ad
ad

Breaking News

KL RAHUL

কেএল রাহুল ব্যর্থ হওয়াটাই নাইটদের টার্নিং পয়েন্ট

ওই যে একটা কথা আছে না ক্রিকেট অনিশ্চয়তার খেলা। সেটাই ফের একবার প্রমাণিত হল দিল্লির বিপক্ষে ম্যাচে।

KL Rahul's failure is a turning point for women

চিত্র: সংগৃহীত

ইন্দুভূষণ রায়, প্রাক্তন ক্রিকেটার: মঙ্গলবার দিল্লির অরুণ জেটলি স্টেডিয়ামে আইপিএল-র গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে কলকাতা নাইট রাইডার্স মুখোমুখি হয়েছিল দিল্লি ক্যাপিটালসের। এই ম্যাচের আগে দিল্লির দলটা নাইটদের থেকে অনেকটাই এগিয়ে ছিল। ওই যে একটা কথা আছে না ক্রিকেট অনিশ্চয়তার খেলা। সেটাই ফের একবার প্রমাণিত হল দিল্লির বিপক্ষে ম্যাচে।

প্লে-অফে জায়গা পেতে গেলে নাইটদের কাছে এখন সব ম্যাচেই গুরুত্বপূর্ণ। কেননা প্রতিটা ম্যাচে জয় তো পেতেই হবে, তার সঙ্গে তাকিয়ে থাকতে হবে অপরের দিকেও। সেই কাজে আপাতত মঙ্গলবার একটা বাঁধা অতিক্রম করল নাইটরা।

অক্ষরদের বিপক্ষে ম্যাচে নাইটদের হয়ে ওপেনাররা তাঁদের কাজটা করে দেওয়াতে অনেকটা ফ্রি মনে খেলতে পেরেছেন অঙ্কৃশ ও রিঙ্কু। রাহানে অল্প সময় ক্রিজে থাকলেও কাজের কাজটা করে দিয়েছিলেন। তবে আমাকে সবচেয়ে বেশি অবাক করছেন ভেঙ্কটেশ আইয়ার। এই ম্যাচেও ব্যর্থ হলেন তিনি। আমার মতে, এবার অন্তত একবার নাইট কর্তাদের চিন্তা-ভাবনা করা উচিত। না হলে কিন্তু দলের বিপদ আরও বাড়বে। এর পাশাপাশি পাওয়েলর ব্যাটিংও আমাকে হতাশ করেছে।

এই ম্যাচটা সত্যি কারে নাইটদের জয়ের পিছনে সুনীল নারিনের অবদান অস্বীকার করা যাবে না। বল হাতেও তিনটি উইকেট নিয়ে দিল্লিকে চাপে ফেলার কাজটা নারিনই করে দিয়েছিলেন। আর ম্যাচে যদি কেউ আমাকে টার্নিং পয়েন্ট হিসাবে জিজ্ঞাসা করেন, তাহলে আমি বলব কেএল রাহুলের রান আউটের কথা। ছন্দে থাকা রাহুলকে এত তাড়াতাড়ি ফিরে যেতে হবে সেটা হয়ত কল্পনা করতে পারেননি দিল্লি টিম ম্যানেজমেন্ট। ডুপ্লেসি ও অক্ষর চেষ্টা করলেন বটে, কিন্তু কাজের কাজ হল না।

আর একটা কথা বলব, বাংলার ছেলে অভিষেকও আমাকে হতাশ করেছে। কেন ও বার বার ধৈর্য হারিয়ে ফেলছে বোঝা যাচ্ছে না। ওর উদ্দেশে আমার একটাই কথা ধৈর্য ধরে ক্রিজে পড়ে থাকলে রান আসবে। এই কাজটাই অভিষেককে করতে হবে। শেষে একটা কথা বলছি, নারিনদের ছন্দে ফেরাটা অনেক আগে দরকার ছিল। যাক এখন শেষ পর্যন্ত এই ছন্দটাই গোটা কেকেআর দলকে ধরে রাখতে হবে। না হলেই বিপদ।