ad
ad

Breaking News

Ashoka Sashti

জানেন কেন চৈত্র নবরাত্রির ষষ্ঠী তিথিকে ‘অশোক ষষ্ঠী’ বলে?

অশোকার ৭ পুত্র এবং ১ কন্যা সন্তান হয়, বিয়েও হয় তাঁদের। এক চৈত্র মাসের শুক্লপক্ষের সন্ধ্যেবেলায় অশোকা অন্ন মুখে দেব না বলে জানান।

Do you know why the sixth day of Chaitra Navratri is called 'Ashoka Sashti'?

চিত্র : নিজস্ব গ্রাফিক্স

Bangla Jago Desk: চৈত্র মাসের শুক্লপক্ষের নবরাত্রি পালন করা হয়। চৈত্র মাসের শুক্লপক্ষের ষষ্ঠী তিথি অশোক ষষ্ঠী বলে পরিচিত। এইদিনে সন্তানের মঙ্গল কামনায় বিশেষ পদ্ধতিতে প্রসাদ খান মায়েরা। পুজোর নিয়ম অনুযায়ী, কাঁঠালি কলা, দই, ৬টি মুগকলাই ও অশোক ফুলের ৬টা কুঁড়ি একসঙ্গে রেখে দাঁতে না কেটে গিলে খাওয়া হয়।

এই অশোক ষষ্ঠীর সঙ্গে জড়িত রয়েছে এক মুনিকন্যার কাহিনি। অশোক ষষ্ঠীর পুজোর সঙ্গে এক মুনিকন্যার কাহিনী জড়িত। ওই কন্যাকে অশোক গাছের নিচে কুড়িয়ে পান ওই মুনি। ওই মুনির বাস ছিল অশোক বনে। কন্যার নাম মুনি দেন অশোকা।

মুনিকন্যার বিয়ে হয় রাজপুত্রের সঙ্গে। মুনি, অশোকাকে শ্বশুরবাড়ি পাঠানোর সময় সঙ্গে কিছু অশোক ফুল এবং অশোক গাছের বীজ দিয়ে দেন। তিনি বলেন যে চৈত্র মাসের শুক্ল ষষ্ঠীর দিন ওই শুকনো অশোক ফুলগুলি জল দিয়ে যেন মুনিকন্যা খান। আর ওই দিন অশোকাকে অন্ন না খাওয়ার আদেশ দেন এরপর কেটে যায় বহুকাল।

[আরও পড়ুন: ২০১৬-র প্যানেলে পাওয়া চাকরি একসাথে হারালেন দম্পতি

অশোকার ৭ পুত্র এবং ১ কন্যা সন্তান হয়, বিয়েও হয় তাঁদের। এক চৈত্র মাসের শুক্লপক্ষের সন্ধ্যেবেলায় অশোকা অন্ন মুখে দেব না বলে জানান। তাঁর বউমারা অশোকার জন্য মুগকলাই রাঁধতে থাকে, কিন্তু তার মধ্যে কোনওভাবে একটা ধান ছিল, যেটা খাবারের মধ্যেই থেকে যায়। সেই খাবার অশোকা খেতেই অশোকার পরিবারের অনেকের মৃত্যু হয়।

অশোকা ছুটে যান ওই মুনির কাছে। মুনিই তখন বলেন, ওই খাবারে কোনও ধান থাকার জেরেই এমন ক্ষতি হয়েছে। তিনি সঙ্গে সঙ্গে ঘটি থেকে মন্ত্রপূত জল দিয়ে দেন অশোকাকে, বলেন যে এই মন্ত্রপপূত জল মৃতদের গায়ে ছিটিয়ে দিলে সকলে বেঁচে উঠবেন।

অশোকা বাবার কথামতো তাই করেন। সকলে প্রাণ ফিরে পায়। চৈত্র মাসে ষষ্ঠীর দিন মা ষষ্ঠীর পুজো দিয়ে মুগকলাই আর দই সহযোগে অশোক ফুল খেতে বলেন মুনি। সেই থেকেই এই ব্রতর প্রচলন।