ad
ad

Breaking News

জলপাইগুড়ি

শুরু হবে হাইকোর্টের সার্কিট বেঞ্চের স্থায়ী পরিকাঠামো নির্মাণের কাজ, এবার বিচার পেতে আরও সুবিধা

Bangla Jago TV Desk : টানাপড়েনের পরে জলপাইগুড়িতে সার্কিট বেঞ্চের স্থায়ী ভবন তৈরির ছাড়পত্র মিলল। এই ভবন তৈরিতে প্রায় ৩৭৭ কোটি টাকা বরাদ্দে ৬ ফেব্রুয়ারি রাজ্যের অর্থ দফতর অনুমোদন দিয়েছে। গত মঙ্গলবার রাজ্যের পূর্ত দফতরের টেন্ডার কমিটি চূড়ান্ত ছাড়পত্র দিয়ে দ্রুত কাজ শুরুর সবুজ সঙ্কেত দিয়েছে। এর অর্থ, বেঞ্চের কাজ শুরু করতে আরও কোনও বাধা […]

Bangla Jago TV Desk : টানাপড়েনের পরে জলপাইগুড়িতে সার্কিট বেঞ্চের স্থায়ী ভবন তৈরির ছাড়পত্র মিলল। এই ভবন তৈরিতে প্রায় ৩৭৭ কোটি টাকা বরাদ্দে ৬ ফেব্রুয়ারি রাজ্যের অর্থ দফতর অনুমোদন দিয়েছে। গত মঙ্গলবার রাজ্যের পূর্ত দফতরের টেন্ডার কমিটি চূড়ান্ত ছাড়পত্র দিয়ে দ্রুত কাজ শুরুর সবুজ সঙ্কেত দিয়েছে। এর অর্থ, বেঞ্চের কাজ শুরু করতে আরও কোনও বাধা থাকল না। ভবন তৈরির জন্য দ্রুত ইট গাঁথার কাজ শুরু করতে নির্দেশ এসেছে। পূর্ত দফতর সূত্রের খবর, টেন্ডারটি পেয়েছে দেশের প্রথম সারির এক নির্মাণ সংস্থা। কুতুব মিনার-সহ দেশের একাধিক স্থাপত্যের রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্বে রয়েছে সংস্থাটি। পূর্ত দফতরের নর্থ জ়োনের মুখ্য বাস্তুকার ভাস্কর ঘোষ বলেন, সার্কিট বেঞ্চের স্থায়ী ভবন তৈরির টেন্ডার গৃহীত হয়েছে। বিচারবিভাগ এবং অর্থ দফতর থেকে আগামী বছর জুন-জুলাই মাসের মধ্যেই জলপাইগুড়িতে কলকাতা হাই কোর্টের সার্কিট বেঞ্চের স্থায়ী পরিকাঠামোয় আদালতের কাজ শুরু করা যাবে। এমনটাই মনে করছেন হাই কোর্টের অন্যতম দুই বিচারপতি বিশ্বজিৎ বসু ও শম্পা সরকার।

