চিত্র- সংগৃহীত
Bangla Jago Desk: দাম আকাশছোঁয়া, প্রত্যাশাও তেমনই। কিন্তু মাঠে নামলেই যেন সব হিসেব গড়বড় হয়ে যাচ্ছে ক্যামেরন গ্রিনকে ঘিরে। টানা তিন ম্যাচে ব্যর্থতার পর এখন তিনি নাইট শিবিরের সবচেয়ে বড় প্রশ্নচিহ্ন। ব্যাটে রান নেই, বোলিংয়েও অনীহা— সব মিলিয়ে সমর্থকদের ধৈর্যের বাঁধ ভাঙছে দ্রুত।
প্রথম ম্যাচে ১৮, দ্বিতীয় ম্যাচে মাত্র ২—এরপর তৃতীয় ম্যাচে আরও হতাশা। পাঞ্জাবের বিরুদ্ধে ইডেনে নেমে শুরুটা ভাল করলেও শেষটা সেই একই গল্প। প্রথম বলেই চার, পরের বলেই ক্যাচ তুলে বিদায়। শুধু ব্যর্থতাই নয়, তাঁর শরীরী ভাষাও চোখে পড়ার মতো। আউট হওয়ার পর যেন কোনও দায়ই নেই— এই মনোভাব আরও বিরক্ত করছে সমর্থকদের।
সমালোচনা এখন আর চাপা নেই। অনেকেই সরাসরি তাঁকে ‘ফ্লপ’ তকমা দিচ্ছেন। প্রশ্ন উঠছে, এত বড় অঙ্কের বিনিয়োগের পরও যদি এমন পারফরম্যান্স হয়, তাহলে দলে তাঁর জায়গা কেন থাকবে? প্রাক্তন ক্রিকেটারদের একাংশও ইঙ্গিত দিচ্ছেন— সময় এসেছে তাঁকে বেঞ্চে বসানোর।
অন্যদিকে বিকল্পের অভাব নেই। টিম সেইফার্ট, রাচীন রবীন্দ্র— এঁরা এখনও সুযোগের অপেক্ষায়। রভম্যান পাওয়েলকে সুযোগ দেওয়া হয়েছে ঠিকই, কিন্তু তাতেও সমস্যার সমাধান হয়নি। বরং গ্রিনের অনিশ্চিত পারফরম্যান্সই দলের ভারসাম্য নষ্ট করছে।
বৃষ্টিবিঘ্নিত ম্যাচে দলে ছিলেন না বরুণ চক্রবর্তী ও সুনীল নারিন। তাঁদের জায়গায় নবদীপ সাইনি ও রভম্যান পাওয়েলকে নেওয়া হয়, যা স্পষ্ট করে দেয়— দল পেস আক্রমণ ও ফিনিশিং শক্তি বাড়াতে চাইছে। কিন্তু তাতেও বড় প্রশ্ন থেকে যাচ্ছে— গ্রিনের ভূমিকা কী?
সমর্থকদের মনেই এখন একটাই কথা ঘুরছে— এই পরিস্থিতিতে দলের সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য অস্ত্র আন্দ্রে রাসেলের অভাবই কি সবচেয়ে বেশি অনুভূত হচ্ছে? আর যদি এমনই চলতে থাকে, তাহলে খুব শিগগিরই বড় সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হতে পারে নাইট।