ad
ad

Breaking News

Blue Sparrow

আকাশ থেকে অতর্কিতে ‘নীল চড়াই’এর হানায় খতম খামেইনি

বর্তমান সামরিক কৌশলের এক চরম নিদর্শন হয়ে রইল

Blue Sparrow Israeli Missile Technology Targets

চিত্র- সংগৃহীত

Bangla Jago Desk: পশ্চিম এশিয়ার রণক্ষেত্রে আবারও এক বিধ্বংসী মোড়। ইজরায়েলি প্রযুক্তির চরম নিপুণতা আর গোয়েন্দা জালে কার্যত ধূলিসাৎ হয়ে গেল ইরানের সর্বোচ্চ ক্ষমতার কেন্দ্রবিন্দু। যে ‘নীল চড়াই’ বা ব্লু স্প্যারো ক্ষেপণাস্ত্রের ওপর ভরসা করে ইজরায়েল এই দুঃসাহসিক অভিযান চালিয়েছে, তা কেবল একটি অস্ত্র নয়, বরং বর্তমান সামরিক কৌশলের এক চরম নিদর্শন হয়ে রইল।

১) আকাশ থেকে নেমে এল ‘নীল চড়াই’। না পাখি নয়। সাক্ষাৎ যম। ইজরায়েল সেনার ছোড়া এয়ার লঞ্চড ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ‘ব্লু স্প্যারো’ বা নীল চড়াইয়ের আঘাতেই মৃত্যু হয়েছে ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতোল্লা আলি খামেইনির।

২) ইজরায়েলের রাফায়েল অ্যাডভান্সড ডিফেন্স সিস্টেমের তৈরি ব্লু স্প্যারো ক্ষেপণাস্ত্র। ব্ল্যাক স্প্যারো ও সিলভার স্প্যারো ক্ষেপণাস্ত্র রয়েছে।

৩) ইরানের শাবাব ক্লাস ক্ষেপণাস্ত্রর মতোই মাঝারি পাল্লার ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হল ব্লু স্প্যারো। লম্বায় ৬.৫ মিটার, ওজন ১.৯ টন। ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র প্রথমে দ্রুত বেগে অনেক উঁচুতে উঠে যায়, তারপর একই গতিতে দ্রুত নেমে এসে টার্গেটে হামলা করে।

৪) সাধারণত ইজরায়েলের বায়ুসেনার এফ-১৫ যুদ্ধ বিমান থেকে অনেক দূর থেকে ছোড়া হয় ব্লু স্প্যারো ক্ষেপণাস্ত্র।

৫) ২৮ ফেব্রুয়ারি আয়াতোল্লাহ আলি খামেইনি ও ইরানের শীর্ষ নেতৃত্ব যেখানে গোপন বৈঠক করছিলেন সেই কম্পাউন্ডে আঘাত হানে ব্লু স্প্যারো ক্ষেপণাস্ত্র।

৬) ইরানের শীর্ষ নেতৃত্বর ধারণা ছিল সূর্যাস্তর পর ইজরায়েল হামলা চালাতে পারে। তাই ওই কম্পাউন্ডের মাটির অনেক গভীরে থাকা সুরক্ষিত বাঙ্কারে থাকতেন খামেইনি। হামলার আগের দিন ইজরায়েল সেনার শীর্ষ আধিকারিকরা এমন ভাব করেন যেন তাঁরা সেনার সদর দফতর ছেড়ে পরিজনদের সঙ্গে ছুটি কাটাতে চলে যাচ্ছেন।

৭) কিন্তু আসলে ছুটি কাটাতে না গিয়ে ছদ্মবেশে ফিরে আসেন ইজরায়েলের সেনা আধিকারিকরা। ইরানের স্থানীয় সময় সকাল সাড়ে ৭টায় আকাশে ওড়ে এফ-১৫ যুদ্ধ বিমান। লঞ্চ পজিশন থেকে সকাল ৯টা ৪০ মিনিট থেকে শুরু হয় টার্গেটে হামলা।