ad
ad

Breaking News

Cricket idols

Cricket idols: শুভমনের পছন্দের তালিকায় শচীন, বিরাট, নাম নেই রোহিতের

নিজের পছন্দের দুই ক্রিকেটারের নাম জানাতে গিয়ে টিম ইন্ডিয়ার ভাইস ক্যাপ্টেন জানান, ‘আমার আইডল দুজন ক্রিকেটার ছিলেন। এরা হলেন শচীন তেন্ডুলকর। যিনি শুধু আমারই নয় আমার বাবারও প্রিয় ক্রিকেটার। এবং আমার ক্রিকেটে আসা থেকে শুরু করে আদর্শ ক্রিকেটারও কিন্তু শচীন তেন্ডুলকর। শচীনকে স্যারকে দেখেই আমার মনে ক্রিকেটার হওয়ার স্বপ্ন জন্মায়।

Cricket idols: Shubman Gill names Sachin Tendulkar

চিত্র: সংগৃহীত

Bangla Jago Desk: এশিয়া কাপের অভিযানে এখন ব্যস্ত গৌমত গম্ভীরের টিম ইন্ডিয়া। সেই দলের অন্যতম সদস্য তথা দলের সহ অধিনায়ক হলেন শুভমন গিল(Cricket idols)। প্রথম ম্যাচের পর একটি অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছিলেন ভারতীয় দলের ভাইস ক্যাপ্টেন। সেই অনুষ্ঠানেই নানা প্রশ্নের উত্তর দিয়েছেন পঞ্জাব কা পুত্তুর। এমনকি জানিয়েছেন নিজের দুই পছন্দের ক্রিকেটারের নামও।

[আরও পড়ুনঃ সুপ্রিম কোর্ট চত্বরে ছবি বা ভিডিয়ো করায় নিষেধাজ্ঞা! নির্দেশ জারি আদালতের]

নিজের পছন্দের দুই ক্রিকেটারের নাম জানাতে গিয়ে টিম ইন্ডিয়ার ভাইস ক্যাপ্টেন জানান, ‘আমার আইডল দুজন ক্রিকেটার ছিলেন। এরা হলেন শচীন তেন্ডুলকর। যিনি শুধু আমারই নয় আমার বাবারও প্রিয় ক্রিকেটার(Cricket idols)। এবং আমার ক্রিকেটে আসা থেকে শুরু করে আদর্শ ক্রিকেটারও কিন্তু শচীন তেন্ডুলকর। শচীনকে স্যারকে দেখেই আমার মনে ক্রিকেটার হওয়ার স্বপ্ন জন্মায়। ২০১৩ সাল, শচীন স্যার সেই বছর ক্রিকেট থেকে অবসর নিলেন, এবং তখন থেকেই আমি ক্রিকেট খেলা নিয়ে পুরোপুরি বুঝতে শিখি। মনে রাখা দরকার, ক্রিকেট খেলা মানসিক এবং কৌশলগত দুটোর ওপরই নির্ভরশীল। এই বিষয়গুলি আমি পুরোটাই বুঝতে শিখি ওই সময় থেকেই।’

FB POST:https://www.facebook.com/Banglajagotvofficial

এরপর আর্দশ ক্রিকেটার বিরাট কোহলি সম্বন্ধে বলতে গিয়ে টিম ইন্ডিয়ার ভাইস ক্যাপ্টেন জানান, ‘শচীন স্যার অবসর নেওয়ার পর আমার পছন্দের ক্রিকেটার ছিলেন বিরাট কোহলি(Cricket idols)। তখন ভারতীয় দলের এই সিনিয়র ক্রিকেটারের খেলা আমি মনোযোগ দিয়ে দেখতাম। ক্রিজে ব্যাটিংয়ের সময় কিংবা মাঠে ফিল্ডিং করার সময় বিরাট ভাইয়ের দুরন্ত আক্রমণাত্মক মনোভাব আমার দারুণ পছন্দ হত। ক্রিকেটর কৌশল অনুশীলনের মাধ্যমে আয়ত্তে করা গেলেও আক্রমণাত্মক ক্ষিদে সবার থাকে না। ওটা ভিতর থেকে আসে। কেন জানি না বিরাটের এই জিনিষটা আমাকে আরও বেশি পরিমাণে এনকারেজ করত।’

