরও প্রসারিত করতে হবে। উন্নত প্রশিক্ষণ ও আধুনিক পদ্ধতি প্রয়োগের মাধ্যমে উৎপাদন বাড়ানোর ওপর তিনি বিশেষ জোর দেন।জেলার মৎস্য চাষিদের কাছে এই ফেস্টিভ্যাল নতুন সম্ভাবনার দিশা দেখাবে বলেই মনে করছেন আয়োজকরা।