চিত্রঃ সংগৃহীত
Bangla Jago Desk: দেশজুড়ে শীতের দাপট অব্যাহত। উত্তর ভারতজুড়ে শৈত্যপ্রবাহের সাথে ঘন কুয়াশা এবং পাহাড়ি এলাকায় টানা তুষারপাতের পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া দপ্তর। উত্তুরে হাওয়ার দাপটে তাপমাত্রার পারদ ক্রমশ নিম্নমুখী হওয়ায় সাধারণ মানুষের জনজীবন কার্যত বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। সিমলা আবহাওয়া কেন্দ্রের রিপোর্ট অনুযায়ী, ৩০ ডিসেম্বর মঙ্গলবার থেকে হিমালয় সংলগ্ন রাজ্যগুলিতে নতুন করে পশ্চিমী ঝঞ্ঝা সক্রিয় হচ্ছে। এর প্রভাবে হিমাচল প্রদেশসহ সংলগ্ন পাহাড়ি এলাকায় তুষারপাতের তীব্রতা আরও বৃদ্ধি পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
আবহাওয়া দপ্তরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, সমতল ও সংলগ্ন শহরগুলিতে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ১৭ ডিগ্রির আশেপাশে থাকতে পারে। বাতাসে আর্দ্রতার পরিমাণ থাকবে প্রায় ৩৩ শতাংশ। মঙ্গলবার থেকেই রাজ্যের বিভিন্ন অংশে তুষারপাত শুরু হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। ৩১ ডিসেম্বর এবং ১ জানুয়ারি সমগ্র রাজ্যজুড়েই আবহাওয়া অত্যন্ত প্রতিকূল থাকবে বলে জানানো হয়েছে। বিশেষ করে চম্বা, কুলু, কিন্নর, কাংড়া এবং লাহুল-স্পিতির উঁচু পাহাড়ি এলাকাগুলোতে বিচ্ছিন্নভাবে তুষারপাতের সতর্কতা জারি করা হয়েছে। অন্যদিকে বিলাসপুর, ভাকরা বাঁধ এলাকা এবং মান্ডিতে অত্যন্ত ঘন কুয়াশার দাপট দেখা যেতে পারে। এই পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখে সংশ্লিষ্ট এলাকাগুলোতে কমলা সতর্কতা (Orange Alert) জারি করেছে আবহাওয়া দপ্তর। পাশাপাশি উনা, হামিরপুর, সোলান এবং সিরমৌরে হলুদ সতর্কতা জারি করা হয়েছে। ৩০ ডিসেম্বর থেকে শুরু হওয়া এই পশ্চিমী ঝঞ্ঝার প্রভাবে ৩১ ডিসেম্বর ও ১ জানুয়ারি অনেক জায়গায় মাঝারি বৃষ্টি বা তুষারপাত হতে পারে। ২ জানুয়ারি পর্যন্ত এই পরিস্থিতির রেশ থাকার সম্ভাবনা রয়েছে।
#WATCH | Manali, Himachal Pradesh: Tourists from various states of the country are arriving in Manali to enjoy the snow.
Along with that, to escape the pollution, they are flocking to popular tourist destinations like Shimla and other hill stations of Himachal Pradesh. pic.twitter.com/6oetLiWMIy
— ANI (@ANI) December 23, 2025
বর্তমান আবহাওয়ার কথা বিবেচনা করে ভারতের মৌসম ভবন (IMD) পর্যটক এবং স্থানীয় বাসিন্দাদের জন্য বিশেষ নিরাপত্তা নির্দেশিকা জারি করেছে। পিচ্ছিল রাস্তা এবং কুয়াশার কারণে দৃশ্যমানতা কমে যাওয়ায় রাতে অপ্রয়োজনীয় ভ্রমণ এড়িয়ে চলার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। যেকোনো ভ্রমণের আগে আবহাওয়া দপ্তর বা স্থানীয় সংবাদ মাধ্যমের কাছ থেকে রাস্তার সর্বশেষ পরিস্থিতি জেনে নেওয়ার জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ করা হয়েছে।