চিত্রঃ সংগৃহীত
Bangla Jago Desk: ভারতে এলপিজি (LPG) গ্রাহকদের মধ্যে বর্তমানে একটি বিশেষ সরকারি নির্দেশিকা নিয়ে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। রান্নার গ্যাসের নতুন নিয়ম অনুযায়ী, এখন থেকে ‘এক বাড়ি, এক গ্যাস সংযোগ’ নীতি কঠোরভাবে কার্যকর করা হচ্ছে। এর ফলে সারা দেশের অসংখ্য গ্রাহকের মোবাইলে গ্যাস সিলিন্ডার সমর্পণ বা সারেন্ডার করার বার্তা পাঠানো হচ্ছে, যা নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে বিভ্রান্তি ও উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছে।
@IGLSocial team I have submitted my request to Surender my lpg gas connection multiple time as I Annie using png gas. I have not used lpg cylinders for last 5and half years but I keep on getting notification to surrender it again n again. pic.twitter.com/mcw4FNJsoR
— virendra agarwal (@virensgi) May 5, 2026
গ্যাস সংস্থাগুলির পাঠানো ওই বার্তায় স্পষ্টভাবে জানানো হয়েছে যে, সরকারি নিয়ম অনুযায়ী একই পরিবারে এলপিজি এবং পিএনজি (পাইপলাইনের মাধ্যমে আসা প্রাকৃতিক গ্যাস)—উভয় সংযোগ রাখা দণ্ডনীয়। যাদের বাড়িতে ইতিমধ্যেই পিএনজি সংযোগ রয়েছে, তাদের অবিলম্বে এলপিজি সিলিন্ডার সমর্পণ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এই প্রক্রিয়া যাচাই করার জন্য একটি নির্দিষ্ট পোর্টাল (https://MyPNGD.in) চালু করা হয়েছে। নির্দেশ অমান্য করলে কোনো নোটিশ ছাড়াই এলপিজি পরিষেবা বিচ্ছিন্ন করার পাশাপাশি সিলিন্ডার রিফিল করা বন্ধ করে দেওয়া হতে পারে। এমনকি ভেরিফিকেশনের সময় ধরা পড়লে বড় অঙ্কের জরিমানা হওয়ার সম্ভাবনাও রয়েছে।
VIDEO | Delhi: Ministry of Petroleum Joint Secretary Sujata Sharma says, “More than 43,000 PNG consumers have voluntarily surrendered their LPG connections. Operations at retail outlets are normal. However, panic booking is being observed at some locations, and we are in constant… pic.twitter.com/JhCLWUYT6p
— Press Trust of India (@PTI_News) April 30, 2026
কেন্দ্রীয় সরকার মূলত রান্নার জ্বালানির সুষম বণ্টন নিশ্চিত করতে এবং জ্বালানি অপচয় রোধে এই পদক্ষেপ নিয়েছে। আন্তর্জাতিক বাজারে বিশেষ করে হরমুজ প্রণালীর মতো গুরুত্বপূর্ণ সরবরাহ রুটে উত্তেজনার ফলে জ্বালানি তেলের বিশ্বব্যাপী সরবরাহ ব্যবস্থা চাপের মুখে রয়েছে। ভারত তার জ্বালানি চাহিদার বড় অংশ আমদানির মাধ্যমে মেটায়, তাই যেসব বাড়িতে পাইপলাইন গ্যাস নেই, তাদের সরবরাহ নিরবচ্ছিন্ন রাখতেই এই কড়াকড়ি করা হচ্ছে। ‘এক বাড়ি, এক সংযোগ’ নীতি কার্যকর হলে ভুয়া বা অতিরিক্ত সংযোগ চিহ্নিত করা সহজ হবে এবং প্রকৃত গ্রাহকরা সুবিধা পাবেন।
প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, সরকারি এই সতর্কবার্তা পাওয়ার পর ইতিমধ্যেই ৪৩ হাজারেরও বেশি গ্রাহক তাদের অতিরিক্ত এলপিজি সংযোগ সমর্পণ করেছেন। দেশের তেল বিপণন সংস্থাগুলিকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে যেন তারা দ্বৈত সংযোগ রয়েছে এমন গ্রাহকদের সিলিন্ডার রিফিল করা বন্ধ করে দেয়। শহর ও গ্রামাঞ্চলে এই যাচাইকরণ অভিযান বা ভেরিফিকেশন ড্রাইভ যত বাড়বে, সিলিন্ডার সমর্পণকারীর সংখ্যাও তত বৃদ্ধি পাবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট দপ্তরের আধিকারিকরা। এর ফলে রান্নার গ্যাসের কালোবাজারি রোখা সম্ভব হবে এবং জ্বালানি সাশ্রয় হবে বলে আশা করা হচ্ছে।