ad
ad

Breaking News

Medicine Shop Strike

দেশজুড়ে ওষুধের দোকানে ১২ ঘণ্টার ধর্মঘট! কোত্থেকে সংগ্রহ করবেন আপনাদের প্রয়োজনীয় ওষুধ?

মঙ্গলবার রাত থেকেই দেশের সিংহভাগ ওষুধের দোকানে তালা ঝোলার কথা রয়েছে

Medicine Shop Strike To Remain Open

চিত্র- সংগৃহীত

Bangla Jago Desk: ই-ফার্মেসি বা অনলাইন ওষুধ বিক্রির ওপর কড়া নিয়ন্ত্রণ এবং বড় ছাড় দেওয়ার নীতিগত বিরোধিতায় দেশজুড়ে ১২ ঘণ্টার ধর্মঘটের ডাক দিয়েছে অল ইন্ডিয়া অর্গানাইজেশন অফ কেমিস্ট অ্যান্ড ড্রাগিস্ট নামের সর্বভারতীয় ওষুধ ব্যবসায়ীদের সংগঠন। মঙ্গলবার রাত থেকেই দেশের সিংহভাগ ওষুধের দোকানে তালা ঝোলার কথা রয়েছে। তবে খুচরো ওষুধ বিক্রেতাদের এই দেশব্যাপী আন্দোলনের মাঝেই সাধারণ মানুষের জন্য বড় স্বস্তির খবর শুনিয়েছে কয়েকটি রাজ্য। পশ্চিমবঙ্গ-সহ দেশের ১২টি রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের খুচরো ওষুধ বিক্রেতা সংগঠনগুলি এই ধর্মঘট থেকে নিজেদের সরিয়ে রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এর ফলে এই রাজ্যগুলোতে অন্যান্য দিনের মতোই স্বাভাবিক থাকবে ওষুধের পরিষেবা।

অনলাইন প্ল্যাটফর্মগুলোতে ওষুধের যথেচ্ছ বিক্রি এবং সেখানে নিয়মবহির্ভূত ছাড়ের কারণে অফলাইন বা সাধারণ দোকানদাররা চরম আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়ছেন বলে দাবি করেছে অল ইন্ডিয়া অর্গানাইজেশন অফ কেমিস্ট অ্যান্ড ড্রাগিস্ট। এই বিষয়ে ক্ষোভ জানিয়ে এবং ই-ফার্মেসিগুলির ওপর সরকারি রাশ টানার দাবিতেই মূলত এই ১২ ঘণ্টার প্রতীকী ধর্মঘট ডাকা হয়েছে। সংগঠনটির পক্ষ থেকে ইতিমধ্যেই ন্যাশনাল ড্রাগ রেগুলেটরের সঙ্গে দেখা করে নিজেদের আপত্তির কথা জানানো হয়েছে। তবে এই ধর্মঘটের জেরে সাধারণ মানুষ, বিশেষ করে বয়স্ক, শিশু এবং যাঁরা প্রতিদিন জীবনদায়ী ওষুধের ওপর নির্ভরশীল, তাঁরা যে চরম ভোগান্তির মুখে পড়তে পারেন, সেই বিষয়েও আলোচনায় উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে।

দেশজুড়ে ওষুধের দোকানের ঝাঁপ বন্ধ থাকলেও জরুরি পরিস্থিতিতে সাধারণ মানুষের সুবিধার্থে বেশ কিছু ওষুধের দোকানকে এই ধর্মঘটের আওতার বাইরে রাখা হয়েছে। সংবাদ সংস্থা এএনআই-এর দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ধর্মঘট চলাকালীন দেশের বিভিন্ন প্রান্তে থাকা সরকারি হাসপাতালের ন্যায্য মূল্যের ওষুধের দোকান, দাভা ইন্ডিয়া এবং প্রধানমন্ত্রী জনৌষধি কেন্দ্রগুলি সম্পূর্ণ খোলা থাকবে। ফলে জরুরি প্রয়োজনে সাধারণ মানুষ এই সমস্ত সরকারি ও অনুমোদিত কেন্দ্র থেকে অনায়াসেই প্রয়োজনীয় ওষুধ সংগ্রহ করতে পারবেন।

পশ্চিমবঙ্গ-সহ বেশ কয়েকটি বড় রাজ্যে খুচরো বিক্রেতারা এই ধর্মঘটে শামিল না হওয়ায় স্থানীয় স্তরে রোগীদের ওষুধ পেতে কোনও বড় সমস্যার সম্মুখীন হতে হবে না বলে মনে করা হচ্ছে। সাধারণ মানুষের দুর্ভোগের কথা বিবেচনা করেই মূলত বাংলার মতো রাজ্যগুলির ব্যবসায়ী সংগঠন এই ১২ ঘণ্টার ধর্মঘট থেকে দূরে থাকার ইতিবাচক সিদ্ধান্ত নিয়েছে।