ad
ad

Breaking News

Hooghly

টেরাকোটার অপূর্ব নিদর্শন হুগলির দ্বারহাট্টার দ্বারিকা চণ্ডী ও রাজরাজেশ্বর মন্দির

হুগলি জেলার প্রাচীন জনপদ দ্বারহাট্টায় রয়েছে টেরাকোটার কারুকাজ করা প্রাচীন মন্দির দ্বারিকা চণ্ডীর মন্দির এবং রাজরাজেশ্বর মন্দির।

dwarhatta-temples-hooghly-terracotta-heritage

চিত্রঃ নিজস্ব গ্রাফিক্স

Bangla Jago Desk: মন্দিরময় গোটা বাংলা। গোটা বাংলায় ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে প্রাচীন সব পরিচিত ও স্বল্প পরিচিত মন্দির। এসব দেবালয়ের আধ্যাত্মিক গুরুত্ব যেমন আছে তেমনই আছে পুরাতাত্ত্বিক নিদর্শনের গুরুত্বও। যেমন, হুগলি জেলার প্রাচীন জনপদ দ্বারহাট্টায় রয়েছে টেরাকোটার কারুকাজ করা প্রাচীন মন্দির দ্বারিকা চণ্ডীর মন্দির এবং রাজরাজেশ্বর মন্দির।

দ্বারিকা চণ্ডীর আগের মন্দিরে টেরাকোটার অপূর্ব কারুকাজ ছিল। তবে নতুন মন্দিরে টেরাকোটার কারুকাজ সামান্য রয়েছে অলিন্দে। স্থানীয় বাসিন্দা মোহিনী মোহন সিংহ রায়ের পূর্বপুরুষরা মন্দির স্থাপন করেন। দ্বারিকা চণ্ডী মন্দির উঁচু বেদীর ওপর নির্মিত। পূর্বমুখী আটচালা মন্দির। মন্দিরে নিত্য পূজিতা শ্রীশ্রী দ্বারিকা চণ্ডী। চতুর্ভুজা দুর্গা মূর্তি। দেবীর সঙ্গে রয়েছে লক্ষ্মী, সরস্বতী, কার্তিক ও গণেশ। তবে নেই মহিষাসুর। দুর্গাপুজোর সময় দেবী দ্বারিকা চণ্ডীর বলিদান হওয়ার পর চারপাশের ১০-১২টি গ্রামের পুজোর বলিদান হয়।
দ্বারহাট্টার দ্বারিকা চণ্ডী মন্দিরে যেতে হলে হাওড়া থেকে তারকেশ্বর লোকালে চেপে হরিপাল স্টেশনে নেমে বড়গাছিয়াগামী বাসে উঠতে হবে। রামহাটীতলা স্টপেজে নেমে হেঁটে বা রিকশায় করে পৌঁছে যাওয়া যায় দ্বারিকা চণ্ডী মন্দির।

আবার হুগলি জেলার চন্দননগর মহকুমার হরিপাল সিডি ব্লকে দ্বারহাট্টা গ্রামে রয়েছে প্রাচীন বিষ্ণু মন্দির ‘রাজরাজেশ্বর মন্দির”। ভারতীয় পুরাতাত্ত্বিক বিভাগ এর রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্বে রয়েছে। ১৭২৮ সালে নির্মিত এই মন্দির। রাজপুত ক্ষত্রিয় সিংহ রায় পরিবারের সদস্য অপূর্বমোহন সিংহ রায় এই মন্দির নির্মাণ করেন। রাজপুত ক্ষত্রিয়রা হলদিঘাটি যুদ্ধে পরাজয়ের পর মরুরাজ্য রাজস্থান ছেড়ে বাংলায় চলে আসেন। পূর্বমুখী আটচালা মন্দির সামান্য উঁচু বেদীর ওপর নির্মিত। গর্ভগৃহে শালগ্রাম শীলা নিত্য পূজিত। মন্দিরের দেওয়ালে রয়েছে টেরাকোটার অপূর্ব কারুকাজ। রামহাটীতলা বাস স্টপেজ থেকে ২ কিমি দূরে অবস্থিত এই মন্দির।