Bangla Jago Desk: ভয়াবহ বাস দুর্ঘটনা উত্তরাখণ্ডে। পাহাড়ি পথ দিয়ে যাওয়ার সময় যাত্রিবোঝাই বাসটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি খরস্রোতা নদীতে পড়ে যায়। আলমোড়ার কাছে এই দুর্ঘটনাটি ঘটে। ওই বাসটিতে প্রায় ৪০ জন যাত্রী ছিলেন। এখনও পর্যন্ত প্রায় ৩৬ জনের মৃত্যু হয়ে বলে জানা যাচ্ছে। কেন্দ্র ও রাজ্যের তরফে আর্থিক ক্ষতিপূরণ ঘোষণা করা হয়েছে।
ভয়াবহ বাস দুর্ঘটনা উত্তরাখণ্ডে। যাত্রিবোঝাই একটি বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে খরস্রোতা নদীতে পড়ে যায়। আলমোড়ার কাছে এই দুর্ঘটনাটি ঘটে। ওই বাসটিতে প্রায় ৪০ জন যাত্রী ছিলেন। এখনও পর্যন্ত প্রায় ৩৬ জনের মৃত্যু হয়ে বলে জানা যাচ্ছে। মৃতের সংখ্যা আর বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। দুর্ঘটনার পর সঙ্গে সঙ্গে উদ্ধারে পৌঁছয় বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী। যুদ্ধকালীন তৎপরতায় চলে উদ্ধারকাজ। একে একে উদ্ধার হতে থাকে মৃতদেহ। আহত যাদের উদ্ধার করা হয়েছে তাঁদের অনেকের অবস্থা আশঙ্কাজনক। এয়ারলিফট করে দ্রুত তাঁদের নিয়ে যাওয়া এইমস হাসপাতালে। কেন এই দুর্ঘটনা? সেই সম্পর্কে প্রাথমিক ভাবে জানা গিয়েছে, রাতভর পাহাড়ি পথে বাসযাত্রার পর চালক ক্লান্ত হয়ে পড়েছিলেন। ফলে তিনি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলতে পারেন।
বাসটি ৪০ জন যাত্রী নিয়ে গাড়োয়ালের পৌরি থেকে কুমায়ুনের রামনগর যাচ্ছিল। রাতে শুরু হয়েছিল যাত্রা। গন্তব্যে পৌঁছনোর কিছুটা আগে দুর্ঘটনা ঘটে। সকাল সাড়ে আটটা নাগাদ আলমোড়ার কাছে বাসটি রাস্তা থেকে ২০০ মিটার গভীর খাদে পড়ে যায়। গড়িয়ে পাথরে আছাড় খাওয়ার পর বাসটি দুমড়েমুচড়ে যায়। দুর্ঘটনার খবর পেয়ে রাজ্যের বিপর্যয় মোকাবিলা দল দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে যায়। যুদ্ধকালীন তৎপরতায় উদ্ধারকাজ শুরু হয়। প্রথম দফায় ২০ জনে নিথর দেহ উদ্ধার হয়। পর মৃতই যাত্রীর সংখ্যা গিয়ে পৌঁছয় ৩৬। যাদের জীবিত উদ্ধার করা হয়, তাঁদের অবস্থা আশঙ্কাজনক। ঘটনাস্থলে থেকে এয়ারলিফট করে তাঁদের পৌঁছে দেওয়া হয় এইমস হাসপাতালে। সেখানে চিকিৎসাধীন আছে তাঁরা। চালক ক্লান্ত হয়ে পড়েছিলেন, নাকি বাসটিতে কোনও যান্ত্রিক ত্রুটি দেখা দিয়েছিল, যার দুর্ঘটনা ঘটেছে। সমস্ত কিছু খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে পরিস্থিতির খোঁজখবর নেন মুখ্যমন্ত্রী পুষ্কর সিং ধামি। মৃত ও আহতদের জন্য আর্থিক সাহায্য ঘোষণা করেন তিনি। উত্তরাখণ্ড সরকারের তরফে মৃতদের পরিবার পিছু ৪ লক্ষ টাকা করে এবং আহতদের ১ লক্ষ টাকা করে সাহায্য করা হবে ঘোষণা করা হয়। এই দুর্ঘটনার খবর পেয়ে দুঃখপ্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। রাজ্যের পাশাপাশি কেন্দ্রের তরফে প্রধানমন্ত্রীর তহবিল থেকে মৃতদের পরিবারকে ২ লক্ষ টাকা ও আহতদের ৫০ হাজার টাকা করে দেওয়া হবে বলে জানানো হয়েছে।