ad
ad

Breaking News

Uttar Pradesh

ভারতের গোপন তথ্য আইএসআইকে পাচার! লাস্যময়ীর পর গ্রেফতার উত্তরপ্রদেশের ব্যবসায়ী

ধৃতের নাম শাহজাদ। শাহজাদকে গ্রেফতার করেছে উত্তরপ্রদেশের রাজ্য সন্ত্রাসদমন শাখা।

Uttar Pradesh businessman arrested after leaking Indian secret information to ISI

চিত্র: সংগৃহীত

Bangla Jago Desk: ভারতের গোপন তথ্য পাকিস্তানকে পাচারের গুরুতর অভিযোগে গ্রেফতার হয়েছেন জ্যোতি মোলহাত্র। সুন্দরী ইউটিউবারের সঙ্গে যোগ থাকার অভিযোগে হরিয়ানা থেকে ধরা হয়েছে আরও কয়েকজনকে। এবার আইএসআইকে দেশের গোপন তথ্য পাচারের অভিযোগে উত্তরপ্রদেশের রামপুর  থেকে গ্রেফতার হল এক ব্যবসায়ী। ধৃতের নাম শাহজাদ। শাহজাদকে গ্রেফতার করেছে উত্তরপ্রদেশের রাজ্য সন্ত্রাসদমন শাখা।

সীমান্ত পারের সন্ত্রাস ও দেশের সংবেদনশীল তথ্য পাচারে অভিযুক্ত যুক্ত বলে সন্দেহ করা হচ্ছে। উত্তরপ্রদেশ এসটিএফের তরফে তেমনটাই জানানো হয়েছে। জাতীয় পাকিস্তানের গুপ্তচর সংস্থা আইএসআই-কে এদেশের জাতীয় নিরাপত্তা বিষয়ক গোপন তথ্য তুলে ওই ব্যবসায়ী পৌঁছে দিত বলে দাবি করছে এসটিএফ। এমনকি আইএসআই-এর শীর্ষকর্তাদের একাংশের সঙ্গে শাহজাদের সরাসরি যোগাযোগ ছিল বলেও জানতে পেরেছেন তদন্তকারীরা।  চরবৃত্তির  নানা চাঞ্চল্যকর তথ্য মেলার পর তাকে স্ক্যানারে আনে পুলিশ। তারপরই সন্ত্রাসদমন শাখা অভিযুক্ত শাহজাদকে গ্রেফতার করে।

এসটিএফের তরফে আরও জানা গেছে, শাহজাদ বেশ কয়েকবার পাকিস্তানেও গিয়েছিল। অভিযুক্ত ব্যবসায়ী মশলা,বস্ত্র,প্রসাধনী সামগ্রী  সহ অন্যান্য জিনিস সীমান্ত দিয়ে পাকিস্তানে পাচার করতো বলে অভিযোগ উঠেছে। এছাড়াও চাঞ্চল্যকর তথ্য মিলেছে, শাহজাদ ভারতের অর্থ ও সিম কার্ড আইএসআইয়ের এজেন্টদের সরবরাহ করত। এমনটাই এসটিএফের কর্তাদের সূত্রে জানা গেছে। রামপুরের বহু মানুষকে শাহজাদ পাকিস্তানে পাঠাতো,   যাতে আইএসআইয়ের হয়ে তারা কাজ করে।

আর উত্তরপ্রদেশের রামপুরের সেইসব মানুষদের ভিসার ব্যবস্থা করে দিত আইএসআই কর্তারা। শাহজাদকে গ্রেফতার করা হয়েছে,হরিয়ানার ইউটিউবার জ্যোতি মালহোত্রাকে ধরার পরই।  উল্লেখ্য,রূপসী ট্রাভেল ব্লগার জ্যোতি মালহোত্রা সম্পর্কে বিস্ফোরক তথ্য হাতে পেয়েছেন তদন্তকারীরা। অভিযোগ,রূপসী মহিলা দেশের সংবেদনশীল তথ্য  পাকিস্তানের কাছে ফাঁস করে মোটা টাকার কারবার ফাঁদেন।

দেশদ্রোহীতার অভিযোগ উঠেছে তাঁর বিরুদ্ধে। ৩৩বছরের মহিলার  গুপ্তচর  পর্দা ফাঁস হয়ে যাওয়ার পরই শুরু হয় ধরপাকড়। দেশবিরোধী শক্তির সঙ্গে বন্ধুত্বের মধুময় সম্পর্ক গড়ে তোলা জ্যোতি মালহোত্রা, যে জ্যোতি রাণী বলেই পরিচিত। একাধিকবার  পাকিস্তানে গিয়ে কথা বলেন  জ্যোতি মালহোত্রা। আরও অভিযোগ, পাক হাইকমিশনের সঙ্গে যোগাযোগ গড়ে তোলেন ভারতের গোপন তথ্য পাকিস্তানে পাচারের প্রমাণ রয়েছে বলে তদন্তকারীরা দাবি করছেন।

হরিয়ানা,পঞ্জাবে জাল ছড়িয়েছিল এই রমনী। ২০২৩ সালে, ভারতে পাক দূতাবাস কর্মী এহসান উর রহিম ওরফে দানিশের সঙ্গে  জ্যোতির  আলাপ হয়। পরে দানিশের  ঘনিষ্ঠ বৃত্তে চলে আসেন। উল্লেখ্য, দানিশকে পাক দূতাবাস থেকে গুপ্তচরবৃত্তির জন্য ভারত থেকে বের করে দেয় নয়াদিল্লি। অবাঞ্চিত ব্যক্তি বলে বিতাড়িত করে  ভারত সরকার। দানিশ সম্পর্ক তদন্ত করতে গিয়েই  জ্যোতির যোগ পায়  তদন্তকারীরা। চাঞ্চল্যকর তথ্য মেলে  দানিশেরই ‘বিশেষ আমন্ত্রণে’ গত বছর পাক দূতাবাসে ইফতার পার্টিতে যায় জ্যোতি।