Bangla Jago Desk: আইএসএলে টানা ব্যর্থতা কাটিয়ে এএফসিতে ঘুরে দাঁড়িয়েছে ইস্টবেঙ্গল। এএফসি চ্যালেঞ্জ লিগে লেবাননের নেজমা এএফসিকে ৩-২ গোলে হারিয়ে গ্রুপের একনম্বর দল হিসেবে ৩ ম্যাচে ৭ পয়েন্ট নিয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে টিম লাল হলুদ। ১১ বছর পর এএফসির নকআউট পর্বে ইস্টবেঙ্গল। এবারে ইস্টবেঙ্গল এএফসিতে আগামী বছর ৫ এবং ১২ মার্চ আরকাডাগ তুরকেমেনিস্তানের বিরুদ্ধে নামবে। শনিবার ইস্টবেঙ্গল ক্লাবে ফুটবলার এবং সাপোর্ট স্টাফদের সংবর্ধনা দেওয়া হয়। দুপুর ১২. ৩০ মিনিটে বিমানবন্দর থেকে ক্লাবে আসে দল। পতাকা উত্তোলনের পরে হয় সেলিব্রেশন।
এদিন ইস্টবেঙ্গল শীর্ষকর্তা দেবব্রত সরকার বললেন, যে কোনও জয়ই খুব সুখের হয়, আনন্দের হয়। আমরা একটা স্ট্রাগল করছিলাম। বিদেশের মাটিতে ক্লাবের জার্সি সবসময়ই দাপায়। আশা করছিলাম, এক্ষেত্রেও হয়তো সেটাই হবে। দলের সমর্থকদের শুভেচ্ছা এবং বড়দের আশীর্বাদে আমাদের দল আজ সাফল্য পেয়েছে। কোচ আর ফুটবলারদের ধন্যবাদ। খারাপ সময়টা আমরা কাটিয়ে উঠতে পেরেছি কি না, সেটা মরসুম শেষেই বুঝতে পারব। এই খারাপ সময়ের মোকাবিলা আমরা সবাই মিলে করেছি। আর যাতে এমন সময় ফিরে না আসে, সেজন্য সবাইকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে। এই জয় দলের সমর্থকদের। আশা করব, দীপাবলি উদযাপনের মাধ্যমে তারা এই জয় সেলিব্রেট করবে।
এদিকে দলের কোচ অস্কার ব্রুজোন বললেন, আমরা এই লক্ষ্য নিয়েই ভুটানে এসেছিলাম। যাতে এশীয় স্তরের এই টুর্নামেন্টের পরবর্তী স্তরে পৌঁছতে পারি। দেশের লিগে আইএসএলে আমরা ভাল অবস্থায় নেই। তাই এই সাফল্য আমাদের ঘরোয়া লিগে ভাল খেলার প্রেরণা জোগাবে। এই স্তরের ফুটবলে সফল হতে গেলে যে রকম পারফরম্যান্স দিতে হয়, আমাদের ছেলেরা সে রকমই খেলেছে। টানা ৯০ মিনিট লড়াই করেছে। দ্বিতীয়ার্ধে আমাদের প্রতিপক্ষ আধিপত্য বিস্তার করে। কিন্তু শেষ কুড়ি মিনিটে আমরা নিয়ন্ত্রণ নিজেদের দিকে ফিরিয়ে আনতে পেরেছি। এই সাফল্যের জন্য দলের ছেলেদের ধন্যবাদ। তারা অনেক পরিশ্রম করেছে। সমস্ত সমর্থক ও ক্লাব কর্তাদের মুখে হাসি ফোটাতে পেরে আমরা খুশি। এদিন দলকে বিমানবন্দরে স্বাগত জানাতে দলের পতাকা নিয়ে হাজির ছিলেন প্রচুর ইস্টবেঙ্গল সমর্থক।