প্রতীকী চিত্র
Bangla Jago Desk: তামিলনাড়ুর কৃষ্ণগিরি জেলার একটি সরকারি স্কুলে তিন শিক্ষক ১৩ বছর বয়সী এক ছাত্রীকে যৌন হয়রানি করেছেন। পুলিশ POCSO-এর অধীনে মামলা দায়ের করেছে এবং করেছে। তিন শিক্ষককেই সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। অভিযুক্ত শিক্ষকদের ১৫ দিনের পুলিশ রিমান্ডে পাঠানো হয়েছে।
তামিলনাড়ুর এক স্কুলে স্কুলছাত্রীকে গণধর্ষণের অভিযোগ উঠল তিন শিক্ষকের বিরুদ্ধে। বিষয়টি প্রকাশ্যে আসে স্কুলে ছাত্রীর অনুপস্থিতির কারণ খুঁজতে গিয়েই। এই ঘটনায় ইতিমধ্যেই অভিযুক্ত তিন শিক্ষককে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
স্থানীয় সূত্রে খবর, মাসখানেক ধরেই স্কুলে আসছিল না ওই ছাত্রী। কেন আসছে না তার কারণ খোঁজার চেষ্টা করেন স্কুলের প্রধানশিক্ষক। ছাত্রীর বাড়িতেও খবর পাঠানো হয়। তখনই তিনি জানতে পারেন ঘটনাটি।
ছাত্রীর মা প্রধানশিক্ষককে গোটা ঘটনার কথা জানান। তার পরই প্রধানশিক্ষক ছাত্রীর মাকে তিন শিক্ষকের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করার পরামর্শ দেন। জেলা শিশু সুরক্ষা দফতরেও একটি অভিযোগ জানান ছাত্রীর মা।
ছাত্রীর মায়ের অভিযোগের ভিত্তিতে তিন শিক্ষকের বিরুদ্ধে পকসো আইনে মামলা দায়ের করে পুলিশ। তার পর গ্রেফতার করা হয় তিন শিক্ষককে। নির্যাতিতার মা জানিয়েছেন, একদিন স্কুল থেকে বাড়ি ফেরার পর থেকেই তাঁর কন্যা একেবারে চুপ হয়ে গিয়েছিল। তার আচরণে অস্বাভাবিকতা ধরা পড়ছিল।
অসুস্থ বোধ করত মাঝেমধ্যেই। বাড়িতে এই ঘটনার কথা ভয়ে কাউকে বলতে পারেনি বলে দাবি ছাত্রীর মায়ের। স্কুলে যাওয়াও বন্ধ করে দিয়েছিল। কেন স্কুল যাচ্ছে না বা যেতে চাইছে না, সেই কারণ জিজ্ঞাসা করলে সে ভয়ে সিঁটিয়ে থাকত।
ধীরে ধীরে বিষয়টি প্রকাশ্যে আসে। ছাত্রীর মায়ের দাবি, তাঁর কন্যা কেন এই ধরনের আচরণ করছে, নানা ভাবে কারণ খোঁজার চেষ্টা করা হয়। অবশেষে ছাত্রী তার মাকে ঘটনাটি জানায়।অন্য দিকে, এক মাস হয়ে গেলেও স্কুলে কেন অনুপস্থিত ছাত্রী, তার খোঁজ নেওয়া শুরু করেন প্রধানশিক্ষক।
ডেকে পাঠানো হয় ছাত্রীর অভিভাবকদের। তখনই তাঁরা প্রধানশিক্ষককে গণধর্ষণের কথা জানান। ছাত্রীকে ধর্ষণের ঘটনা প্রকাশ্যে আসতেই স্কুলে গিয়ে অভিভাবকেরা বিক্ষোভ দেখান বুধবার। অভিযুক্ত শিক্ষকদের কঠোর শাস্তির দাবি তুলেছেন তাঁরা।