ad
ad

Breaking News

Oscar Bruzon

‘দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা নেই’, ব্রুজোঁর বক্তব্যের পর ফেডারেশনের ঘাড়ে দায় ঠেলল বিনিয়োগকারী সংস্থা  

সংস্থার পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ভারতীয় ফুটবলের পরবর্তী মরশুমের সূচি এখনও পরিষ্কারভাবে না পাওয়াতেই তারা দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা এগিয়ে নিতে পারছে না।

east-bengal-fc-oscar-bruzon-resignation

চিত্রঃ সংগৃহীত

Bangla Jago Desk: মরশুম শেষ হলেই দায়িত্ব ছাড়ছেন বলে জানিয়ে দিয়েছেন ইস্টবেঙ্গলের কোচ অস্কার ব্রুজোঁ। রবিবার দুপুরের এই ঘোষণার পর থেকেই ক্লাবের ভেতরের পরিকল্পনা নিয়ে শুরু হয় তীব্র আলোচনা। লাল-হলুদ হেডস্যারের বক্তব্যে উঠে আসে প্রস্তুতির ঘাটতি ও দিকনির্দেশনার অভাবের অভিযোগ। সন্ধ্যা নামতেই সেই মন্তব্যের পাল্টা ব্যাখ্যা দেয় বিনিয়োগকারী সংস্থা ইমামি।

সংস্থার পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ভারতীয় ফুটবলের পরবর্তী মরশুমের সূচি এখনও পরিষ্কারভাবে না পাওয়াতেই তারা দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা এগিয়ে নিতে পারছে না। প্রতিযোগিতার ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত থাকায় দল গঠন ও সিদ্ধান্ত গ্রহণে ধীরগতি তৈরি হয়েছে বলে দাবি তাদের।

ইমামির বক্তব্য অনুযায়ী, তারা সবসময় খেলোয়াড় ও কোচদের পেশাদার মান উন্নয়নের পক্ষেই থেকেছে। কিন্তু টুর্নামেন্টের ভবিষ্যৎ নিয়ে পরিষ্কার ধারণা না থাকায় অনেক সিদ্ধান্ত স্থগিত রাখতে হয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে ফুটবলার ও কোচদেরও সুযোগ এসেছে অন্য ভাল প্রস্তাব গ্রহণ করার স্বাধীনতা রাখার।

সংস্থাটি আরও জানিয়েছে, সাম্প্রতিক সময়ে ভারতীয় ফুটবলে অস্থিরতার কারণে বহু ক্লাব বাধ্য হয়েছে খরচ কমাতে বা বেতন কাঠামোয় পরিবর্তন আনতে। তবে ইস্টবেঙ্গলের ক্ষেত্রে তারা কোনও খেলোয়াড় বা কোচের বেতন কমায়নি বলেই দাবি করেছে।

অন্যদিকে অস্কার ব্রুজোঁ সংবাদ সম্মেলনে সরাসরি ক্ষোভ উগরে দেন। তিনি জানান, গত বছরের ফেব্রুয়ারি থেকেই পরের মরশুমের পরিকল্পনা শুরু করেছিলেন। প্রশাসনিক দায়িত্বে থাকা কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করেই দল গঠন ও কৌশল নির্ধারণ হয়েছিল। কিন্তু সেই পরিকল্পনার ধারাবাহিকতা এখন আর দেখা যাচ্ছে না বলে অভিযোগ তাঁর।

অস্কারের কথায়, বর্তমান মরশুমের দায় তিনি নিজের কাঁধেই নিচ্ছেন। তবে সবচেয়ে বড় সমস্যা হল ভবিষ্যতের জন্য কোনও দীর্ঘমেয়াদি রূপরেখা নেই। কোন খেলোয়াড় থাকবে, কোন জায়গা শক্ত করা হবে— এ নিয়ে এখনও স্পষ্ট কোনও আলোচনা হয়নি বলেও জানান তিনি।

এই পরিস্থিতিতে কোচের বিদায়ের ঘোষণা ও বিনিয়োগকারীদের ব্যাখ্যা মিলিয়ে ইস্টবেঙ্গলের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা ঘিরে তৈরি হয়েছে নতুন অনিশ্চয়তা। মরশুম শেষের আগেই এমন টানাপোড়েন ক্লাবের ভিতরকার সমীকরণকে আরও জটিল করে তুলেছে।