ad
ad

Breaking News

Damien Martyn

অবশেষে সুখবর! চিকিৎসায় সাড়া দিয়ে কোমা থেকে ফিরলেন ড্যামিয়েন মার্টিন

দ্রুত তাঁকে গোল্ড কোস্ট ইউনিভার্সিটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। অবস্থার অবনতি হওয়ায় ৩১ ডিসেম্বর তিনি কোমায় চলে যান।

Damien Martyn Recovery: Ex-Australian Star Wakes from Coma

চিত্র: সংগৃহীত

Bangla Jago Desk: অবশেষে সুখবর। মেনিনজাইটিসে আক্রান্ত হয়ে কোমায় চলে যাওয়া অস্ট্রেলিয়ার প্রাক্তন ক্রিকেটার ড্যামিয়েন মার্টিন ধীরে ধীরে সুস্থ হয়ে উঠছেন। পরিবারের তরফে জানানো হয়েছে, তিনি কোমা থেকে জেগে উঠেছেন এবং চিকিৎসায় ইতিবাচক সাড়া দিচ্ছেন। যে আশঙ্কাজনক পরিস্থিতিতে তিনি হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন, সেখান থেকে এই প্রত্যাবর্তনকে পরিবার কার্যত ‘মিরাক্কেল’ বলেই মনে করছে। অস্ট্রেলিয়ার সংবাদমাধ্যম সূত্রে খবর, ২৬ ডিসেম্বর (বক্সিং ডে) মার্টিন মেনিনজাইটিসে আক্রান্ত হন। দ্রুত তাঁকে গোল্ড কোস্ট ইউনিভার্সিটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। অবস্থার অবনতি হওয়ায় ৩১ ডিসেম্বর তিনি কোমায় চলে যান (Damien Martyn)।

সেই খবর প্রকাশ্যে আসতেই গোটা ক্রিকেটবিশ্ব জুড়ে প্রার্থনার ঢেউ ওঠে। প্রাক্তন সতীর্থ থেকে শুরু করে অসংখ্য ভক্ত তাঁর দ্রুত আরোগ্য কামনা করেন।মার্টিনের সঙ্গী আমান্ডা জানিয়েছেন, কোমা থেকে জেগে ওঠার পর তিনি চিকিৎসায় দ্রুত সাড়া দিচ্ছেন। এক বিবৃতিতে গোল্ড কোস্ট ইউনিভার্সিটি হাসপাতালের চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের ধন্যবাদ জানিয়ে আমান্ডা বলেন, ড্যামিয়েন ভালো সাড়া দিচ্ছে। এই কঠিন সময়ে হাসপাতালের সবাই অসাধারণ কাজ করেছেন। আমরা সকলের কাছে পরিবারের গোপনীয়তাকে সম্মান জানানোর অনুরোধ করছি (Damien Martyn)।

প্রাক্তন অস্ট্রেলীয় উইকেটকিপার অ্যাডাম গিলক্রিস্টও মার্টিনের শারীরিক অবস্থার উন্নতির কথা নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, মার্টিন কথা বলা শুরু করেছে। ওর পরিবারের কাছে এটা সত্যিই একটা ‘মিরাক্কল’। আশা করা হচ্ছে খুব শিগগিরই ওকে আইসিইউ থেকে বের করা যাবে, যদিও আপাতত হাসপাতালে থেকেই চিকিৎসা চলবে। এত মানুষের ভালোবাসা আর প্রার্থনার শক্তিতেই ও এই অবস্থায় ফিরতে পেরেছে।৫৪ বছর বয়সি ড্যামিয়েন মার্টিন ছিলেন অস্ট্রেলিয়ার স্বর্ণযুগের অন্যতম ভরসাযোগ্য ব্যাটার। ১৯৯২-’৯৩ মরশুমে ওয়েস্ট ইন্ডিজ়ের বিরুদ্ধে ঘরের মাঠে ডিন জোন্সের জায়গায় অস্ট্রেলিয়ার জার্সিতে অভিষেক হয় তাঁর। ২০০৬-’০৭ অ্যাশেজ় পর্যন্ত ব্যাগি গ্রিন টুপি পরেছেন মার্টিন। ৬৭টি টেস্টে ৪৪০৬ রান করেন তিনি, যার মধ্যে রয়েছে ১৩টি শতরান। এক দিনের ক্রিকেটে ২০৮ ম্যাচে তাঁর রান ৫৩৪৬, গড় ৪০.৮, শতরান ৫টি (Damien Martyn)।

বিশেষ করে ২০০৩ বিশ্বকাপ ফাইনালে ভারতের বিরুদ্ধে ভাঙা আঙুল নিয়েও অপরাজিত ৮৮ রানের ইনিংস ক্রিকেটভক্তদের স্মৃতিতে অমলিন। অধিনায়ক রিকি পন্টিংয়ের সঙ্গে সেই জুটিতেই ভারতের হাত থেকে ম্যাচ ছিনিয়ে নেয় অস্ট্রেলিয়া। ১৯৯৯ ও ২০০৩—দু’টি বিশ্বকাপজয়ী দলেরই গুরুত্বপূর্ণ সদস্য ছিলেন মার্টিন। পাশাপাশি ২০০৬ আইসিসি চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি জয়ী অস্ট্রেলিয়া দলেও তাঁর অবদান ছিল উল্লেখযোগ্য।মৃত্যুর মুখ থেকে ফিরে আসা এই লড়াইয়ে আপাতত জয়ী ড্যামিয়েন মার্টিন (Damien Martyn)।