ad
ad

Breaking News

South Africa

আশা জাগিয়েও ব্যর্থ বাংলাদেশের বোলাররা, ৭ উইকেটে জয়ী দক্ষিণ আফ্রিকা

মিরপুর টেস্টের ফল বলা যায় বাংলাদেশের প্রথম ইনিংস শেষেই নির্ধারিত হয়ে গিয়েছিল। ১০৬ রানে অলআউট হওয়াতে দ্বিতীয় দিন থেকে বাংলাদেশের মাথায় হারের শঙ্কা ছিল।

South Africa won by 7 wickets

Bangla Jago Desk: মিরপুর টেস্টের ফল বলা যায় বাংলাদেশের প্রথম ইনিংস শেষেই নির্ধারিত হয়ে গিয়েছিল। ১০৬ রানে অলআউট হওয়াতে দ্বিতীয় দিন থেকে বাংলাদেশের মাথায় হারের শঙ্কা ছিল। এক সময় তো ইনিংস হারের শঙ্কাও ছিল। পরে অবশ্য বোলাররা কিছুটা আশা দেখালেও টেস্টের ফল যা হওয়ার কথা ছিল এদিন তাই হয়েছে।

[আরও পড়ুনঃ দুর্যোগের মোকাবিলা করেই স্নান যাত্রা,সাবধানতা মেনেই রাধা কুন্ডে স্নান যাত্রা

শুধু ব্যবধানটুকু কমাতে পেরেছে বাংলাদেশ। ৭ উইকেটে জিতেছে দক্ষিণ আফ্রিকা। বৃহস্পতিবার ১০৬ রানের লক্ষ্যে নেমে শুরুটা দারুণ করে প্রোটিয়ারা। ওপেনিং জুটিতে ৪২ রান এনে দেন দুই ওপেনার টনি ডি জর্জি ও এইডেন মার্করাম। বোলিংয়ে এসে তাইজুল ইসলাম প্রোটিয়াদের তিন ব্যাটারকে আউট করলেও ম্যাচের ফল আর পরিবর্তন হয়নি।

দক্ষিণ আফ্রিকার অধিনায়ক মার্করামকে (২০) আউট করে শুরুটা করেছিলেন তাইজুল। এরপর বাকি দুই ব্যাটার জর্জি (৪১) ও ডেভিড বেডিংহামকে (১২) আউট করে হারের ব্যবধান কমিয়েছেন বাঁহাতি স্পিনার। জয়ের বাকি কাজটুকু পরে করেছেন ট্রিস্তান স্তবাস। তাঁর ৩০ রানের বিপরীতে ১ রানে অপরাজিত থাকেন রায়ান রিকেলটন। এই ইনিংসের ৩ উইকেটের বিপরীতে প্রথম ইনিংসে দুর্দান্ত বোলিং করে ৫ উইকেট নেন তাইজুল।

এর আগে দিনের শুরুটা বড় আশা নিয়ে করেছিল বাংলাদেশ। গত দিনের দুই অপরাজিত ব্যাটার মেহেদী হাসান মিরাজ ও নাঈম হাসান বড় জুটি গড়বেন এমন আশাই দেখেছিলেন অনেকে। তবে খেলা শুরু হতেই ফিকে হয়ে যায় সেই আশা। দিনের তৃতীয় বলেই কাগিসো রাবাদার এলবিডব্লিউর ফাঁদে পড়ে ড্রেসিংরুমের পথ ধরেন নাঈম (১৬)। এর পর একা হয়ে যাওয়া মিরাজও দলকে বেশি দূর নিয়ে যেতে পারেননি।

[আরও পড়ুনঃ BRICS: বাজার হারানোর ভয় পাচ্ছে চিন, ভারত নিয়ে নরম পিং

শেষ ব্যাটার হিসাবে আউট হওয়ার সময় একটা আক্ষেপ নিয়েও ফিরেছেন মিরাজ। ৯৭ রানে আউট হওয়াতে কেরিয়ারের দ্বিতীয় সেঞ্চুরি পাওয়া হয়নি তাঁর। ১৯১ বলের ইনিংসটি সাজিয়েছেন ১০ চার ও ১ ছক্কায়। এতে করে ৩০৭ রানে অলআউট হয় বাংলাদেশ। আর লিড পায় ১০৫ রানের। ১০৬ রানের লক্ষ্য দিয়ে যে দক্ষিণ আফ্রিকাকে আটকানো যাবে না সেটা ম্যাচ শেষেও প্রমাণিত হয়েছে।