ad
ad

Breaking News

Uttar Pradesh

পণের জন্য স্ত্রীকে খুন করে টুকরো টুকরো করলেন দেহ! ভয়ঙ্কর স্বীকারোক্তি স্বামীর

লখনউ যাওয়ার পথে স্ত্রী সাবিনাকে খুন করেন এবং তার দেহ টুকরো টুকরো করে প্রায় ১০ কিলোমিটার এলাকা জুড়ে ছড়িয়ে দেন। কিছু অংশ খালে ফেলে দেন, আর স্ত্রীর বাঁ হাতের একটি টুকরো পুড়িয়ে বাগানে লুকিয়ে রাখেন।

Man kills wife for dowry and dismemberes her body! Terrible confession of husband

চিত্র: সংগৃহীত

Bangla Jago Desk: পণের জন্য স্ত্রীকে নৃশংসভাবে খুন করে তার দেহ টুকরো টুকরো করে ফেলে দেওয়ার ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে শ্রাবস্তী জেলায়। অভিযুক্ত স্বামীর নাম সইফউদ্দিন (৩১)। নিহতের নাম সাবিনা (২৫)।

দিন দুই ধরে দিদির খোঁজ না পেয়ে উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েন ভাই সালাহউদ্দিন। বারবার দিদির নম্বরে ফোন করেও প্রতিবারই মোবাইল বন্ধ পান। জামাইবাবুর সঙ্গেও যোগাযোগের চেষ্টা করেন, কিন্তু সেখানেও বিফল হন। অবশেষে একবুক আশঙ্কা নিয়ে দিদির শ্বশুরবাড়ি শ্রাবস্তীতে যান তিনি। কিন্তু সেখানে গিয়ে দেখেন দরজায় তালা।

প্রতিবেশীদের কাছ থেকে জানতে পারেন, দিদি ও জামাইবাবু নাকি লখনউ গিয়েছেন বেড়াতে। কিন্তু ফোন বন্ধ কেন? সন্ধ্যায় জামাইবাবুর সঙ্গে দেখা হলে দিদির খোঁজ নিতেই আচরণে অস্বাভাবিকতা টের পান সালাহউদ্দিন। সন্দেহ জাগতেই তিনি সোজা থানায় যান এবং অভিযোগ দায়ের করেন।

পুলিশ জেরা শুরু করে সইফউদ্দিনকে। শুরুতে ঘুরিয়ে-পেঁচিয়ে উত্তর দিলেও শেষ পর্যন্ত স্বীকার করেন ভয়ঙ্কর সত্য। তিনি জানান, লখনউ যাওয়ার পথে স্ত্রী সাবিনাকে খুন করেন এবং তার দেহ টুকরো টুকরো করে প্রায় ১০ কিলোমিটার এলাকা জুড়ে ছড়িয়ে দেন। কিছু অংশ খালে ফেলে দেন, আর স্ত্রীর বাঁ হাতের একটি টুকরো পুড়িয়ে বাগানে লুকিয়ে রাখেন।

পুলিশ ইতিমধ্যে মৃতার দেহের কিছু অংশ উদ্ধার করেছে। শুক্রবার সাবিনার বাঁ হাতের অংশ পাওয়ার পর সইফউদ্দিনকে গ্রেফতার করা হয়। শনিবার তাকে আদালতে তোলা হবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

সাবিনার বাপের বাড়ির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, বিয়ের পর থেকেই মেয়ে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনের শিকার হচ্ছিলেন। ভাই সালাহউদ্দিন বলেন, “পণের জন্যই আমার দিদিকে মেরে ফেলেছে ও। আমরা দিদির হাতের টুকরো বাগানে পেয়েছি। দোষীর কঠোরতম শাস্তি চাই।”

এই বর্বর হত্যাকাণ্ড ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে গোটা এলাকায়। পুলিশ জানিয়েছে, তদন্ত চলছে এবং পুরো দেহ উদ্ধারের চেষ্টা করা হচ্ছে।