ad
ad

Breaking News

Kaligad Temple

হুগলির এই গ্রামেই পড়েছিল সতীর হাতের বালা! ৬০০ বছরের প্রাচীন মন্দিরের ইতিহাস জানলে অবাক হবেন

মন্দিরের ফলক থেকে জানা যায় মন্দির ৬০০ বছরের পুরনো

Kaligad Temple The Siddheshwari Kali Upapitha

চিত্র- সংগৃহীত

Bangla Jago Desk: যে ৫১টি জায়গায় সতীর অঙ্গ পড়ে সেগুলিকে বলা হয় মহাপীঠ। কিন্তু যে সব জায়গায় সতীর গয়না পড়েছিল সেই সব জায়গাকে বলা হয় উপপীঠ। হুগলির বলাগড়ের কালীগড় বা কালিয়াগড় সিদ্ধেশ্বরী কালীমন্দির উপপীঠ বলে পরিচিত। হাওড়া-কাটোয়া বা ব্যান্ডেল-কাটোয়া রেললাইনে জিরাট স্টেশনে নেমে যাওয়া যায় বলাগড়ের কালীগড় বা কালিয়াগড় সিদ্ধেশ্বরী কালীমন্দির। জনশ্রুতি এখানে সতীর হাতের বালা পড়েছিল। দেবাদিদেব মহাদেবের ওপরে দেবীর অধিষ্ঠান দালান মন্দিরে। মন্দিরের ফলক থেকে জানা যায় মন্দির ৬০০ বছরের পুরনো।

জনশ্রুতি, ভাগীরথী নদীর তীরে এক ব্রাহ্মণ বাস করতেন। তিনি জঙ্গলঘেরা ভাগীরথী নদীর তীরে ঘুরতে ঘুরতে ক্লান্ত হয়ে প্রাচীন বেলগাছের নীচে ঘুমিয়ে পড়েন। স্বপ্নে মাকালী ব্রাহ্মণকে পুজো করতে বলেন। গরিব ব্রাহ্মণকে দেবী আদেশ দেন যা দেখবে তা দিয়েই পুজো করতে। দেবীর আদেশ মেনে বেলগাছের নীচে জায়গা পরিষ্কার করে ভাগীরথী নদীতে স্নান করতে যান ওই ব্রাহ্মণ। ফিরে এসে পুজোর উপকরণ দেখতে পান। তা দিয়ে পুজো করেন ওই ব্রাহ্মণ। ধীরে ধীরে গ্রাম গড়ে ওঠে। মাকালীর নামে গ্রামের নাম হয় কালীগড়। ব্রিটিশ আমলে সরকারি কাগজপত্রে গ্রামের নাম হয় কালিয়াগড়।
অনেকের মতে, কোনো এক ডাকাত সর্দার দেবী সিদ্ধেশ্বরী কালীমন্দির প্রতিষ্ঠা করেন। ডাকাত দল ডাকাতি করতে যাওয়ার আগে ষোড়শ উপাচারে পুজো দিত। কথিত আছে, প্রাচীন মন্দিরে শ্রীত্রৈলঙ্গস্বামী কিছুদিন সাধনা করেন। জৈষ্ঠ্য মাসের পূর্ণিমায় মায়ের জন্মতিথি হিসাবে পালন করা হয়। দীপাবলি, দুর্গাপুজো ও জগদ্ধাত্রী পুজোর সময় বিশেষ পুজো করা হয়।

অন্যদিকে, হাওড়া-কাটোয়া রেলপথে বলাগড় স্টেশন থেকে দেড় কিলোমিটার দূরে অবস্থিত শ্রীপুর গ্রাম। এটি এক মন্দিরময় গ্রাম। শ্রীপুর গ্রামের পুরনো নাম হল আঁটিশেওড়া। এখানে বিশাল রাসমেলা বসে।