ad
ad

Breaking News

US Senators India Pulse Tariff

ভারতের ডালশস্যে চড়া শুল্কের কোপ! ট্রাম্পকে চিঠি মার্কিন সেনেটরদের

এই শুল্ককে তাঁরা ‘অন্যায়’ বলে উল্লেখ করেছেন এবং দাবি করেছেন, এর ফলে মার্কিন ব্যবসায়ীরা অসম প্রতিযোগিতার পরিস্থিতিতে পড়ছেন।

US Senators India Pulse Tariff

চিত্রঃ সংগৃহীত

Bangla Jago Desk: ভারতে আমদানি করা ডালজাতীয় শস্যের উপর অত্যধিক শুল্ক আরোপ করা হয়েছে—এই অভিযোগ তুলে হোয়াইট হাউসের দ্বারস্থ হলেন আমেরিকার দুই রিপাবলিকান সেনেটর। শুক্রবার তাঁরা মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে একটি চিঠি পাঠিয়ে অনুরোধ জানান, যাতে ভারতের সঙ্গে বাণিজ্য সংক্রান্ত আলোচনায় ডাল শস্যের উপর শুল্ক হ্রাসের বিষয়টি গুরুত্ব পায়। চিঠিটি পাঠিয়েছেন মন্টানা রাজ্যের সেনেটর স্টিভ ডেনিস এবং উত্তর ডাকোটা রাজ্যের সেনেটর কেভিন ক্র্যামার। তাঁরা জানিয়েছেন, ভারতের আরোপ করা শুল্কের ফলে তাঁদের নিজ নিজ রাজ্যের ডাল শস্য উৎপাদক ও রফতানিকারকেরা বড় ধরনের সমস্যার মুখে পড়ছেন। এই শুল্ককে তাঁরা ‘অন্যায়’ বলে উল্লেখ করেছেন এবং দাবি করেছেন, এর ফলে মার্কিন ব্যবসায়ীরা অসম প্রতিযোগিতার পরিস্থিতিতে পড়ছেন।

সেনেটরদের চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে, মন্টানা ও উত্তর ডাকোটা—এই দুই রাজ্য আমেরিকায় মটর ও অন্যান্য ডালজাতীয় শস্য উৎপাদনের ক্ষেত্রে শীর্ষস্থানে রয়েছে। অন্যদিকে, ডাল শস্যের সবচেয়ে বড় আন্তর্জাতিক বাজার হল ভারত। বিশ্বে যত ডাল আমদানি হয়, তার প্রায় ২৭ শতাংশই ভারতের বাজারে যায়। সেই কারণেই ভারতীয় বাজার মার্কিন কৃষক ও ব্যবসায়ীদের কাছে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। চিঠিতে আরও বলা হয়েছে, ভারতে মূলত মুশুর ডাল, ছোলা ও শুকনো মটরের মতো ডালজাতীয় শস্য আমদানি করা হয়। কিন্তু গত বছরের ৩০ অক্টোবর ভারত এই সব ডালের উপর ৩০ শতাংশ শুল্ক আরোপের ঘোষণা করে, যা ১ নভেম্বর থেকে কার্যকর হয়। সেনেটরদের দাবি, এই সিদ্ধান্তের ফলে আমেরিকার উচ্চ মানের শস্য রফতানি করেও উৎপাদকরা বাজারে টিকে থাকতে পারছেন না।

এই পরিস্থিতিতে ডেনিস ও ক্র্যামার প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পকে পরামর্শ দিয়েছেন, তিনি যেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সঙ্গে সরাসরি এই বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করেন। তাঁদের মতে, শুল্ক হ্রাস করা হলে ভারত ও আমেরিকা—দুই দেশই অর্থনৈতিকভাবে উপকৃত হবে এবং দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য আরও মজবুত হবে। উল্লেখযোগ্য বিষয় হল, ভারত ও আমেরিকার মধ্যে এখনও চূড়ান্ত কোনও বাণিজ্য চুক্তি হয়নি। দুই দেশের মধ্যে আলোচনা চলছে। এর মধ্যেই রাশিয়া থেকে খনিজ তেল আমদানির কারণে ভারতের উপর অতিরিক্ত ৫০ শতাংশ শাস্তিমূলক শুল্ক আরোপ করেছে আমেরিকা। এর জেরে মার্কিন বাজারে ভারতের পণ্য রফতানি উল্লেখযোগ্যভাবে কমে গেছে এবং দুই দেশের বাণিজ্যিক সম্পর্কেও চাপ তৈরি হয়েছে।