চিত্র : সংগৃহীত
Bangla Jago Desk: অ্যাপলের সহপ্রতিষ্ঠাতা স্টিভ জোবস পত্নী লরেন পাওয়েল জোবস গেরুয়া রঙের পোশাক পরে মকর সংক্রান্তিতে ডুব দিয়ে কল্পবাস শুরু করেছেন। মহাকুম্ভে পৌঁছে তিনি প্রথমে যান নিরঞ্জনী আখড়ায়। তাঁর গুরু আচার্য মহামণ্ডলেশ্বর স্বামী কৈলাশানন্দ কল্পবাসের মহাকুম্ভে পাওয়েলকে একটি নতুন নাম দিয়েছেন, সেটি হল কমলা। কমলা পৌষ পূর্ণিমায় প্রথম ডুব দিয়ে শুরু করেন কল্পবাস।
লরেন পাওয়েল জোবস সেক্টর-১৮-এ কৈলাশানন্দের ক্যাম্পে থাকবেন এবং সনাতন ঐতিহ্যের কঠোর অনুশাসন হিসাবে কল্পবাস করবেন বলে জানা গিয়েছে। তিনি কল্পবাস সম্পন্ন করার পর ১৫ জানুয়ারি দেশে ফিরবেন। সারা দেশের চোখ এখন লরেন পাওয়েলের দিকে। মঙ্গলবার মকর সংক্রান্তি উপলক্ষে তিনি মহাকুম্ভের প্রথম রাজকীয় স্নানে অংশ নেন। তিনি আচার্য মহামণ্ডলেশ্বর কৈলাশানন্দ সরস্বতীর সঙ্গে কড়া নিরাপত্তার মধ্যে সঙ্গম তীরে ডুব দিতে রত্নখচিত রাজকীয় রথে এসেছিলেন।
লরেন পাওয়েল মহাকুম্ভের সময় ভারতীয় সংস্কৃতির মুখোমুখি হবেন। সঙ্গমের বালুচরে সরল জীবনযাপন করার সময় তিনি সনাতন সংস্কৃতির সঙ্গে পরিচিত হবেন এবং আধ্যাত্মিক জ্ঞানও অর্জন করবেন। কৈলাশানন্দ গিরির শিবিরে থাকার মাধ্যমে, তিনি ভগবান শিবকে জানতে এবং সনাতন সংস্কৃতিকে ঘনিষ্ঠভাবে বোঝার চেষ্টা করবেন।
অ্যাপলের সহ-প্রতিষ্ঠাতা স্টিভ জোবসের স্ত্রী লরেন পাওয়েল জবস বা ‘কমলা’ মহা কুম্ভ মেলায় অংশ নিতে প্রয়াগরাজে পৌঁছন শনিবার। নিরঞ্জিনী আখড়ার আচার্য মহামণ্ডলেশ্বর স্বামী কৈলাশনন্দ গিরির একনিষ্ঠ অনুগামী লরেন শনিবার রাতে আধ্যাত্মিক শিবিরে পৌঁছন ৪০ সদস্যের দল নিয়ে।
মহাকুম্ভ চলাকালীন লরেন পাওয়েল আধুনিক সুযোগ-সুবিধা সম্বলিত একটি কটেজে থাকছেন এবং সাধুদের সান্নিধ্যে সময় কাটাচ্ছেন বলে জানা গিয়েছে। মহাকুম্ভের প্রথম দিনে সঙ্গমে ডুব দিয়ে কল্পবাস শুরু করেছেন তিনি। তিনি কৈলাশানন্দের শিবিরে অনুষ্ঠিতব্য মহাযজ্ঞের প্রধান অতিথিও হবেন।
লরেন পাওয়েলকে নতুন নাম দেওয়া হয়েছে কমলা। স্বামী কৈলাশানন্দ গিরি বলেন, ‘লরেন আমাদের ছাত্রী এবং আমরা তাঁর সঙ্গে মেয়ের মত আচরণ করি। মহাকুম্ভে, তিনি তাঁর গুরুর কাছ থেকে নির্দেশ নেবেন এবং সাধু ও মহাত্মাদের সঙ্গ পাবেন।’