চিত্র: সংগৃহীত
Bangla Jago Desk: ২০০৫ সালে ইস্তানাবুলের মাটিতে উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগে অল-রেডসদের সেই দুরন্ত ফুটবল দীর্ঘ ২০ বছর বাদেও ভোলেননি আপামর ফুটবলপ্রেমীরা। ভুলবেনই বা কি করে! এ তো স্বপ্নের ইতিহাস। তা কি কখনও ভোলা যায়? সেবার চ্যাম্পিয়ন্স লিগের ফাইনাল ম্যাচে প্রথমার্ধেই ৩-০ গোলে পিছিয়ে পড়েছিল লিভারপুল। বিরতির পর স্বপ্নের ফুটবল উপহার দিয়ে ট্রফি জয় করেছিল। কিন্তু এবার তা হল না। বরং গালাতসারের কাছে ম্যাচ হেরেই ইস্তানবুল ছাড়ল আর্নে সল্ট বাহিনি। ম্যাচের ফল ১-০ (Champions League)।
রেমস পার্ক গালাতসারের ঘরের মাঠ। সেই মাঠেই মঙ্গলবার ম্যাচের ১৬ মিনিটেই এগিয়ে যায় ইস্তানাবুলের দল। পেনাল্টি থেকে অল রেডসদের জালে বল জড়িয়ে দেন গালাতাসারের আফ্রিকান স্ট্রাইকার ভিক্টর ওসিমেন। এরপর শত চেষ্টা করেও আর গোলের দেখা পেল না লিভারপুল। ফলে বাধ্য হয়েই ম্যাচ হেরেই মাঠ ছাড়ে তারা।
এই ম্যাচে দলের অন্যতম স্তম্ভ মহম্মদ সালাহকে প্রথমার্ধে বেঞ্চে রেখেই দল সাজিয়েছিলেন সল্ট। কিন্তু যখন কিছুতেই গোলের দেখা পাচ্ছিল না তাঁর দল, তখন বাধ্য হয়েই সালাহকে পরিবর্ত হিসেবে মাঠে নামান তিনি। কিন্তু তবুও গোলের দেখা পেল না অল রেডসরা। অবশ্য ভাগও তাদের সঙ্গ দিল না। ম্যাচে একটি পেনাল্টি রেফারি তাদের দিলেও শেষ পর্যন্ত ভিডিও অ্যাসিস্ট্যান্ট রেফারি তা বাতিল করে দেন (Champions League)।
অপর ম্যাচে চেলসি মুখোমুখি হয়েছিল বেনফিকার। অর্থ্যাৎ হোসে মরিনহোর প্রাক্তন ও বর্তমান দুই দলের লড়াই। সেই লড়াইয়ে বাজিমাত করল ব্লুজরা। ১-০ গোলের ব্যবধানে তারা পরাজিত করল হোসে মরিনহোর দলকে। চেলসির হয়ে একমাত্র গোল করেন রিচার্ড রিওস।
চেলসির পাশাপাশি জয় পেল জ্যাবি আলানসোর রিয়াল মাদ্রিদ ও ভিনসেন্ট কোম্পানির বায়ার্ন মিউনিখ-ও। এই ম্যাচের আগে শনিবার মাদ্রিদ ডার্বিতে অ্যাটলেটিকোর কাছে হারের মুখ দেখতে হয় রিয়ালকে। সেই ধাক্কা কাটিয়ে চ্যাম্পিয়ন্স লিগের ম্যাচে মঙ্গলবার বড় জয় পেল মাদ্রিদের ক্লাবটি। ৫-০ গোলের ব্যবধানে তারা পরাজিত করে কাইরাতকে। রিয়ালের হয়ে হ্যাটট্রিক করেন এমবাপে। বাকি দুটি গোল করনে কামাভিঙ্গা ও দিয়াজ (Champions League)।
রিয়ালের মত জয় পায় বায়ার্ন মিউনিখ-ও। ৫-১ গোলর ব্যবধানে তারা পরাজিত করে পাফসকে। জার্মান ক্লাবটির হয়ে জোড়া গোল হ্যারি কেইনের। বাকি গোলগুলি করেন রাফায়েল গুয়েরিরো, নিকোলাস জ্যাকসন এবং ওলিসে।