ad
ad

Breaking News

Neeraj Chopra

১০ মাসের যন্ত্রণা উজাড় করে দিলেন নীরজ, জানালেন রুপো জিতেও ভেঙে পড়ার কারণ

২৮ বছর বয়সি দুইবারের অলিম্পিক পদকজয়ী নীরজ গত সপ্তাহে কমনওয়েলথ গেমসে ৮৫.৮৩ মিটার দূরে জ্যাভলিন ছুড়ে মরসুমের সেরা পারফরম্যান্স করেন।

neeraj-chopra-reflects-on-10-months-of-injury-struggle

চিত্রঃ সংগৃহীত

AK Bangla 24×7 Digital: ভারতের তারকা জ্যাভলিন নিক্ষেপকারী নীরজ চোপড়া অবশেষে মুখ খুললেন গত ১০ মাসের কঠিন লড়াই নিয়ে। কমনওয়েলথ গেমসে রুপোর পদক জয়ের পর সামাজিক মাধ্যমে এক আবেগঘন বার্তায় তিনি জানান, এই সময়টা তাঁর জীবনের সবচেয়ে কঠিন অধ্যায়গুলির একটি। একাধিক চোট, দীর্ঘ পুনর্বাসন এবং অনিশ্চয়তার মধ্যে দিয়েই তাঁকে ফিরে আসতে হয়েছে প্রতিযোগিতার মঞ্চে।        

২৮ বছর বয়সি দুইবারের অলিম্পিক পদকজয়ী নীরজ গত সপ্তাহে কমনওয়েলথ গেমসে ৮৫.৮৩ মিটার দূরে জ্যাভলিন ছুড়ে মরসুমের সেরা পারফরম্যান্স করেন। তবে অ্যাডাক্টর পেশির চোটের পাশাপাশি আরও কয়েকটি শারীরিক সমস্যার কারণে তাঁর মরসুমের শুরুই পিছিয়ে গিয়েছিল। মঙ্গলবার সামাজিক মাধ্যমে নিজের পারফরম্যান্সের একটি ভিডিও প্রকাশ করে তিনি লেখেন, গত ১০ মাস তাঁকে এমনভাবে পরীক্ষা নিয়েছে, যা তিনি কখনও কল্পনাও করেননি।

নীরজ জানান, একাধিক চোট থেকে সেরে ওঠা, শরীরকে নতুন করে তৈরি করা, ছন্দ ফিরে পাওয়া এবং ধৈর্য ধরে অপেক্ষা করা ছিল তাঁর সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। প্রতিদিন অনুশীলন করলেও তিনি জানতেন না, এ বছর আদৌ কোনও প্রতিযোগিতায় নামতে পারবেন কি না।

২০১৮ সালে অস্ট্রেলিয়ার গোল্ড কোস্টে ৮৬.৪৭ মিটার নিক্ষেপ করে কমনওয়েলথ গেমসে সোনা জিতেছিলেন নীরজ। কিন্তু চোটের কারণে ২০২২ সালের আসরে অংশ নিতে পারেননি। গত বছরের সেপ্টেম্বরে বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশিপের আগে কোমরের নীচের অংশে চোট পান তিনি। কমনওয়েলথ গেমসের আগে মাত্র একটি প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়েছিলেন।

এবারের কমনওয়েলথ গেমসে কঠিন বাতাসের মধ্যে শ্রীলঙ্কার বর্তমান বিশ্বসেরা রুমেশ থারাঙ্গা পতিরাগে ৮৯.৭৫ মিটার ছুড়ে সোনা জেতেন। ফলে নীরজকে রুপোর পদকেই সন্তুষ্ট থাকতে হয়।

তবে প্রত্যাবর্তনের পথে পাশে থাকা সকলের প্রতিই কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন নীরজ। বিশেষ করে ফিজিও ইশান মারওয়াহ, কোচ জয় চৌধুরী এবং পরিবারের সদস্যদের ধন্যবাদ জানিয়ে তিনি বলেন, তাঁদের অবিচল সমর্থন ছাড়া এই প্রত্যাবর্তন সম্ভব হত না। তাঁর কথায়, মরসুম এখনও বাকি, তাই এক ধাপ করে এগিয়ে যাওয়াই এখন একমাত্র লক্ষ্য।