চিত্র- সংগৃহীত
Bangla Jago Desk: টি-২০ বিশ্বকাপে জিম্বাবোয়ের কাছে হারতে হয়েছিল অস্ট্রেলিয়াকে। আর তাতেই অন্যতম ফেভারিট দলটির সুপার এইটে ওঠার অঙ্ক এখন জটিল। শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে ‘মরণবাঁচন’ ম্যাচে হারলে কার্যত বিদায় নিতে হবে অজি বাহিনীকে। তার আগে চোট পেয়ে বিশ্বকাপ থেকেই ছিটকে গেলেন জশ হ্যাজেলউড।কাফ স্ট্রেইন ইনজুরির কারণে আর খেলতে পারবেন না এই অজি পেসার। তাঁর পরিবর্ত হিসেবে দলে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে স্টিভ স্মিথকে। মিচেল মার্শের চোটের পর ‘কভার’ হিসাবে শ্রীলঙ্কায় উড়িয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল স্মিথকে। যদিও প্রথম দুই ম্যাচে প্রথম একাদশে সুযোগ পাননি তিনি। হ্যাজেলউডের চোটের পর ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া আনুষ্ঠানিকভাবে স্মিথকে দলে নেওয়ার আবেদন জানায়।
আইসিসি প্রতিযোগিতায় স্কোয়াডে পরিবর্তন আনতে হলে টেকনিক্যাল কমিটির অনুমোদন প্রয়োজন হয়। সেই অনুমোদন মিলতেই হ্যাজেলউডের বদলি হিসেবে সরকারিভাবে দলে যুক্ত হলেন স্মিথ। এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, হ্যাজেলউড গোড়ালির চোটে বিশ্বকাপ থেকে ছিটকে গিয়েছেন এবং তাঁর পরিবর্তে স্মিথের অন্তর্ভুক্তিতে সিলমোহর দিয়েছে আইসিসি। চার বছর পর আবার টি-২০ বিশ্বকাপ দলে ফিরলেন স্মিথ। ২০২২ সালে শেষবার এই প্রতিযোগিতায় খেলেছিলেন তিনি। ২০২৪ সালের পর আন্তর্জাতিক টি-২০ ও খেলেননি। তবে ঘরোয়া ক্রিকেটে দারুণ ছন্দে ছিলেন এই ব্যাটার। বিগ ব্যাশ লিগে সিডনি সিক্সার্সের হয়ে ৬ ম্যাচে ২৯৯ রান করেন তিনি। গড় ৫৯.৮০ এবং স্ট্রাইক রেট ১৬৭.৯৭—যার মধ্যে রয়েছে একটি শতরান ও দুটি অর্ধশতরান।অস্ট্রেলিয়ার নির্বাচক টনি ডোডেমাইড বলেন, আইসিসির নিয়ম অনুযায়ী ম্যাচের অন্তত এক দিন আগে পরিবর্তনের আবেদন জানাতে হয়।
মার্শ এবং স্টয়নিসকে নিয়ে অনিশ্চয়তা থাকলেও স্মিথ শ্রীলঙ্কাতেই ছিলেন, ফলে দলে যোগ দিতে তাঁর অসুবিধা হয়নি।এদিকে অস্ট্রেলিয়ার জন্য কিছুটা স্বস্তির খবর, অনুশীলনে ফিরেছেন অধিনায়ক মিচেল মার্শ। প্রথম দুই ম্যাচে খেলতে পারেননি তিনি। তাঁর অনুপস্থিতিতে দলকে নেতৃত্ব দেন ট্রাভিস হেড। শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে মার্শের ফেরার সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না। এখন দেখার, শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে স্মিথ প্রথম একাদশে সুযোগ পান কি না এবং অস্ট্রেলিয়া সুপার এইটের লড়াইয়ে টিকে থাকতে পারে কি না।