ad
ad

Breaking News

Tilak Varma

দিল্লিকে হারিয়েই নিজের ‘রিটায়ার্ড আউট’ নিয়ে মুখ খুললেন তিলক

বিবার দিল্লিকে তাদের ঘরের মাঠে হারিয়েই লখনউ ম্যাচের ‘রিটায়ার্ড আউট’ নিয়ে মুখ খুললেন তিলক।

Tilak opens up about his 'retired out' after defeating Delhi

চিত্র: সংগৃহীত

Bangla Jago Desk: ৪ এপ্রিল আইপিএল-এ লখনউ ম্যাচে তাঁকে ‘রিটায়ার্ড আউট’ করা হয়েছিল। যা একেবারেই মন থেকে মেনে নিতে পারেননি মুম্বই ব্যাটার তিলক ভার্মা। শুধু তাই নয়, তিলকের এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে ক্ষোভ জানিয়েছিলেন ক্রিকেট বিশেজ্ঞরাও। রবিবার দিল্লিকে তাদের ঘরের মাঠে হারিয়েই লখনউ ম্যাচের ‘রিটায়ার্ড আউট’ নিয়ে মুখ খুললেন তিলক।

এই প্রসঙ্গে মুম্বই ব্যাটার বলেন, ‘ঋষভ পন্থদের বিরুদ্ধে ম্যাচে আমাকে যে রিটায়ার্ড আউটের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল, তা নিয়ে আমার কোনও আপশোষ নেই। কেননা যে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল সেটা দলের স্বার্থের কথা ভেবেই। এই বিষয়টা নিয়ে আমি নেতিবাচক কোনও মন্তব্য করব না। বরঞ্চ দলের স্বার্থের কথা ভেবে ইতিবাচক দিকটাই বেছে নেব।’

এরপর তিলক আরও বলেন, ‘দল যেখানে ভাল বুঝবে আমাকে ব্যাট করতে পাঠাবে। এবং দলের ভালর জন্য আমাকে সেই সিদ্ধান্ত মেনে নিতে হবে। কেননা দলের স্বার্থই আমার কাছে সবার আগে প্রাধান্য পাবে। আমার কাজ হবে দলের স্বার্থের কথা ভেবে যে কোনও পজিশনে ব্যাটিংয়ের মানসিকতা বজায় রাখার। এবং রান করে দলকে জেতানোর ক্ষেত্রে বড় ভূমিকা পালন করার। আমি আমার কোচকেও সে কথা জানিয়ে দিয়েছি। আমাকে যেখানেই ব্যাট করতে পাঠানো হোক না কেন, দলের স্বার্থের কথা ভেবে অবশ্যই সেরাটা দিতে প্রস্তুত।’

উল্লেখ্য, লখনউ সুপার জায়ান্টের বিপক্ষে ম্যাচে ২৩ বলে ২৫ রান করার পর তিলক ভার্মাকে ‘রিটায়ার্ড আউট’ করে তাঁর বদলে মিচেল সান্টনারকে মাঠে নামানো হয়েছিল। কিন্তু তবুও ম্যাচের জয়ের দেখা পায়নি হার্দিক পাণ্ডিয়ারা। ১২ রানে ম্যাচটা শেষ পর্যন্ত হারে মুম্বই। তারপরই তিলককে কেন  ‘রিটায়ার্ড আউট’ করে সান্টনারকে নামানো হল তা নিয়েই প্রশ্ন তুলে মুম্বই টিম ম্যানেজমেন্টের সমালোচনায় সরব হয়েছিলেন সকলেই।

তবে ক্রিকেট বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, চলতি আইপিএল-এ মুম্বই দলের হয়ে দ্বিতীয় সর্বাধিক রান করেছেন তিলক। লখনউ ম্যাচের পরে আরসিবির বিপক্ষেও ঝলসে উঠেছে তাঁর ব্যাট। সেই ম্যাচে ৫৬ রান করেছিলেন তিনি। এরপর অক্ষর প্যাটেলদের বিপক্ষেও ৩৩ বলে ৫৯ রান করে তিলক যে সমস্ত সমালোচনার জবাব দিচ্ছেন এমনটাই মনে করছেন ক্রিকেট বিশেষজ্ঞরা।