এরপর ইংল্যান্ড সিরিজে পিছিয়ে পড়ে সমতায় ফেরা। সেই কারণে ম্যাচ শেষে কি কি উৎসবে করেছিলেন? সেই প্রসঙ্গ জানতে চাইলে নবনিযুক্ত টেস্ট অধিনায়ক জানান, ‘ইংল্যান্ড সিরিজে সমতায় ফিরে আমরা সামন্য আনন্দ করেছি। নানাধরনের পছন্দমত খাবার খেয়েছি(Cricket idols)। তবে সেগুলি সবকিছুই ছিল ওখানকার খাবার। কোনও ভারতীয় খাবার খাইনি। ইংল্যান্ডের বেশিরভাগ জায়গাতে যাওয়ার ফলে দেখেছি ওখনকার ভারতীয় খাবারগুলি সব বেশি মশালাযুক্ত হয়। কিন্তু আমি যেহেতু মশালাদার খাবার খুব একটা পছন্দ করি না, সে কারণে ওখানকার স্থানীয় খাবারই খেয়েছি।’

এখানেই শেষ নয়, শুভমন এরপর ইংল্যান্ডে তাঁর পছন্দের জায়গা সম্বন্ধে বলতে গিয়ে বলেন, ‘টেমসের পাড়ে আমার সবচেয়ে প্রিয় জায়গা কার্ডিফ হলেও বেশ পছন্দের জায়গার তালিকায় অবশ্যই থাকবে ব্রাইটন। এবং নিজের পছন্দের মাঠ বলতে আমার তালিকায় থাকবে বার্মিংহ্যাম। টেস্ট ক্রিকেটে আমার সর্বোচ্চ রান এই মাঠের ২২ গজ থেকেই। সেই প্রিয় মাঠ সমন্ধে আরও বলতে গিয়ে শুভমন জানান, ‘জীবনে এর আগে কখনও বার্মিংহ্যামের মাঠে টেস্ট খেলেনি। সে কারণে ম্যাচে ভাল কিছু আশা নিয়েই মাঠে নেমেছিলাম।’

শোনা গিয়েছে, টেস্টে ভারতীয় দলের অধিনায়ক ক্রিকেটের বাইরে ভালবাসেন গান শুনতে। সেই সম্বন্ধে বলতে গিয়ে শুভমন বলেন, ‘হ্যাঁ এটা একদম ঠিক কথা। ক্রিকেটের পর যদি কিছু আমার ভালবাসা বলতে গান শোনা। প্রচুর পরিমাণে পঞ্জাবি গান শুনি। তবে খেলার সুবাদে বিদেশের অনেক দেশে গিয়েছি। তখন আবার ওদের গান শুনি মনোযোগ দিয়ে। ভাষা হয়তো বুঝি না ঠিক কথাই, কিন্তু সুর ও ছন্দ আমাকে বিশেষভাবে আকৃষ্ট করে।

সব শেষে নিজের ক্রিকেট জীবনের শুরু থেকে এখন অবধি এই পথ চলা সম্বন্ধে বলতে গিয়ে শুভমন জানান, ‘ছোটবেলা থেকেই আমি ক্রিকেটের প্রতি আসক্ত ছিলাম। যখনই সময় পেতাম, তখনই ক্রিকেট খেলতাম বা টিভির পর্দায় দেখতাম। সেই সময় আমার ক্রিকেট খেলার সঙ্গী ছিলেন আমার বাবা। তিনিই আমার জীবনের প্রথম কোচ। এরপর আমার ক্রিকেটের প্রতি ভালবাসা দেখে বাবাও স্বপ্ন দেখেছিলেন আমাকে নিয়ে। সেই কারণে গ্রামের বাড়ি ছেড়ে আমরা চলে আসি চণ্ডিগড়ে। সেখানে একটা ক্রিকেট অ্যাকাডেমিতে বাবা আমাকে ভরতি করে দিয়েছিলেন। ক্রিকেটের প্রথম পাঠ আমার ওই অ্যাকামেডেমি থেকেই নেওয়া। আমার বলতে দ্বিধা নেই আমার জীবনে বাবাই আমার প্রথম গুরু ও এবং আমার ক্রিকেটার হওয়ার পিছনে বড় প্রেরণাও বটে।’

ক্রিকেটার হিসেবে শুভমন বিশ্বে পরিচিত হলেও, ফুটবল ও অন্যান্য খেলার প্রতিও রয়েছে তাঁর গভীর ভালবাসা। তাও জানাতে ভুললেন না বর্তমান ভারতীয় ক্রিকেটের উজ্জ্বল ধ্রুবতারা। এই সম্বন্ধে গিল জানান, প্রত্যেক সেরা খেলোয়াড়ই তাঁর নিজের নিজের খেলাতে সবকিছু উজাড় করে দিতে চান। সে অ্যাথলিট থেকে ফুটবলার যে কেউ হতে পারেন। কাজেই তাঁদের সঙ্গে কথা বলে তাঁদের সাফল্যের রহস্যটাও জানা একান্ত প্রয়োজন।’