ad
ad

Breaking News

Indian Railway

ট্রেনের শৌচাগারই যখন ‘ওয়ো’! ২ ঘণ্টা দরজা আটকে রেখে যাত্রীদের নাজেহাল করল দম্পতি

ভিডিওটিতে দেখা যায়, দরজা খোলার পর অভিযুক্ত বাইরে বেরিয়ে এসে দাবি করেন যে, ওই নারী ঋতুস্রাবজনিত যন্ত্রণায় ভুগছিলেন এবং সেই কারণেই তাঁরা ভেতরে ছিলেন।

train-toilet-occupied-for-two-hours

চিত্রঃ সংগৃহীত

Bangla Jago Desk: চলন্ত ট্রেনের শৌচাগারকে কার্যত ‘ব্যক্তিগত কক্ষ’ বানিয়ে ফেলার এক নজিরবিহীন ও চাঞ্চল্যকর ঘটনাকে কেন্দ্র করে দেশজুড়ে তীব্র বিতর্ক শুরু হয়েছে। অভিযোগ উঠেছে, এক দম্পতি প্রায় দুই ঘণ্টা ধরে ট্রেনের একটি শৌচাগারের দরজা ভেতর থেকে আটকে রেখেছিলেন। দীর্ঘ সময় ধরে একটি জনপরিষেবা মূলক সুবিধা এভাবে দখল করে রাখায় ট্রেনের অন্যান্য যাত্রীরা চরম দুর্ভোগের শিকার হন। ঘটনার গুরুত্ব বুঝে শেষ পর্যন্ত রেলের কর্মীরা সেখানে উপস্থিত হন এবং শৌচাগারের দরজা খোলানো হয়। এই পুরো ঘটনার একটি ভিডিও বর্তমানে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে।                  

ভিডিওটিতে দেখা যায়, দরজা খোলার পর অভিযুক্ত বাইরে বেরিয়ে এসে দাবি করেন যে, ওই নারী ঋতুস্রাবজনিত যন্ত্রণায় ভুগছিলেন এবং সেই কারণেই তাঁরা ভেতরে ছিলেন। তবে যাত্রীদের সবচেয়ে বেশি স্তম্ভিত করেছে ওই নারীর আচরণ। বিন্দুমাত্র অনুতপ্ত না হয়ে তাঁকে বলতে শোনা যায়, “আমার সমস্যা থাকলে আমি কাকে ভেতরে নিয়ে যাব, সেটা সম্পূর্ণ আমার নিজের ব্যাপার।” জনসমক্ষে তাঁর এমন ঔদ্ধত্যপূর্ণ মন্তব্য এবং অন্যদের অসুবিধার প্রতি তোয়াক্কা না করার বিষয়টি সামাজিক মাধ্যমে প্রতিবাদের ঝড় তুলেছে। 

এই ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসতেই সাধারণ মানুষের নাগরিক দায়িত্ব এবং জনপরিসরে আচরণের শিষ্টাচার নিয়ে বড়সড় প্রশ্ন উঠে গেছে। নেটিজেনদের একাংশ ক্ষোভ উগরে দিয়ে বলছেন, ব্যক্তিগত স্বাধীনতার দোহাই দিয়ে অন্যের অধিকার খর্ব করা এবং ট্রেনের শৌচাগারকে ‘ওয়ো রুম’ (OYO) হিসেবে ব্যবহার করা অত্যন্ত নিন্দনীয়। জনৈক ব্যবহারকারী মন্তব্য করেছেন, “নিজের অধিকার জাহির করা এক জিনিস, কিন্তু জনসেবামূলক ব্যবস্থার অপব্যবহার করা জঘন্য অপরাধ। ট্রেনের শৌচাগার কয়েকশ যাত্রীর জন্য একটি প্রয়োজনীয় স্থান, এটি কোনো ব্যক্তিগত কক্ষ নয়।” সব মিলিয়ে, ‘ব্যক্তিগত ইচ্ছা’ ও ‘সামাজিক শালীনতা’র এই সংঘাত এখন আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে।