ad
ad

Breaking News

Mamata Banerjee

সুপ্রিম কোর্টে মুখোমুখি মমতা-কমিশন: মাইক্রো-অবজারভার নিয়োগ ঘিরে তুঙ্গে সংঘাত, পরবর্তী শুনানি কবে?

এদিন আদালতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সরাসরি অভিযোগ করেন, নির্বাচন কমিশন উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে পশ্চিমবঙ্গকে টার্গেট করছে।

Mamata Banerjee Urges Supreme Court Over ECI Micro-Observers

চিত্র: সংগৃহীত

Bangla Jago Desk: ভোটার তালিকা সংশোধন এবং বাংলায় ‘মাইক্রো-অবজারভার’ নিয়োগ নিয়ে নির্বাচন কমিশনের ভূমিকার কড়া সমালোচনা করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সোমবার সুপ্রিম কোর্টে প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তের নেতৃত্বাধীন বেঞ্চে উপস্থিত হয়ে মুখ্যমন্ত্রী সওয়াল করেন, শুধুমাত্র পশ্চিমবঙ্গকেই কেন নিশানা করা হচ্ছে? দীর্ঘ শুনানির পর সুপ্রিম কোর্ট এই বিষয়ে নির্বাচন কমিশনকে (ECI) নোটিশ জারি করেছে। মামলার পরবর্তী শুনানি আগামী ৯ ফেব্রুয়ারি (Mamata Banerjee)।

এদিন আদালতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সরাসরি অভিযোগ করেন, নির্বাচন কমিশন উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে পশ্চিমবঙ্গকে টার্গেট করছে। তিনি বলেন, “৫৮ লক্ষ নাম আগেই বাদ দেওয়া হয়েছে, এখন মাইক্রো-অবজারভার নিয়োগ করে আরও নাম বাদ দেওয়ার চেষ্টা চলছে। অসমের মতো রাজ্যে এমনটা না হলেও শুধু বাংলার ক্ষেত্রে কেন এই তৎপরতা?” উৎসবের মরসুমে সাধারণ মানুষকে নোটিশ পাঠানো এবং ১০০ জন বিএলও-র (BLO) মৃত্যু নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তিনি। বিবাহিত নারীদের নাম বাদ পড়া এবং নামের বানান ভুলের মতো বিষয়গুলোও তিনি আদালতের সামনে তুলে ধরেন।

নির্বাচন কমিশনের পক্ষে আইনজীবী রাকেশ ধাওয়ান অভিযোগ করেন, রাজ্য সরকার সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিচ্ছে না বলেই কাজের সুবিধার্থে মাইক্রো-অবজারভার নিয়োগ করতে হয়েছে। যদিও রাজ্যের আইনজীবী এই অভিযোগ অস্বীকার করে জানান, কমিশন যা চেয়েছিল রাজ্য তার সবটাই সরবরাহ করেছে (Mamata Banerjee)।

শুনানি চলাকালীন প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের নামের প্রসঙ্গ টেনে সহাস্যে মন্তব্য করেন, “রবীন্দ্রনাথের নাম যেভাবেই বানান করা হোক না কেন, তিনি রবীন্দ্রনাথই থাকবেন।” তবে নামের বানান ভুল সংশোধনে কমিশনকে উদ্যোগী হওয়ার পরামর্শ দেন তিনি। প্রধান বিচারপতি আরও বলেন, আধার কার্ডের কিছু সীমাবদ্ধতা রয়েছে। ভোটার তালিকা থেকে যাতে কোনও নিরপরাধ নাগরিক বাদ না পড়েন, তা নিশ্চিত করতে হবে (Mamata Banerjee)।

মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বিচারপতির কাছে হাতজোড় করে বলেন, “আমার বিনীত অনুরোধ, গণতন্ত্র রক্ষা করুন। আমরা কোথাও ন্যায়বিচার পাচ্ছি না।” এর জবাবে প্রধান বিচারপতি তাঁকে আশ্বস্ত করে বলেন, “প্রতিটি সমস্যার সমাধান রয়েছে। বাংলার হয়ে অভিজ্ঞ আইনজীবীরা সওয়াল করছেন, তাঁরা আমাদের সাহায্য করবেন।” আপাতত সোমবার পর্যন্ত ঝুলে রইল এই ইস্যু। নির্বাচন কমিশনকে এখন সুপ্রিম কোর্টে তাদের পদক্ষেপের ব্যাখ্যা দিতে হবে (Mamata Banerjee)।