চিত্র - সংগৃহীত
Bangla Jago Desk : উত্তরাখণ্ডে আয়োজিত জাতীয় গেমসের সাঁতার বিতর্কের জেরে এবার নড়চড়ে বসল রাজ্যের ক্রীড়া দফতর। কি কারণে জাতীয় গেমসের দলগত ইভেন্ট থেকে বাংলাকে বাদ দেওয়া হয়েছে, তার কারণ বেঙ্গল অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশনের কাছে জানতে চেয়েছে রাজ্যের ক্রীড়া দফতর। এই বিষয়ে বেঙ্গল অলিম্পিক সংস্থার চেয়ারম্যান চন্দন রায়চৌধুরির কাছে জানতে চাইলে তিনি জানান, ‘রাজ্য ক্রীড়া দফতরের চিঠি পেয়েছি। দল ফিরলেই ম্যানেজারের কাছে এই বিষয়ে জানতে চাওয়া হবে ঠিক কী কারণে এমন ঘটনা হল। তারপরই ক্রীড়া দফতরের চিঠির জবাব দেওয়া হবে।’
[আরও পড়ুনঃগাজা নিয়ন্ত্রণে নেওয়ার ইচ্ছা ট্রাম্পের, হামাস বলল ‘হাস্যকর সিদ্ধান্ত’]
এরপর জাতীয় গেমসে বাংলা দলের ম্যানেজার অয়ন পালের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, ‘আমি এখনও উত্তরাখণ্ডে রয়েছি। বুধবার রাতেই ট্রেনে চাপব, কলকাতার উদ্দেশে রওনা দেওয়ার জন্য। তখন হয়তো নিশ্চয়ই চিঠি হাতে পাব। তখনই এই বিষয়ে যাবতীয় সবকিছু বিস্তারিতভাবে জানিয়ে দেব।’
কিন্তু যেখানে বাংলার সাঁতারুরা জাতীয় গেমসে পদক জয় করেছেন, সেখানে কেন এমন ঘটনা ঘটল? আসল ঘটনা কী ঘটেছিল সেই ব্যাপারে জানতে চাইলে বাংলা দলের অন্যতম সাঁতারু সৌবৃতি মণ্ডল জানান, ‘আমি রিলে রেসে সবার শেষে নামব বলে কোচকে আগেই জানিয়েছিলাম। কিন্তু প্রতিযোগিতা শুরুর সময় সেটা মানা হয়নি। পাশাপাশি আমারই দলের এক সতীর্থ স্বস্তিকা দাস যে আমার থেকে বয়সে অনেক ছোট হয়েও আমাকে নানাভাবে অপমান করতে থাকে। এমনকী এই প্রতিযোগিতায় আমি দু’টি সোনা পেয়েছি এবং দিল্লিতে যেহেতু আমি অনুশীলন করি সেইজন্য আমি অহঙ্কারী বলেও এইভাবে আমাকে হেনস্তা করতে থাকে। অথচ ওখানে অনেকে থাকলেও তাঁরা কোনও প্রতিবাদ করেননি। শুধু আমাকে নয়, স্বস্তিকা আমার মাকেও অপমান করেছে। সেই সময় কল রুমে এই ঘটনা চলার সময় পুরো ব্যাপারটাই আয়োজক কর্তারা নজরে রেখেছিলেন। এবং আমাদের এমন ঝামেলা দেখে তাঁরা ইভেন্ট থেকে আমাদের নামটাই বাদ দিয়ে দেন।’ এখন দেখা যাক বাংলা সাঁতার দলের এমন বিতর্কের জল কতদূর এগোয়, তা সময়ই বলবে।