ad
ad

Breaking News

Droupadi Murmu

পরীক্ষা ব্যবস্থায় সংস্কার থেকে ‘অপারেশন সিঁদুর’! জাতির উদ্দেশে ভাষণে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ বার্তা রাষ্ট্রপতির

পরীক্ষা ব্যবস্থার স্বচ্ছতা ও শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ নিয়ে দেশজুড়ে চলা উদ্বেগের মাঝে রাষ্ট্রপতির বার্তা ছিল অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ।

president-droupadi-murmu-addresses-nation-on-80th-independence-day

চিত্রঃ সংগৃহীত

AK Bangla 24×7 Digital: ভারতের ৮০তম স্বাধীনতা দিবসের শুভ প্রাক্কালে জাতির উদ্দেশে মূল্যবান ভাষণ প্রদান করলেন রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু। তাঁর ভাষণ শুরুর পূর্বে জাতীয় গীত ‘বন্দে মাতরম’ ও জাতীয় সঙ্গীত ‘জন গণ মন’ বাজানো হয়। ভাষণ শুরু করে রাষ্ট্রপতি অত্যন্ত দৃঢ়তার সাথে বলেন, ”ভারতকে বিশ্বের দরবারে সর্বশ্রেষ্ঠ হিসেবে গড়ে তুলতে হবে, তবেই আমাদের প্রাপ্ত এই স্বাধীনতা প্রকৃত সার্থকতা পাবে।” তাঁর এই দিকনির্দেশনামূলক ভাষণে নিট (NEET) পরীক্ষা সংক্রান্ত বিতর্ক, প্রশ্নফাঁস, ‘অপারেশন সিঁদুর’ এবং নকশালমুক্ত ভারত গড়ার মতো নানা সাম্প্রতিক ও স্পর্শকাতর বিষয় উঠে আসে। তিনি জোর দিয়ে বলেন, সমাজের সকল স্তরের মানুষের সার্বিক উন্নয়ন নিশ্চিত না হলে ‘বিকশিত ভারত’-এর স্বপ্ন অধরা থেকে যাবে।

পরীক্ষা ব্যবস্থার স্বচ্ছতা ও শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ নিয়ে দেশজুড়ে চলা উদ্বেগের মাঝে রাষ্ট্রপতির বার্তা ছিল অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। তিনি স্পষ্ট জানান, ”পড়ুয়াদের ভবিষ্যতের নিরাপত্তা ও সুরক্ষার স্বার্থে সবাইকে একযোগে এগিয়ে আসতে হবে।” পাশাপাশি সমগ্র শিক্ষাব্যবস্থার প্রতি তরুণ প্রজন্মের আস্থা বজায় রাখতে জরুরি সংস্কারের ওপর গুরুত্ব আরোপ করেন তিনি।

আমাদের জাতীয় পতাকার মর্যাদা স্মরণ করিয়ে দিয়ে রাষ্ট্রপতি বলেন, ”তেরঙ্গা হলো আমাদের সার্বভৌমত্ব ও স্বাধীনতার প্রতীক।” তিনি কৃষক, শিক্ষার্থী, শিল্পী, সমাজসেবী এবং সাফাইকর্মীদের অসামান্য অবদানের কথা উল্লেখ করে বলেন, এরাই দেশের অগ্রগতির মূল চালিকাশক্তি। একই সাথে দেশরক্ষায় সেনাসদস্য ও পুলিশকর্মীদের দায়িত্বশীলতা এবং প্রবাসীদের ভূমিকার ভূয়সী প্রশংসা করেন তিনি।

২০৪৭ সালের মধ্যে ভারতের শতবর্ষপূর্তিকে সামনে রেখে ‘মিশন ২০৪৭’ বাস্তবায়নে দেশবাসীকে একজোট হওয়ার আহ্বান জানান রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু। ১৪ আগস্ট ‘বিভাজন বিভীষিকা দিবস’ প্রসঙ্গে তিনি অত্যন্ত ভাবগম্ভীর কণ্ঠে মনে করিয়ে দেন যে, দেশভাগের হৃদয়বিদারক যন্ত্রণা সহ্য করেও লক্ষ লক্ষ মানুষ কখনোই তাঁদের নিজস্ব মূল ও সাংস্কৃতিক শিকড়কে ভুলে যাননি।