চিত্র- সংগৃহীত
AK Bangla Desk: ভারতীয় ক্রিকেট দলে সাম্প্রতিক সময়ে চোটের সমস্যা বেড়ে যাওয়ায় ফিটনেস ব্যবস্থা নিয়ে বড়সড় পর্যালোচনায় নেমেছে বিসিসিআই। বেঙ্গালুরুর উৎকর্ষ কেন্দ্রে ক্রিকেটারদের শারীরিক সক্ষমতা যাচাইয়ের নিয়মে পরিবর্তনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে দলের ফিটনেসের মান নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে ভারতীয় দলের ফিজিও কমলেশ জৈনের কাছেও ব্যাখ্যা চেয়েছে বোর্ড এবং টিম ম্যানেজমেন্ট।
নতুন পরিকল্পনা অনুযায়ী, সব ক্রিকেটারের জন্য একই ধরনের ফিটনেস মানদণ্ড কার্যকর করার ভাবনা চলছে। আগে ব্যক্তিভেদে আলাদা লক্ষ্য নির্ধারণ করা হলেও এবার সেই প্রথা থেকে সরে আসতে চাইছে কর্তৃপক্ষ। নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে বিভিন্ন শারীরিক অনুশীলন শেষ করা এবং ২ কিলোমিটার দৌড় সম্পূর্ণ করাকে গুরুত্ব দেওয়া হবে। সূত্রের দাবি, গত ১ বছরে কয়েকজন সিনিয়র ক্রিকেটারের ক্ষেত্রে তুলনামূলক সহজ মানদণ্ড রাখা হয়েছিল। এছাড়া দলের প্রয়োজনের কথা মাথায় রেখে হর্ষিত রানা ও নীতীশ কুমার রেড্ডির মতো ক্রিকেটারদেরও ফিট বলে ছাড়পত্র দেওয়া হয়। এই সিদ্ধান্ত নিয়েই এখন প্রশ্ন উঠেছে বোর্ডের অন্দরে।
ইংল্যান্ড সফরে একাধিক ক্রিকেটারের বারবার পেশিতে টান ধরা এবং মাঠে নড়াচড়ায় সমস্যা দেখা দেওয়ায় উদ্বেগ আরও বেড়েছে। বিশেষ করে দীর্ঘ সময় ব্যাটিং করার পর উইকেটের মধ্যে দৌড় এবং ফিল্ডিংয়ের সময় কয়েকজন সিনিয়র ক্রিকেটারের গতিশীলতা নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেছে টিম ম্যানেজমেন্ট। কমলেশ জৈনকে স্পষ্ট জানানো হয়েছে, কোনও ক্রিকেটারের অবস্থান বা অভিজ্ঞতার কথা বিবেচনা না করে ফিটনেস নিয়ে কঠোর সিদ্ধান্ত নিতে হবে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, হর্ষিত রানার ক্ষেত্রেও ফিটনেসে ঘাটতি ধরা পড়েছিল। ভারতীয় দলে নির্বাচিত হওয়ার সময় তাঁর ওজন নির্ধারিত সীমার চেয়ে বেশি ছিল। পরে তাঁকে ওজন কমানোর নির্দেশ দেওয়া হয় এবং বর্তমানে তিনি সেই লক্ষ্য পূরণের কাছাকাছি পৌঁছেছেন। সবকিছু ঠিক থাকলে আগামী সপ্তাহে তাঁকে ফের সম্পূর্ণ ফিট ঘোষণা করা হতে পারে। ভবিষ্যতে চোটের ঝুঁকি কমাতে আরও কঠোর ও অভিন্ন ফিটনেস নীতি প্রয়োগেই জোর দিচ্ছে বিসিসিআই।