চিত্রঃ নিজস্ব গ্রাফিক্স
Bangla Jago Desk: ২০২৬-এর আইপিএল-র জন্য কোন দল কোন খেলোয়াড়কে দলে নেবেন তা ইতিমধ্যেই মোটামুটি ঠিক করে ফেলেছে ইতিমধ্যে। সেই কারণে জোড় তরজা শুরু হয়ে গিয়েছে ক্রিকেট মহলে। শোনা যাচ্ছে, আগামী মরসুমে রাজস্থান রয়্যালস ছাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে তাদের অধিনায়ক সঞ্জু স্যামসনের। এবং তাঁকে দলে নিতেই মহেন্দ্র সিং ধোনি প্রস্তুত হয়েই ঝাঁপাবেন বলে মনে করছেন প্রাক্তন জাতীয় ক্রিকেটার মহম্মদ কাইফ।
সোশ্যাল মিডিয়ায় দেওয়া এক সক্ষাৎকারে কাইফ বলেন, ‘আসন্ন মরশুমের জন্য সঞ্জুকে দলে পেতে সিএসকে কর্তারা জাড্ডু ও কারনকে বদলি করেই খুব সম্ভবত দলে নেওয়ার পরিকল্পনা করতে পারেন।’
কেন দলে এইরকম পরিবর্তন করতে চাইছেন মহেন্দ্র সিং ধোনি ? সেই প্রসঙ্গে কাইফের যুক্তি হল, ‘চেন্নাই দলের অন্যতম খেলোয়াড় হলেন মহেন্দ্র সিং ধোনি। তাঁর একমাত্র লক্ষ্যই হচ্ছে যেন-তেন প্রকারেণ আগামী আইপিএলএ দলকে ট্রফি জয়ের স্বাদ পাইয়ে দেওয়া। কেননা মাথায় রাখতে হবে, গত আইপিএল-এ চেন্নাই পয়েন্ট টেবিলে ১০ নম্বর স্থানে শেষ করেছিল। এবার সেই কারণে ট্রফি জয়টা ধোনির খুব দরকার। এবং ট্রফি জয়ের জন্য যদি ধোনি মনে করেন জাড্ডুকে ছেড়ে দেওয়া প্রয়োজন, তাহলে ও তা করতেও দ্বিধাবোধ করবে না।’
কাইফের আরও সংযোজন, ‘অনেকেই বলেন, ধোনি দলীয় সতীর্থদের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণভাবে মিশে গিয়ে কাজ করেন, কথাটা একদম ঠিক কথা। এবং সেই জন্য ধোনি তাঁর সতীর্থরা ব্যর্থ হলেও তাঁদের থেকে মুখ ঘুরিয়ে নেন না প্রথমেই। কিন্তু তাই বলে এটাও ভাবা ঠিক নয়, যে কোনও ক্রিকেটার দিনের পর দিন ব্যর্থ হওয়ার পরই তাঁর ওপরেই মাহি ভরসা রাখবেন। তাই এখন যদি মাহির মনে হয় দলকে চ্যাম্পিয়ন করাতে গেলে জাড্ডুকে ছেড়ে দিতে হবে, মাহি সেটা করতে এক মিনিটও সময় নষ্ট করবেন না।’
এরপর সঞ্জু স্যামসনের প্রসঙ্গে বলতে গিয়ে কাইফ বলেন, ‘সঞ্জুর যদি আগামী মরসুমে চেন্নাই দলে যোগ দেওয়ার সম্ভাবনা থাকে, তাহলে নিশ্চয়ই এতদিনে বহু ফোন ওর কাছে গিয়েছে। হয়তো মাহির সঙ্গে ওর কথাও হয়েছে এই বিষয়ে। তবে আমার মনে হয়, যদি সঞ্জুকে এবার চেন্নাই সুপার কিংসের জার্সি গায়ে মাঠে নামতে দেখা যায়, তাহলে আগামী দিনে ওরই দলের অধিনায়ক হওয়ার সম্ভাবনা প্রবল। এবং এটাও ভাবা যেতে পারে এটাই হয়তো ধোনির আইপিএলএ শেষ বছর। পাশাপাশি আমার এটাও মনে হয়, সঞ্জু যে ধরনের ব্যাটিং করেন, তাতে কেএল রাহুল এবং ঋষভ পন্থের থেকে অনেক বেশি সাফল্য পেতে পারেন।’