চিত্রঃ সংগৃহীত
Bangla Jago Desk: মাওবাদীদের পেতে রাখা আইডি ফেটে ছত্তিশগড়ে মৃত্যু হল এক জওয়ানের। সোমবার ছত্তিশগড়ের বিজাপুর জেলায় মাওবাদীদের পুঁতে রাখা ইম্প্রোভাইজড এক্সপ্লোসিভ ডিভাইস (আইইডি) বিস্ফোরকে পা দিতেই বিস্ফোরণ। আর তাতেই ছত্তিশগড় পুলিশের ডিস্ট্রিক্ট রিজার্ভ গার্ড (ডিআরজি)-এর এক জওয়ান নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন অন্তত আরও দু’জন জওয়ান। তাদের উদ্ধার করে ভর্তি করা হয়েছে হাসপাতালে। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, সোমবার সকালে ইন্দ্রাবতী জাতীয় উদ্যান এলাকায় মাওবাদবিরোধী অভিযানে বের হয়েছিল ডিআরজি-র একটি দল। সেই সময়ই বিস্ফোরণ ঘটে (Chhattisgarh)।
আরও পড়ুনঃ Admin Conflict: ঘাসফুল প্রতীক নিয়ে ‘খেলা হবে’ দিবসে বিতর্ক, মঞ্চে জেলাশাসক ও পুলিশ সুপার
ঘটনাস্থলেই প্রাণ হারান জওয়ান দীনেশ নাগ। আহতদের প্রাথমিক চিকিৎসার পর নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। সেইসঙ্গে গোটা এলাকা নিরাপত্তায় মুড়ে ফেলা হয়। চলে তল্লাশি অভিযান।কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন আগামী বছরের ৩১ মার্চের মধ্যে ভারতকে মাওবাদমুক্ত করার। তাঁর অভিযোগ, মাওবাদ দীর্ঘদিন ধরে দেশের একাধিক অঞ্চলের উন্নয়নে বাধা সৃষ্টি করছে। সেই লক্ষ্যেই সম্প্রতি জোরদার হয়েছে অভিযানের গতি।ছত্তিশগড়, অন্ধ্রপ্রদেশ, ঝড়খণ্ডের মতো মাওবাদী অধ্যুষিত রাজ্যগুলিতে মাওবিরোধী অভিযান ব্যাপক গতি পেয়েছে। গোয়েন্দাদের মতে, বর্তমানে ছত্তিশগড় তেলেঙ্গানা সীমানাবর্তী কারেগুট্টা পাহাড়ি এলাকা মাওবাদীদের অন্যতম শক্তঘাঁটি। এই এলাকা থেকে মাওবাদের শিকড় উপড়ে ফেলতে প্রায় ৩ হাজার আধাসেনাকে নামানো হয়েছে (Chhattisgarh)।
Bangla Jago fb page: https://www.facebook.com/Banglajagotvofficial
গত কয়েক মাসে ছত্তিশগড়ে নিরাপত্তা বাহিনীর অভিযানে বহু মাওবাদী হয় নিহত হয়েছে, নয়তো আত্মসমর্পণ করেছে। গত মাসেই নারায়ণপুর জেলার আবুঝমাড় অঞ্চলে সংঘর্ষে ছ’জন মাওবাদী নিহত হয়। তার আগে জুলাই মাসে বিজাপুরে নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে লড়াইয়ে নিহত হয় ৮ লক্ষ টাকা পুরস্কারপ্রাপ্ত শীর্ষ মাওবাদী নেতা সোধি কান্না। এছাড়া চলতি বছরের জুলাই মাসে সুকমা জেলায় ১.১৮ কোটি টাকা পুরস্কারপ্রাপ্ত মোট ২৩ জন মাওবাদী পুলিশের কাছে আত্মসমর্পণ করে। শুধু তাই নয় কিছুদিন আগেই নারায়ণপুরে ২২ জন মাওবাদী আত্মসমর্পণ করে (Chhattisgarh)।