চিত্রঃ নিজস্ব গ্রাফিক্স
Bangla Jago Desk: ১২৮ বছর পর ফের অলিম্পিকের আসরে ফিরতে চলেছে ক্রিকেট। কিন্তু ক্রীড়া জগতের এই মেগা ইভেন্টে মোট ছটি করে দেশ দুই বিভাগে অংশগ্রেহণ করার সুযোগ পাবে। তবে এশিয়া মহাদেশের যুযুধান দুই পক্ষ ভারত ও পাকিস্তান অলিম্পিকের আসরে পরস্পরের মুখোমুখি হওয়ার সম্ভাবনা ক্রমশ কমছে বলেই জানা গিয়েছে।
প্রসঙ্গত, প্রথমে ক্রিকেটের সর্বোচ্চ নিয়ামক সংস্থার পক্ষ থেকে ঠিক করা হয়েছিল আইসিসির টি-টো-টোয়েন্টি তালিকার ভিত্তিতে দল নির্বাচন করা হবে, কিন্তু এখন সেই নিয়মের পরিবর্তন করে প্রতিটি মহাদেশের শীর্ষস্থানে থাকা দেশগুলিই কেবলমাত্র আগামী অলিম্পক গেমসে যোগ্যতা অর্জন করতে পারবে। এবং ষষ্ঠ দেশ হিসেবে যারা অংশগ্রহণ করবে, তারা বাছাইপর্বের মাধ্যমে খেলার যোগ্যতা অর্জন করবে।
ফলে স্বাভাবিকভাবেই আসন্ন লস অ্যাঞ্জেলস অলিম্পকে পাকিস্তানের খেলার সম্ভাবনা ক্রমশ কমছে। কেননা আইসিসি-র তালিকায় শীর্ষস্থানে রয়েছে টিম ইন্ডিয়া। বিশ্বস্ত সূত্রে জানা গিয়েছে, খুব শীঘ্রই আইসিসি নাকি এই বিষয়ে চূড়ান্ত রোডম্যাপ প্রকাশ করবে। এখনও পর্যন্ত আইসিসির তালিকা অনুযায়ী এশিয়া থেকে ভারত, আফ্রিকা থেকে দক্ষিণ আফ্রিকা এবং অস্ট্রেলিয়া থেকে ওশিয়ানিয়ার যোগ্যতা অর্জনের সম্ভাবনা প্রবল। তবে আয়োজক দেশ হিসেবে আমেরিকার থাকার সম্ভাবনা থাকলেও তাদের ওপর কিছু নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। সে কারণে হয়ত শেষ মুহূর্তে তাদের পরিবর্তে ক্যারিবিয়ানদের ভাগ্যে শিঁকে ছিড়তে পারে।
এই প্রসঙ্গে ক্রিকেটের সর্বোচ্চ নিয়ামক সংস্থার এক কর্তা বলেন, ‘যেহেতু ছটি দেশ খেলার সুযোগ পাবে, তাহলে বাকি রইল একটি দেশ। সেক্ষেত্রে ছয় নম্বর দেশ হিসেবে যারা মূল পর্বে খেলার সুযোগ পাবে তাদের যোগ্যতা অর্জনের ম্যাচ খেলেই আসতে হবে। এখন দেখা যাক শেষ পর্যন্ত কোন দেশ যোগ্যতা অর্জন করবে তা সময় বলবে।’
উল্লেখ্য, আসন্ন অলিম্পকের আসরে ক্রিকেটের ম্যাচগুলি হবে টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটে। সব মিলিয়ে মোট ২৮টি ম্যাচ হবে। এবং প্রতিটি দলে মোট ১৫ জন সদস্য থাকতে পারবেন। এবং এই ক্রিকেট ম্যাচগুলি হবে ১২ জুলাই থেকে ২৯ জুলাই পর্যন্ত।