ad
ad

Breaking News

Legendary Footballer

চিরঘুমে কিংবদন্তি ফুটবলার প্রশান্ত বন্দ্যোপাধ্যায়ের পুত্র, শোকের ছায়া ময়দানে

দীর্ঘদিন অসুস্থ থাকার পর শেষ পর্যন্ত জীবনযুদ্ধে হার মানলেন প্রণজিৎ।পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রায় চার বছর আগে প্রণজিতের মাথায় টিউমার ধরা পড়ে।

Legendary Footballer Prasanta’s Son Prannajit Passes Away

চিত্র: সংগৃহীত

Bangla Jago Desk: রবিবার ভোরে শোকের ছায়া নেমে এল কলকাতা ময়দানে। ভারতীয় ফুটবল দলের কিংবদন্তি মিডফিল্ডার প্রশান্ত বন্দ্যোপাধ্যায় হারালেন তাঁর কনিষ্ঠ পুত্র প্রণজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায়কে। মাত্র ৩১ বছর বয়সে না ফেরার দেশে চলে গেলেন তিনি। দীর্ঘদিন অসুস্থ থাকার পর শেষ পর্যন্ত জীবনযুদ্ধে হার মানলেন প্রণজিৎ। পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রায় চার বছর আগে প্রণজিতের মাথায় টিউমার ধরা পড়ে (Legendary Footballer)।

মল্লিকবাজারের একটি বেসরকারি নিউরো সায়েন্স হাসপাতালে অস্ত্রোপচারের পর তিনি অনেকটাই সুস্থ হয়ে উঠেছিলেন। নিয়মিত অফিসও করতেন, স্বাভাবিক জীবনে ফিরেছিলেন। গত বছরের শুরুতে ফের অসুস্থ হয়ে পড়েন তিনি। তখন চিকিৎসার জন্য প্রশান্ত বন্দ্যোপাধ্যায় ছেলেকে নিয়ে চেন্নাই যান। সেখানে চিকিৎসার পর শারীরিক অবস্থার কিছুটা উন্নতিও হয়েছিল। কিন্তু সম্প্রতি হঠাৎ ফুসফুসের সংক্রমণে আক্রান্ত হন প্রণজিৎ। সল্টলেক স্টেডিয়ামের অদূরের একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন তিনি। সেখানেই রবিবার ভোরে তাঁর মৃত্যু হয় (Legendary Footballer)।

প্রসঙ্গত, প্রশান্ত বন্দ্যোপাধ্যায় ভারতীয় ফুটবলের ইতিহাসে এক উজ্জ্বল নাম। ১৯৭৫ সালে কালীঘাটের জার্সিতে সিনিয়র কেরিয়ার শুরু করেন তিনি। ১৯৭৬ সালে ইস্টবেঙ্গলে যোগ দেন এবং ১৯৭৯-৮০ মরশুমে লাল-হলুদ ব্রিগেডের অধিনায়কত্ব করেন। পরে মহামেডান স্পোর্টিং এবং মোহনবাগানের হয়েও সুনামের সঙ্গে খেলেছেন। ময়দানের তিন প্রধান—ইস্টবেঙ্গল, মোহনবাগান ও মহামেডানের হয়ে অধিনায়কত্ব করে শিরোপা জেতা বিরল কৃতিত্ব রয়েছে তাঁর ঝুলিতে। ১৯৮৪ এশিয়ান গেমস (এশিয়াড)-এ ভারতের হয়ে খেলেছিলেন তিনি। সন্তোষ ট্রফিতে বাংলা ও ভারতীয় দলের অধিনায়কত্বও করেছেন। ১৯৮৩ সালে বর্ষসেরা ফুটবলারের সম্মান পান প্রশান্ত।

১৯৯১-৯২ মরশুমে ইস্টবেঙ্গলের জার্সিতে অবসর নিলেও ফুটবল থেকে কখনও দূরে সরে যাননি তিনি। অবসরের পর এএফসি ‘এ’, ‘বি’ ও ‘সি’ লাইসেন্সিং কোর্স সম্পন্ন করেন এবং পরে ফিফা ইনস্ট্রাক্টর কোর্সও করেন। ২০০২-০৩ মরশুমে এএফসি অনূর্ধ্ব-১৭ চ্যাম্পিয়নশিপে ভারতীয় অনূর্ধ্ব-১৭ দলের সহকারী কোচ ছিলেন। পোর্ট ট্রাস্ট, আরিয়ান এফসি এবং সন্তোষ ট্রফিতে বাংলা দলের কোচ হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন (Legendary Footballer)।