ad
ad

Breaking News

বিহারের রাজপথে ঘুরছে জীবন্ত ‘জম্বি’? ভয়ঙ্কর ড্রাগের মরণ কামড়ে হাড়হিম Video Viral

জনবহুল রাস্তায় এমন অদ্ভুত ও ভয়ঙ্কর দৃশ্য দেখে পথচারীদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।

Zombie Drug Suspect in Bihar: Man Spotted Disoriented on Road

চিত্র- সংগৃহীত

Bangla Jago Desk: পাঞ্জাবের পর এবার বিহার! ভারতের রাজপথে ফের দেখা মিলল ভয়ঙ্কর ‘জম্বি ড্রাগ’-এর (Zombie Drug) থাবার। সম্প্রতি বিহারের এক ব্যস্ত রাস্তায় এক ব্যক্তিকে উদ্দেশ্যহীনভাবে টলমল পায়ে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা যায়, যার ভিডিয়ো বা ছবি ইতিমধ্যেই সোশ্যাল মিডিয়ায় শোরগোল ফেলে দিয়েছে। ওই ব্যক্তির আচরণ এবং শারিরীক অবস্থা দেখে প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, তিনি সাধারণ কোনও নেশা নয়, বরং প্রাণঘাতী ‘জম্বি ড্রাগ’-এর কবলে পড়েছেন।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, ওই ব্যক্তি সম্পূর্ণ অসংলগ্ন অবস্থায় ছিলেন এবং নিজের চারপাশের জগত সম্পর্কে তাঁর কোনও হুঁশ ছিল না। ভারসাম্য বজায় রাখতে না পেরে বারবার পড়ে যাওয়ার উপক্রম হচ্ছিলেন তিনি। জনবহুল রাস্তায় এমন অদ্ভুত ও ভয়ঙ্কর দৃশ্য দেখে পথচারীদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। অনেকেই নিজের নিরাপত্তার খাতিরে ওই ব্যক্তির থেকে দূরে সরে যান।

ঠিক কী এই ‘জম্বি ড্রাগ’?

চিকিৎসা বিজ্ঞানের ভাষায় এগুলি মূলত সিন্থেটিক নারকোটিক বা কৃত্রিম মাদক। এই মাদক সেবনের পর মানুষের মস্তিষ্ক ও শরীরের ওপর নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে যায়। ব্যবহারকারীরা হ্যালুসিনেশন বা অলীক কিছু দেখতে শুরু করেন এবং তাঁদের আচরণ হিংস্র বা অস্বাভাবিক হয়ে ওঠে। শরীর অসার হয়ে যাওয়ার ফলে মানুষ অনেকটা সিনেমার ‘জম্বি’দের মতো আচরণ করে, তাই এর নাম দেওয়া হয়েছে জম্বি ড্রাগ। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই মাদক স্নায়ুতন্ত্রের অপূরণীয় ক্ষতি করে এবং ব্যবহারকারীকে পঙ্গু করে দিতে পারে।

ঘটনার খবর পাওয়া মাত্রই পুলিশ ও স্বাস্থ্য দফতরের আধিকারিকরা ঘটনাস্থলে পৌঁছান। ওই ব্যক্তিকে উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য পাঠানো হয়েছে। পুলিশ সূত্রে জানানো হয়েছে, কোথা থেকে এই প্রাণঘাতী মাদক বিহারে প্রবেশ করল, তা খতিয়ে দেখতে তদন্ত শুরু হয়েছে। পাচারকারীদের রুট খুঁজে বের করতে তৎপর হয়েছে প্রশাসন।

পাঞ্জাবের পর বিহারের এই বিচ্ছিন্ন ঘটনা ভারতের জনস্বাস্থ্যের জন্য এক বড় সতর্কবার্তা। প্রশাসন সাধারণ মানুষকে সতর্ক থাকার এবং আশেপাশে কোনও সন্দেহজনক মাদক কারবার দেখলে দ্রুত পুলিশকে জানানোর আবেদন জানিয়েছে। সচেতনতাই এই মারণ নেশার বিস্তার রোধ করার একমাত্র পথ বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।