ad
ad

Breaking News

Congress

ইন্ডিয়া জোটের হাত ধরে সফল কংগ্রেস,হরিয়ানায় একলা লড়ে ব্যর্থ কংগ্রেস

জম্মু-কাশ্মীরে শতচেষ্টা করেও পদ্ম ফোটাতে পারল না বিজেপি। জম্মুতে অস্তিত্ব জানান দিলেও কাশ্মীরে কার্যতঃ বিজেপির প্রত্যাশা ধাক্কা খেয়েছে।

Successful Congress in the hands of the India alliance

চিত্র : সংগৃহীত

Bangla Jago Desk: জম্মু-কাশ্মীরে শতচেষ্টা করেও পদ্ম ফোটাতে পারল না বিজেপি। জম্মুতে অস্তিত্ব জানান দিলেও কাশ্মীরে কার্যতঃ বিজেপির প্রত্যাশা ধাক্কা খেয়েছে। ন্যাশানাল কনফারেন্স বলছে,৩৭০ ধারা বাতিলের ফল হাতেনাতে পেয়েছে কেন্দ্রের শাসকরা। ইন্ডিয়া জোটের হাত ধরে কাশ্মীরে কংগ্রেস সফল হলেও হরিয়ানায় বিজেপির বিরুদ্ধে একলা লড়ে ব্যর্থ কংগ্রেস। হরিয়ানার মতোই ..জম্মু-কাশ্মীরের বিধানসভা ভোট সারা দেশের মানুষের নজরে ছিল। দুই রাজ্যেই ৯০আসনের বিধানসভা। গেমপ্ল্যানে সফল হওয়ার জন্য বিজেপি এবার রাজ্য ভিত্তিক পরিকল্পনা করে। ইন্ডিয়া জোটের হাত ধরে কাশ্মীরে কংগ্রেস সফল হলেও হরিয়ানায় বিজেপিকে একার লড়াইতে হারাতে ব্যর্থ কংগ্রেস।

[আরও পড়ুনঃ গঙ্গার ভাঙনরোধে অ্যাকশনে পুরসভা,কেন্দ্রীয় নিষ্ক্রিয়তায় উঠছে প্রশ্ন 

মোদি-শাহদের কাছে বড় চ্যালেঞ্জ ছিল,ভূস্বর্গে লক্ষ্যভেদ করা। কারণ ৩৭০ধারা বাতিল করে কাশ্মীরে কেন্দ্রীয় শাসনের পর এবারই সেই রাজ্যে বিধানসভা ভোট হয়। রাজ্যের মর্যাদা খর্ব করার মতো বিষয়কে ইস্যু করে ন্যাশানাল কনফারেন্স। কংগ্রেসের হাত ধরে ইন্ডিয়া জোট বিজেপির একাধিপত্যের রাজনীতিকে টক্কর দিতে নামে। জোট রাজনীতির সমীকরণ বুঝে বিজেপি  জম্মু- কাশ্মীরের মানুষের কাছে হাইটেক প্রচারে মেতে ওঠে। প্রচারে ঢাক পেটালেও ইভিএমে ফসল তুলতে পারেনি পদ্ম শিবির। মোদি ম্যাজিক ম্লান হয়ে যায় প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের স্বর্গ বলে পরিচিত কাশ্মীরে। দ্বিমেরুর রাজনৈতিক টক্করে বিজেপি কাশ্মীরে পাত্তা পায়নি।বরং তারা বরাবরের ভিত্তিভূমি জম্মুতে গেরুয়ারাজের জমি ধরে রাখে।

পিডিপির মতো তৃতীয় শক্তি ধরাশায়ী হওয়ায় এই উপত্যাকায় বিজেপি বিরোধী শক্তি হিসেবে উঠে এসেছে।রাজনৈতিক মহল বলছে,গতবার বিজেপির হাত ধরায় কাশ্মীরবাসীকে পিডিপিকে উচিত শিক্ষা যেমন দিয়েছে,তেমনই আবার বিজেপির বিভাজনের রাজনীতিও প্রান্তিক রাজ্যে ঠাঁই পায়নি।সবমিলিয়ে কংগ্রেস-এনসি জোট যেখানে ৪৮টির কাছে সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়েছে সেখানে বিজেপি আটকে রয়েছে ২৯আসনে।রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন,আসলে বিজেপির কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্ত চাপিয়ে দেওয়ার কাজে কাশ্মীরবাসী যে খুশি নয় তার প্রতিফলন মিলেছে ভোটযুদ্ধে।

[আরও পড়ুনঃ Ukraine-Russia: ইউক্রেনের নিশানায় রুশ তেলের ভাণ্ডার, পরবর্তী টার্গেট কি তাহলে ক্রাইমিয়া

কাশ্মীরে এর আগে বিজেপি চেষ্টা করেও ভালো ফল করতে পারেনি। এবার সেই স্বপ্নভঙ্গ হল মোদি –শাহদের।কংগ্রেস-ন্যাশানাল কনফারেন্স বলছে,রাজ্যের মর্যাদা ফিরিয়ে দিয়ে তাঁরা বিজেপিকে জবাব দেবে।তাই লাদাখে পরিবেশবাদী আন্দোলনের মতোই জম্মু-কাশ্মীরের রাজ্যের মর্যাদা দানের দাবি জোরদার হওয়ায় কেন্দ্রের শাসকদের চাপ যে বাড়ল তা বলাই যায়।এদিকে,হরিয়ানায় বিজেপি জাঠবিরোধী সমীকরণের অঙ্কে রাজনৈতিক রসায়নে সফল হলেও পদ্মের কাঁটা পথ ছাড়ছে না। কারণ কৃষক বিদ্রোহের শক্ত জমিতে লড়তে গিয়ে বিজেপিকে হাড়ে হাড়ে টের পেতে হয়েছে।

তাই মুখ্যমন্ত্রী বদল করে নায়াব সিং সাইনিকে বসিয়ে যে বিজেপি প্রতিষ্ঠান বিরোধী হাওয়া রোখার চেষ্টা করেছিল তাদের ভোট ব্যাঙ্ক একেবারেই বাড়েনি।তাই কংগ্রেস গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব,দলিত ভোট ভাগের জন্য ৩৭টি আসনে জয়ী হলেও গেরুয়া শিবিরের পাল্লা কিন্তু ভারী নয়। কারণ বিজেপির ভোট শতাংশের মতোই কংগ্রেসের ভোট শতাংশ ৪০শতাংশের কাছেই রয়েছে। জাঠ বিরোধী ভোট এককাট্টা করে এযাত্রায় বিজেপি হরিয়ানার হ্যাটট্রিক করলেও আগামীর লড়াইতে তাঁদের বুকের ছাতি কমবে বলে দাবি কংগ্রেসের। কারচুপির কথা তুলে ধরে কংগ্রেস কমিশনের ওপর চাপ তাই জারি রেখেছে। পর্যবেক্ষকরা বলছেন,কংগ্রেস যেখানে একা লড়ছে সেখানে তারা সফল হতে পারছে না। তাই কাশ্মীরে ইন্ডিয়া জোট সফল হলেও হরিয়ানায় কংগ্রেসের হাত দুর্বল হয় একার লড়াইতে।