চিত্র: সংগৃহীত
Bangla Jago Desk: এইভাবেও যে খবরের শিরোনামে আসা যায়, তা হয়ত স্বপ্নেও ভাবেননি ছত্তীশগড়ের সাধারণ মুদির দোকানের মালিক মণীশ বিসি ও তাঁর খেমরাজ (Kohli Call)। আরসিবি অধিনায়ক রজত পাতিদারের মোবাইল ফোনের সিম নম্বর নথিভূক্ত হয় মণীশের নামে। এই কারণেই মণীশ ও তাঁর বন্ধু খেমরাজের ভাগ্য খুলে যায়। তাঁরা সরাসরি কথা বলার সুযোগ পেয়ে যান বর্তমান বিশ্ব ক্রিকেটের অন্যতম নক্ষত্র বিরাট কোহলির সঙ্গে।
[আরও পড়ুন: ট্রফি উন্মোচনের দিনই ঘরের মাঠে বিশ্বকাপ জয়ের ঘোষণা হরমনপ্রীতের]
এইভাবে যে বিরাটের সঙ্গে কথা বলার সুযোগ এসে যাবে তাঁদের সামনে, তা তাঁরা স্বপ্নেও ভাবেননি। শুধু বিরাট একাই নন, এই সুযোগে মণীশ ও খেমরাজ কথা বলতে পেরেছেন এবি ডিভিলিয়ার্স, যশ দয়াল ও রজত পাতিদারের সঙ্গে (Kohli Call)। এই প্রসঙ্গে সংবাদমাধ্যমকে ছত্তীশগড়ের এই মুদি দোকানি জানান, ‘এই সমস্ত খেলোয়াড়দের সঙ্গে কথা বলতে পারব, তা স্বপ্নেও ভাবিনি। দারুণ, দারুণ অনুভূতি। তা ভাষায় প্রকাশ করতে পারব না।’
বিশ্বের সেরা ক্রিকেটারদের সঙ্গে কথা বলার অভিজ্ঞতা সম্বন্ধে বলতে গিয়ে মণীশের বন্ধু খেমরাজ জানান, ‘মণীশ ইংরেজিতে অত সরগোল নয়। তাই ও আমাকে ফোন ধরিয়ে দেয় তাঁদের সঙ্গে কথা বলার জন্য। তখন উল্টো দিক থেকে তাঁরা আমাকে জিজ্ঞাসা করছিলেন কিভাবে পাতিদারের সিম ব্যবহার করছি। কিন্তু আমরা বলি, এটা কোনওভাবে পাতিদারের সিম হতে পারে না। এটা আমাদেরই সিম।’
এরপর মণীশ আরও বলেন, এরপর ওই ফোনে দেখি একের পর ব্যক্তি ফোন করে যাচ্ছেন। কখনও তাঁরা নিজেদের ডিভিলিয়ার্স আবার কখনও বিরাট বলে পরিচয় দিচ্ছিলেন। কিন্তু আমরা ব্যাপরাটা মজার ছলেই উপভোগ করছিলাম। এরপর গত ১৫ জুলাই একটি অপরিচিত নম্বর থেকে ফোন পান মণীশ। উল্টো প্রান্তের ব্যক্তি তাঁকে পরিচয় রজত পাতিদার বলে পরিচয় দেয়। এবং ওই নম্বরটি নিজের বলে দাবি করতে থাকেন (Kohli Call)।
তখন আমি নিজেকে ধোনি বলে পরিচয় দিই। কিন্তু তবুও ওই ব্যক্তি নিজেকে রজত পাতিদার বলেই পরিচয় দিতে থাকেন। এবং আমি যদি সিম ফেরত না দিই, তাহলে সে পুলিশে অভিযোগ করবেন বলেও হুমকি দেন। ওই কথা বলার ১০ মিনিট পরেই বাড়িতে পুলিশ উপস্থিত হয়। এবং আমি সিমটা পুলিশর হাতে তুলে দিই। এর সঙ্গে সঙ্গে বুঝতে পারি এতক্ষণ যাঁর সঙ্গে কথা হল আমার তিনি সত্যি কারেই আরসিবি অধিনায়ক রজত পাতিদার ছাড়া আর কেউ নন (Kohli Call)।
[আরও পড়ুন: নিখোঁজ ধনকড়! প্রাক্তন উপরাষ্ট্রপতির সন্ধান চেয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে চিঠি সঞ্জয় রাউতের]
আসলে বর্তমানে মোবাইল কোম্পানিগুলি কোনও সিম তিন মাস ধরে নিষ্ক্রিয় থাকলে তা অন্য কাউকে দিয়ে দেন। এ ক্ষেত্রেও তাই হয়েছে। তবে শেষ পর্যন্ত বেঙ্গালুরু অধিনায়ক নিজের সিম ফেরত পেয়েছেন।