ad
ad

Breaking News

Stalin

তামিলনাড়ুতে স্ট্যালিন-যুগের অবসান! মুখ্যমন্ত্রীর পদ থেকে ইস্তফা ডিএমকে সুপ্রিমোর

২৩৪ সদস্যের বিধানসভায় সরকার গঠনের জন্য প্রয়োজনীয় সংখ্যাগরিষ্ঠতা থেকে তারা অনেকটাই পিছিয়ে পড়েছে।

Stalin Resigns after electoral setback in Tamil Nadu

চিত্র- সংগৃহীত

Bangla Jago Desk: বিধানসভা নির্বাচনে বড়সড় ধাক্কার পর তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রীর পদ থেকে মঙ্গলবার পদত্যাগ করলেন ডিএমকে সুপ্রিমো এম কে স্ট্যালিন। রাজ্যপাল রাজেন্দ্র বিশ্বনাথ আরলেকারের কাছে তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে পদত্যাগপত্র পাঠিয়েছেন। রাজভবন সূত্রে জানা গিয়েছে, স্ট্যালিনের পদত্যাগপত্র পৌঁছেছে রাজ্যপালের দফতরে। নিয়ম অনুযায়ী, নতুন সরকার গঠিত না হওয়া পর্যন্ত রাজ্যপাল স্ট্যালিনকে কেয়ারটেকার মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব চালিয়ে যাওয়ার অনুরোধ করতে পারেন। এবারের নির্বাচনে ডিএমকে নেতৃত্বাধীন সেক্যুলার প্রগ্রেসিভ অ্যালায়েন্স  মাত্র ৭৩টি আসন পেয়েছে। ২৩৪ সদস্যের বিধানসভায় সরকার গঠনের জন্য প্রয়োজনীয় সংখ্যাগরিষ্ঠতা থেকে তারা অনেকটাই পিছিয়ে পড়েছে।

অন্যদিকে শুধুমাত্র ডিএমকে দলই ১৬৪টি আসনে প্রার্থী দিয়ে জয় পেয়েছে প্রায় ৬০টি আসনে। আগেরবারের তুলনায় এটি ডিএমকের জন্য বড়সড় পতন বলেই রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন। এই নির্বাচনে সবচেয়ে বড় চমক এসেছে মুখ্যমন্ত্রী স্ট্যালিনের ব্যক্তিগত পরাজয়ে। উল্লেখ্য, তামিলনাড়ুর রাজনৈতিক ইতিহাসে বসে থাকা মুখ্যমন্ত্রীর বিধানসভা ভোটে হার খুবই বিরল ঘটনা। শেষবার এমন ঘটনা ঘটেছিল ১৯৯৬ সালে, যখন তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী জে জয়ললিতা নির্বাচনে পরাজিত হন। সেই নজিরের পর স্ট্যালিনের হারকে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

এবারের নির্বাচনে অভিনেতা থেকে রাজনীতিক হওয়া বিজয়ের দল টিভিকে রাজ্যে সবচেয়ে বেশি আসন পেলেও তারা একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করতে পারেনি। ফলে তামিলনাড়ুতে সরকার গঠন নিয়ে শুরু হয়েছে জোরদার আলোচনা এবং সম্ভাব্য জোট সমীকরণের অঙ্ক কষা। সূত্রের খবর, ভোট-পরবর্তী আলোচনা ইতিমধ্যেই শুরু হয়েছে এবং আগামী কয়েক দিনের মধ্যেই সরকার গঠনের চিত্র পরিষ্কার হতে পারে। পদত্যাগের পর স্ট্যালিন সম্ভবত বিধানসভায় বিরোধী দলনেতা হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন। একইসঙ্গে ডিএমকের অন্দরে নির্বাচনী বিপর্যয়ের কারণ খতিয়ে দেখতে শুরু হয়েছে পর্যালোচনা। দলের ভবিষ্যৎ রণকৌশল নির্ধারণে শীঘ্রই বৈঠক হতে পারে বলেও জানা গিয়েছে। তামিলনাড়ুর রাজনীতিতে এই নাটকীয় পালাবদল এখন জাতীয় রাজনীতিতেও আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠেছে।