ad
ad

Breaking News

Manipur Ambush

মনিপুরে অসম রাইফেলসের ওপর ভয়াবহ হামলা, শহিদ দুই জওয়ান, আহত একাধিক

৩৩ আসাম রাইফেলসের একটি দল ইম্ফল পশ্চিমের পাতসই কোম্পানি অপারেটিং বেস থেকে বিষ্ণুপুরের নাম্বোল কোম্পানি অপারেটিং বেসে যাচ্ছিল।

Manipur Ambush: Two Assam Rifles Personnel Martyred

চিত্র: সংগৃহীত

Bangla Jago Desk: মনিপুরের বিষ্ণুপুর জেলার নাম্বোল সাবাল লেইকাইয়ে এনএইচ-১৫০ (NH-150) জাতীয় সড়কের ওপর অতর্কিত হামলা চলে। ঘটনায় আসাম রাইফেলসের দুই জওয়ান শহিদ হয়েছেন (Manipur Ambush)। আহত হয়েছেন অন্তত পাঁচ। নিহত দুই জওয়ানের নাম- নায়েব সুবেদার শ্যাম গুরুং এবং রাইফেলম্যান রণজিৎ সিং কাশ্যপ।

কর্মকর্তারা জানান, শুক্রবার সন্ধ্যার পর এই হামলা ঘটে। ৩৩ আসাম রাইফেলসের একটি দল ইম্ফল পশ্চিমের পাতসই কোম্পানি অপারেটিং বেস থেকে বিষ্ণুপুরের নাম্বোল কোম্পানি অপারেটিং বেসে যাচ্ছিল।

সেনাবাহিনীর এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, “নাম্বোল সাবাল লেইকাই-এর সাধারণ এলাকায়, জাতীয় সড়কের ওপর থাকা একটি নিষিদ্ধ অঞ্চলে সেনাবাহিনীর দলটির ওপর অজ্ঞাত সন্ত্রাসীরা অতর্কিত হামলা চালায়। এর ফলে আসাম রাইফেলসের দুই জওয়ান শহিদ হন এবং পাঁচজন আহত হন। আহতদেরকে রিমস (আঞ্চলিক চিকিৎসা বিজ্ঞান প্রতিষ্ঠান) হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়েছে এবং বর্তমানে তাদের অবস্থা স্থিতিশীল (Manipur Ambush)।”

আহতদের মধ্যে থাকা এন নংথন সাংবাদিকদের জানান, প্রায় ৪-৫ জন হামলাকারী হঠাৎ করে তাদের ওপর গুলি চালাতে শুরু করে। পিটিআই এর প্রতিবেদন অনুযায়ী তিনি বলেন, “আমরা সঙ্গে সঙ্গে পাল্টা গুলি চালাইনি, কারণ এটি জনবহুল এলাকা ছিল এবং এর ফলে সাধারণ মানুষেরও আঘাত লাগতে পারত।”

এখনও পর্যন্ত কোনও গোষ্ঠী এই হামলার দায় স্বীকার করেনি। আসাম রাইফেলসের এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, হামলাকারীদের খুঁজে বের করতে নিরাপত্তা বাহিনী ব্যাপক তল্লাশি অভিযান শুরু করেছে।

এক পুলিশ কর্মকর্তা জানিয়েছেন, জঙ্গিরা হাইওয়ের দু’পাশে অবস্থান নিয়েছিল এবং আসাম রাইফেলসের কর্মীরা সেখান দিয়ে যাওয়ার সময় তাদের ওপর হামলা করে (Manipur Ambush)।

মনিপুরের রাজ্যপাল অজয় কুমার ভাল্লা এই হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন। রাজভবন থেকে এক্স হ্যান্ডেলে পোস্ট করে জানায়, “মনিপুরের রাজ্যপাল শুক্রবার নিরাপত্তা বাহিনীর ওপর হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন, যেখানে আসাম রাইফেলসের দুই সাহসী জওয়ান কর্তব্যরত অবস্থায় সর্বোচ্চ আত্মত্যাগ করেছেন…। রাজ্যপাল পুনরায় নিশ্চিত করেছেন যে এমন জঘন্য সহিংসতা কোনো পরিস্থিতিতেই বরদাস্ত করা হবে না এবং এই অঞ্চলে শান্তি ও স্থিতিশীলতা রক্ষা করতে কঠোরতম পদক্ষেপ নেওয়া হবে।”