শনিবার জলপাইগুড়িতে হাই কোর্টের সার্কিটের স্থায়ী পরিকাঠামোর নির্মাণকাজ ঘুরে দেখেন তাঁরা। প্রায় দু’ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে সংশ্লিষ্ট দফতরের আধিকারিকদের সঙ্গে বৈঠকও করেন। নির্মাণকাজ কাজ দেখে তাঁরা সন্তুষ্ট বলে জানা গিয়েছে। স্থায়ী পরিকাঠামোর জমি সংক্রান্ত কোনও জটিলতা আছে কি না তা খতিয়ে দেখতে নির্দেশ দিয়েছেন দুই বিচারপতি। স্থায়ী পরিকাঠামোর মোট জমির পরিমাণ ঠিকঠাক আছে কি না তা খতিয়ে দেখতে আগামী ৩০ নভেম্বর জমি জরিপ করা হবে বলে আইনজীবীদের সূত্রে খবর। ওই পরিকাঠামো গড়ে তুলতে রাজ্য সরকার মোট ৪০.০৮ একর জমি দিয়েছিল। এই জমি দখল ও জমি থেকে মাটি কেটে বিক্রি করার অভিযোগও উঠেছিল বিভিন্ন সময়ে। জলপাইগুড়ি শহর লাগোয়া পাহাড়পুর মোড়ের কাছে, জাতীয় সড়কের ধারে গড়ে উঠছে স্থায়ী সার্কিট বেঞ্চ। এ দিন জাতীয় সড়ক কর্তৃপক্ষের আধিকারিকদের সঙ্গেও কথা বলেন বিচারপতিরা। স্থায়ী পরিকাঠামোর জন্য দু’টি ‘সার্ভিস রোড’ তৈরি করা খুবই জরুরি বলে জানা গিয়েছে। এ ক্ষেত্রে জাতীয় সড়ক কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে প্রয়োজনে জমি অধিগ্রহণ করে পূর্ত দফতরকে দিয়ে সার্ভিস রোড তৈরি করা হবে। স্থায়ী পরিকাঠামো সংলগ্ন জাতীয় সড়কের জমির উপর দিয়ে বৈদ্যুতিক তার সরিয়ে ফেলার জন্যও দ্রুত পদক্ষেপ করার নির্দেশ দিয়েছেন বিচারপতিরা।

স্থায়ী পরিকাঠামো লাগোয়া এলাকায় কোথাও যেন কোনও অবৈধ নির্মাণ গড়ে না ওঠে সে ক্ষেত্রেও নজর রাখতে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে সূত্রের খবর। দুই বিচারপতির সঙ্গে হাই কোর্টের রেজিস্ট্রার চিরঞ্জীব ভট্টাচার্যও ছিলেন। আগামী ২০২৪ সালের জুন ও জুলাই মাসেই চালু হতে চলেছে জলপাইগুড়ি সার্কিট বেঞ্চের স্থায়ী ভবন৷ কলকাতা হাই কোর্টের জলপাইগুড়ি সার্কিট বেঞ্চের স্থায়ী পরিকাঠামোর কাজ খতিয়ে দেখতে এসে জানালেন বিচারপতি শম্পা সরকার ও বিশ্বজিৎ বসু। এখনো পর্যন্ত বিল্ডিংয়ের কাজ দেখে খুশি বিচারপতিরা৷ বিচারপতি শম্পা সরকার ও বিচারপতি বিশ্বজিৎ বসু শনিবার পাহাড়পুরে অবস্থিত স্থায়ী নির্মীয়মান আদালত বিল্ডিংয়ের কাজ দেখতে আসেন৷ এই কাজের সাথে যুক্ত সমস্ত দপ্তরকে সঙ্গে নিয়ে প্রায় ১ঘন্টা ৩০মিনিট বৈঠক করেন তারা৷ বৈঠক শেষে গোটা ক্যাম্পাস সমস্ত আধিকারিকদের নিয়ে ঘুরে দেখেন বিচারপতিরা। বিচারপতিরা জানিয়েছেন জাতীয় সড়কের পাশে আদালতে প্রবেশ করার জন্য একটি সার্ভিস রোড প্রয়োজন সেটা জাতীয় সড়ক কর্তৃপক্ষকে বলা হয়েছে।পাশাপাশি রাস্তার ধারে থাকা বিদ্যুতের তারগুলিকে সরাতে বলা হয়েছে। সদর ব্লকের পাহাড়পুর গ্রাম পঞ্চায়েতের অন্তর্গত পাহাড়পুর মোড় ও গোশালা মোড়ের মাঝে জাতীয় সড়কের ধারে তৈরি হচ্ছে ভবনটি। এই আদালত ভবনে ১৬টি কোর্ট রুম রয়েছে৷ সব ঠিকঠাক থাকলে ২০২৪ সালের জুন, জুলাই মাস থেকে চালু হয়ে যাবে স্থায়ী ভবন জানিয়েছেন বিচারপরি শম্পা সরকার ও বিশ্বজিৎ বসু।

 

FREE ACCESS