ad
ad

Breaking News

Supreme Court

১৪ তারিখ পর্যন্ত জমা হওয়া নথি বিবেচনাযোগ্য: সুপ্রিম কোর্ট

পোর্টাল হঠাৎ বন্ধ হয়ে যাওয়ার ফলে যে প্রযুক্তিগত সমস্যা তৈরি হয়েছিল, তার দায় ভোটারদের ওপর চাপানো যাবে না বলেও স্পষ্ট করেছে আদালত।

Supreme Court Order on Voter Documents Till February 14

চিত্রঃ সংগৃহীত

Bangla Jago Desk: চলতি বিশেষ নিবিড় সংশোধন প্রক্রিয়া ঘিরে গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশ দিল দেশের সর্বোচ্চ আদালত। সুপ্রিম কোর্টের একাধিক স্পষ্ট নির্দেশে স্বস্তি ফিরেছে বঙ্গের ভোটারদের মধ্যে। আদালত জানিয়ে দিয়েছে, নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে জমা পড়া সমস্ত নথিই বিবেচনা করতে হবে এবং যোগ্য ভোটারদের অধিকার সুরক্ষিত রাখতে হবে।শীর্ষ আদালত নির্দেশ দিয়েছে, ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখের মধ্যে ইআরও/এএইআরও-র কাছে জমা পড়া সমস্ত নথি,তা অনলাইন হোক বা সরাসরি জমা দেওয়া হোক—বিবেচনায় নিতে হবে। ইসিনেট পোর্টালে আপলোড না হলেও সেই নথি বাতিল করা যাবে না (Supreme Court)।
 
পোর্টাল হঠাৎ বন্ধ হয়ে যাওয়ার ফলে যে প্রযুক্তিগত সমস্যা তৈরি হয়েছিল, তার দায় ভোটারদের ওপর চাপানো যাবে না বলেও স্পষ্ট করেছে আদালত। দেশের শীর্ষ আদালত জানিয়েছে, ১৪ ফেব্রুয়ারির মধ্যে নথি জমা পড়েছে—এই মর্মে ইলেক্টোরাল রেজিস্ট্রেশন অফিসার  ও অ্যাসিস্ট্যান্ট ইলেক্টোরাল রেজিস্ট্রেশন অফিসারের শংসাপত্রই চূড়ান্ত বলে গণ্য হবে। বিচার বিভাগীয় আধিকারিকরা সেই সার্টিফিকেশনের ভিত্তিতেই সিদ্ধান্ত নেবেন।জাতীয় নির্বাচন কমিশন কর্তৃক ২৪ জুন ২০২৫ ও ২৭ অক্টোবর ২০২৫-এর বিজ্ঞপ্তিতে উল্লিখিত ১২টি নথিকেই বৈধ হিসেবে বিবেচনা করতে হবে বলে নির্দেশ দিয়েছে আদালত (Supreme Court)।
 
•আধার কার্ডকে পরিচয়পত্র হিসেবে গ্রহণযোগ্য বলা হয়েছে।
•১৯ জানুয়ারি ২০২৬-এর নির্দেশ অনুযায়ী মাধ্যমিকের অ্যাডমিট কার্ডও বৈধ নথি হিসেবে গণ্য হবে।
 
আদালত নির্দেশ দিয়েছে, ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখে প্রথম ইলেক্টোরাল লিস্ট প্রকাশ করতে হবে। পরে যে সম্পূরক তালিকা প্রকাশিত হবে, তা-ও চূড়ান্ত ভোটার তালিকার অংশ হিসেবে গণ্য হবে।
 
সংবিধানের ১৪২ অনুচ্ছেদের ক্ষমতা প্রয়োগ করে আদালত জানিয়েছে, সম্পূরক তালিকাভুক্ত ভোটারদের ভোটাধিকার সম্পূর্ণ সুরক্ষিত থাকবে এবং ২৮ ফেব্রুয়ারিকেই প্রকাশের তারিখ হিসেবে ধরা হবে (Supreme Court)।