শনিবার সন্ধ্যা আনুমানিক ৭টা ১৫ মিনিটের দিকে সীমান্ত সংলগ্ন একটি সেনা ক্যাম্পের কাছে কয়েক মিনিট ধরে ড্রোনটি ঘোরাঘুরি করতে দেখা যায়। পরে তা পাকিস্তানের ভূখণ্ডের দিকে ফিরে যায়। কিন্তু ঘটনা এখানেই থেমে যায়নি। প্রায় আধ ঘণ্টা পর আন্তর্জাতিক সীমান্তের কাছে আবতাল এলাকায় ড্রোন অনুপ্রবেশের দ্বিতীয় ঘটনার খবর পাওয়া যায়। উল্লেখ্য, গত কয়েকদিন ধরে জম্মু-কাশ্মীরের বিভিন্ন সীমান্ত সেক্টরে ড্রোন উড়তে দেখা যাচ্ছে। সাম্বা জেলার রামগড় সেক্টরের কেসো মানহাসান গ্রাম ও পুঞ্চের দেগওয়ার সেক্টরের সীমান্ত সংলগ্ন এলাকায় সেনাবাহিনী ড্রোনের সন্দেহজনক গতিবিধি লক্ষ্য করেছে।
পরিস্থিতি বুঝে সেনাবাহিনী ‘কাউন্টার-ইউএএস’ বা ড্রোন-প্রতিরোধী ব্যবস্থা সক্রিয় করেছে, যাতে ড্রোনগুলিকে আটকানো বা নিষ্ক্রিয় করা যায়। পরপর কয়েক দিন সীমান্তে ড্রোনের উপস্থিতিতে ভারতীয় গোয়েন্দা সংস্থাগুলিও চিন্তিত। বিশেষজ্ঞদের একাংশের আশঙ্কা, পাকিস্তান কোনও বড় নাশকতার পরিকল্পনা করে থাকতে পারে।
এর আগেও ড্রোনের মাধ্যমে অস্ত্র ও মাদক পাচারের ঘটনা সামনে এসেছে। সম্প্রতি সাম্বার পালুরা এলাকায় অভিযান চালিয়ে সেনাবাহিনী অস্ত্র ও বিস্ফোরক উদ্ধার করেছে। সেনা আধিকারিকদের সন্দেহ, ওই সব অস্ত্রও ড্রোনের মাধ্যমে সীমান্ত পেরিয়ে আনা হয়েছিল। এই ঘটনার পর সীমান্ত এলাকা জুড়ে তল্লাশি অভিযান বাড়ানো হয়েছে এবং নজরদারি আরও জোরদার করা হয়েছে।
প্রসঙ্গত, বুধবার জম্মু-কাশ্মীরের কাঠুয়া থেকে তিন জন সন্দেহভাজনকে আটক করেছে পুলিশ। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, পাকিস্তান-যোগের অভিযোগে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ধৃতদের মোবাইল ফোনে পাকিস্তানের ফোন নম্বর পাওয়া গেছে বলে খবর। এই সূত্র ধরে তাদের জিজ্ঞাসাবাদ চলছে।



