ad
ad

Breaking News

LPG Price

রান্নার গ্যাস নিয়ে কেন্দ্রের বড় সিদ্ধান্ত! এখন থেকে চাইলেই যখন-তখন করা যাবে না বুকিং

অতিরিক্ত বুকিং বা কালোবাজারি রুখতেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে

LPG Price Cooking Gas Cost Rises in India

চিত্র- সংগৃহীত

Bangla Jago Desk: পশ্চিম এশিয়ার ক্রমবর্ধমান যুদ্ধ পরিস্থিতির নেতিবাচক প্রভাব পড়তে শুরু করেছে ভারতের জ্বালানি বাজারে। যুদ্ধের জেরে আন্তর্জাতিক বাজারে অস্থিরতা তৈরি হওয়ায় দেশে রান্নার গ্যাসের দাম একধাক্কায় অনেকটা বৃদ্ধি পেয়েছে। ১৪.২ কেজি ওজনের গৃহস্থালির এলপিজি সিলিন্ডারের দাম ৬০ টাকা বাড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। ফলে আগে যে সিলিন্ডার ৮৭৯ টাকায় পাওয়া যেত, এখন তার জন্য উপভোক্তাদের গুনতে হচ্ছে ৯৩৯ টাকা। শুধু গৃহস্থালি নয়, বাণিজ্যিক গ্যাসের দামও ১১৫ টাকার কাছাকাছি বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৯৯০ টাকায়। এই মূল্যবৃদ্ধির ফলে রেস্তোরাঁ ও হোটেলের খাবারের খরচ সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে চলে যাওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

মূল্যবৃদ্ধির পাশাপাশি রান্নার গ্যাস বুকিংয়ের নিয়মেও বড়সড় বদল এনেছে কেন্দ্র সরকার। আগে ২১ দিন অন্তর সিলিন্ডার বুক করা যেত, কিন্তু এখন সেই সময়সীমা বাড়িয়ে ২৫ দিন করা হয়েছে। সরকারের দাবি, যুদ্ধের আবহে সরবরাহ ব্যবস্থা স্বাভাবিক রাখতে এবং অহেতুক আতঙ্ক থেকে অতিরিক্ত বুকিং বা কালোবাজারি রুখতেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। লক্ষ্য করা যাচ্ছিল যে, সংকটের আশঙ্কায় গ্রাহকরা অনেক দ্রুত গ্যাস বুক করছিলেন, যা সামাল দিতেই এই ২৫ দিনের বাধ্যবাধকতা আনা হয়েছে।

ইজরায়েল ও ইরানের মধ্যে চলমান যুদ্ধের কারণে খনিজ তেল ও প্রাকৃতিক গ্যাসের জোগান নিয়ে বিশ্বজুড়ে উদ্বেগ বাড়ছে। যদিও ভারত সরকার দেশবাসীকে আশ্বস্ত করেছে যে পর্যাপ্ত জ্বালানি মজুত রয়েছে এবং তেল শোধনাগারগুলিকে উৎপাদন বাড়ানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তবে বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, যুদ্ধের মেয়াদ আরও দীর্ঘায়িত হলে আমদানিনির্ভর এই ক্ষেত্রে টান পড়া অস্বাভাবিক নয়। বিশেষ করে প্রাকৃতিক গ্যাসের (LNG) আকাশছোঁয়া দাম ভারতের বাজারে চাপ বাড়াচ্ছে।

বর্তমান পরিস্থিতিতে তেল সংস্থাগুলি সাধারণ মানুষের ঘরের হেঁশেল সচল রাখাকেই অগ্রাধিকার দিচ্ছে। সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে যে, মজুত থাকা গ্যাসের প্রথম অংশ গৃহস্থালির প্রয়োজনে ব্যবহার করা হবে। এরপর বাড়তি জোগান থাকলে তবেই তা বাণিজ্যিক কাজে সরবরাহ করা হবে। এর ফলে হোটেল, রেস্তোরাঁ ও পাইস হোটেলগুলোতে বাণিজ্যিক সিলিন্ডারের আকাল দেখা দিতে পারে। যদি পরিস্থিতি দ্রুত স্বাভাবিক না হয়, তবে আগামী দিনে জ্বালানি সংকট আরও গভীর হওয়ার আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন কারবারিরা।