চিত্র: সংগৃহীত
Bangla Jago Desk: সব জল্পনার অবসান। বাংলায় বিধানসভা নির্বাচনের দিন ঘোষণা হয়ে গেল। এবারের বিধানসভা নির্বাচন হবে ২ দফাতে। প্রথম দফার ভোট হবে ২৩ এপ্রিল। দ্বিতীয় দফার ভোট হবে ২৯ এপ্রিল। দিল্লিতে বিজ্ঞান ভবনে পশ্চিমবঙ্গ-সহ পাঁচ রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচনের নির্ঘণ্ট প্রকাশ করল ভারতীয় নির্বাচন কমিশন। সাংবাদিক সম্মেলন করে দিন ঘোষণা করেন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার। পশ্চিমবঙ্গ, তামিলনাড়ু, কেরল, অসম এবং কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল পুদুচেরি-র বিধানসভা নির্বাচনের নির্ঘণ্ট ঘোষণা করা হল। এই পাঁচটি বিধানসভার মেয়াদ মে ও জুন মাসে শেষ হতে চলেছে, তাই তার আগেই ভোটগ্রহণ সম্পন্ন করতে হবে।
বাংলায় ২ দফায় বিধানসভা নির্বাচন, গণনা হবে ৪ মে,জানাল নির্বাচন কমিশন pic.twitter.com/poYJxHsSTH
— BanglaJago Tv (@BanglaJagotv) March 15, 2026
কয়েকদিন আগে তিনি-সহ কমিশনের ফুল বেঞ্চ বাংলায় এসেছিল। একাধিক বৈঠক করেছিল কমিশন। কলকাতায় সাংবাদিক সম্মেলন করে জ্ঞানেশ কুমার জানিয়েছিলেন দিল্লি ফিরে দিন ঘোষণা হবে। কত দফা-তে হবে নির্বাচন— এই প্রশ্নে তিনি জানিয়েছিলেন, আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি খতিয়ে দেখে দফা নির্ধারণ করা হবে। সেই মতো আজ রবিবার দিল্লিতে বাংলার বিধানসভা নির্বাচনের দিন ঘোষণা করল কমিশন।
নির্বাচন কমিশনের এই ঘোষণার পর বাংলা-সহ সংশ্লিষ্ট রাজ্যগুলিতে কার্যকর হয়ে গেল আদর্শ নির্বাচনী আচরণবিধি। ভোটের দিনক্ষণ ঘোষণার সঙ্গে সঙ্গেই নির্বাচনী প্রক্রিয়ার বিভিন্ন পর্যায় যেমন মনোনয়ন জমা, প্রচারের সময়সীমা এবং ভোটগ্রহণের তারিখ সম্পর্কেও বিস্তারিত তথ্য জানানো হবে। আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনকে কেন্দ্র করে ইতিমধ্যেই রাজনৈতিক দলগুলির প্রস্তুতি জোরকদমে শুরু হয়েছে। ভোটের দিন ঘোষণা হওয়ার পরই রাজ্যের রাজনৈতিক উত্তাপ বাড়বে। এবার পুরোদমে ময়দানে ঝাঁপিয়ে পড়বে রাজনৈতিক দলগুলি।
এদিকে, রাজ্যে ৬০ লক্ষ মানুষের নাম বিবেচনাধীন। আদালতের নির্দেশে সেই ভোটারদের ভাগ্য যাচাই করছেন বিচারক ও আইন আধিকারিকরা। এখনঅ পর্যন্ত মাত্র কয়েক লক্ষ নাম যাচাই করা গিয়েছে। যাচাই বাকি আছে বিপুল নাম। এদিকে ভোটের দিন ঘোষণা হয়ে গেল। এমন অবস্থায় ওই ভোটারদের ভবিষ্যৎ কী হবে, উঠছে প্রশ্ন। আদৌ ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারবেন তো তারা? তবে কয়েকদিন আগে সুপ্রিম কোর্ট জানিয়েছিল, নির্বাচনের আগের দিন নিষ্পত্তি হলেও ভোটাধিকার প্রয়োগ করা যাবে। ভোট দিতে পারবেন ভাগ্য ঝুলে থাকা ভোটাররা। তাতেও আশঙ্কা কমছে না সাধারণ মানুষের।