ad
ad

Breaking News

Sonam Wangchuk

শরীর ভাঙলেও অনশনে অনড় সোনম ওয়াংচুক, জোর করে খাওয়ানোর আর্জি জানিয়ে দিল্লি হাইকোর্টে মামলা

দিল্লির যন্তরমন্তরে সোনমের এই আন্দোলনকে কেন্দ্র করে আইনজীবী রাকেশকুমার সাইনি আদালতের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন।

sonam-wangchuk-hunger-strike-delhi-high-court-plea

চিত্রঃ সংগৃহীত

Bangla Jago Desk: টানা অনশনের জেরে লাদাখের সমাজসৈনিক সোনম ওয়াংচুকের শারীরিক অবস্থার চরম অবনতি ঘটছে। তবে শরীর ভাঙলেও কোনো অবস্থাতেই অনশনমঞ্চ ছাড়তে নারাজ তিনি। বুধবার তাঁর এই অনশন আন্দোলন ১৮ দিনে পদার্পণ করল। এই পরিস্থিতিতে সোনমের আশঙ্কাজনক স্বাস্থ্য নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে দিল্লি হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন এক আইনজীবী। তাঁর আবেদন, সোনম ওয়াংচুকের প্রাণ বাঁচাতে অবিলম্বে তাঁকে হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হোক এবং প্রয়োজনে জোর করে তরল খাদ্য দেওয়া হোক। হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি দেবেন্দ্র উপাধ্যায় এবং বিচারপতি তেজস কারিয়ার ডিভিশন বেঞ্চ এই বিষয়ে মামলা দায়ের করার অনুমতি দিয়েছে এবং বুধবারই এর শুনানির সম্ভাবনা রয়েছে।

দিল্লির যন্তরমন্তরে সোনমের এই আন্দোলনকে কেন্দ্র করে আইনজীবী রাকেশকুমার সাইনি আদালতের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন। তিনি জরুরি ভিত্তিতে কেন্দ্র ও দিল্লি সরকারকে নির্দেশ দেওয়ার আর্জি জানিয়ে বলেন, “সোনম ওয়াংচুককে দ্রুত কোনো সরকারি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া উচিত। মানুষের বেঁচে থাকার জন্য প্রয়োজনীয় পুষ্টি ও ভিটামিন যাতে তাঁর শরীরে পৌঁছায়, সেজন্য তরল খাদ্যের মাধ্যমে তাঁকে জোর করে খাওয়ানো হোক।” পাশাপাশি, সমাজকর্মীর শারীরিক অবস্থার উন্নতির জন্য জরুরি সমস্ত রকম চিকিৎসার বন্দোবস্ত করার দাবিও জানানো হয়েছে এই আবেদনপত্রে।

গত ১৭ দিনেরও বেশি সময় ধরে চলা এই অনশনের জেরে সোনমের ওজন অনেকটাই কমে গিয়েছে বলে আন্দোলনকারীদের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে। তাঁর স্বাস্থ্যের অবনতি ঘটায় ইতিমধ্যেই উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন দেশের বিশিষ্ট নাগরিক ও বিরোধী শিবিরের রাজনীতিকেরা। সোমবারই সোনম ওয়াংচুকের আন্দোলনের প্রতি সংহতি জানাতে অনশনমঞ্চে উপস্থিত হয়েছিলেন বিশিষ্ট লেখিকা অরুন্ধতী রায়, প্রবীণ অভিনেতা নাসিরুদ্দিন শাহ, রত্না পাঠক শাহ এবং প্রখ্যাত অর্থনীতিবিদ জয়তী ঘোষ। তাঁরা সোনমসহ অন্যান্য অনশনকারীদের আন্দোলন তুলে নেওয়ার অনুরোধ জানালেও, সমাজকর্মী তাঁর দাবিতে এখনও অনড় রয়েছেন। একই সঙ্গে আন্দোলনকারীদের পক্ষ থেকে এই গোটা বিষয়ে মোদী সরকারের নীরবতা নিয়ে তীব্র ক্ষোভ উগরে দেওয়া হয়েছে।